
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩২
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩২
ফরিদপুরের সদরপুরে তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করায় থানা চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদরপুর হামলার শিকার হন চ্যানেল এস-এর সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন টিটু এবং দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক আলমগীর হোসেন।
হামলার শিকার ওই দুই সাংবাদিক জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় তেলের ডিলার মোহাম্মদ আলী মোল্যা ও তার ছেলে সামী মোল্যার তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করলে তারা (সাংবাদিকরা) প্রথম দফা হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারা জানান, অভিযোগের পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে থানায় গেলে, অভিযোগের জের ধরে ওই তেলের ডিলার ও তার লোকজন থানার চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায়। এ সময় থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পরে সাংবাদিকরা থানা চত্বরের সামনে সড়কে অবস্থান নিলে রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং তার সহযোগী মোস্তাকি বাবু তৃতীয় দফায় তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো বক্তব্য দেননি। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, হামলার বিষয়টি নিয়ে আমি এমপির সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
ফরিদপুরের সদরপুরে তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করায় থানা চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদরপুর হামলার শিকার হন চ্যানেল এস-এর সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন টিটু এবং দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক আলমগীর হোসেন।
হামলার শিকার ওই দুই সাংবাদিক জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় তেলের ডিলার মোহাম্মদ আলী মোল্যা ও তার ছেলে সামী মোল্যার তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করলে তারা (সাংবাদিকরা) প্রথম দফা হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারা জানান, অভিযোগের পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে থানায় গেলে, অভিযোগের জের ধরে ওই তেলের ডিলার ও তার লোকজন থানার চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায়। এ সময় থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পরে সাংবাদিকরা থানা চত্বরের সামনে সড়কে অবস্থান নিলে রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং তার সহযোগী মোস্তাকি বাবু তৃতীয় দফায় তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো বক্তব্য দেননি। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, হামলার বিষয়টি নিয়ে আমি এমপির সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫