Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫১
দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া অর্জন করে আখিরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাদ মাগরিব বরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের দ্বিতীয় দিনের মূল বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন। শায়খে চরমোনাই বলেন, ‘গুনাহ মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে দেয়। যখন কলব অপরিষ্কার হয়ে যায়, তখন মানুষ ধীরে ধীরে গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়।
কিন্তু যারা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখে, তাদের দ্বারা গুনাহের কাজ প্রকাশ পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।’ তিনি বলেন, ‘তাকওয়া অর্জন ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির কোনো বিকল্প নেই।
এ জন্য মানুষের অন্তর থেকে দুনিয়ার মোহমায়া দূর করে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করতে হবে। মানুষ দুনিয়ায় ভালো থাকার জন্য অনেক কিছুই করে, সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে নিরন্তর চেষ্টা চালায়। কিন্তু প্রকৃত বুদ্ধিমান তারা, যারা অনন্ত জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে।’
ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার মোহে পড়ে চিরস্থায়ী আখিরাতের সুখ-শান্তি নষ্ট করা উচিত নয় উল্লেখ করে প্রত্যেক মানুষের উচিত নিজের আমল ঠিক রেখে পরকালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তরিকার মুরিদদের উদ্দেশে তিনি সাপ্তাহিক হালকায়ে জিকির, মাসিক ইজতেমা, পাঁচটি ওষুধ ও তিনটি সবক, যা আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠনের বিশেষ আমল, এসব নিয়মিত পালনের নির্দেশনা দেন।
ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিল ময়দানে এদিন আরও বয়ান পেশ করেন মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা সেকান্দার আলী সিদ্দিকী, আল্লামা জাফর আহমাদ এবং জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরারসহ দেশবরেণ্য ওলামা-মাশায়েখরা। উল্লেখ্য, শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এই মাহফিল সমাপ্ত হবে।
দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া অর্জন করে আখিরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাদ মাগরিব বরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের দ্বিতীয় দিনের মূল বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন। শায়খে চরমোনাই বলেন, ‘গুনাহ মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে দেয়। যখন কলব অপরিষ্কার হয়ে যায়, তখন মানুষ ধীরে ধীরে গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়।
কিন্তু যারা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখে, তাদের দ্বারা গুনাহের কাজ প্রকাশ পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।’ তিনি বলেন, ‘তাকওয়া অর্জন ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির কোনো বিকল্প নেই।
এ জন্য মানুষের অন্তর থেকে দুনিয়ার মোহমায়া দূর করে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করতে হবে। মানুষ দুনিয়ায় ভালো থাকার জন্য অনেক কিছুই করে, সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে নিরন্তর চেষ্টা চালায়। কিন্তু প্রকৃত বুদ্ধিমান তারা, যারা অনন্ত জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে।’
ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার মোহে পড়ে চিরস্থায়ী আখিরাতের সুখ-শান্তি নষ্ট করা উচিত নয় উল্লেখ করে প্রত্যেক মানুষের উচিত নিজের আমল ঠিক রেখে পরকালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তরিকার মুরিদদের উদ্দেশে তিনি সাপ্তাহিক হালকায়ে জিকির, মাসিক ইজতেমা, পাঁচটি ওষুধ ও তিনটি সবক, যা আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠনের বিশেষ আমল, এসব নিয়মিত পালনের নির্দেশনা দেন।
ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিল ময়দানে এদিন আরও বয়ান পেশ করেন মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা সেকান্দার আলী সিদ্দিকী, আল্লামা জাফর আহমাদ এবং জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরারসহ দেশবরেণ্য ওলামা-মাশায়েখরা। উল্লেখ্য, শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এই মাহফিল সমাপ্ত হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী সাবরিনা আক্তার (জিয়া) আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলি ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সাবরিনা আক্তার বলেন, আমি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার আমার স্বামীর বাড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আকন বাড়ি। আমি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে এবং পাশে থাকতে আমি মাঠে নেমেছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে কাজ করবো।
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভোটারদের কাছে সাবরিনা আক্তারের পক্ষে সমর্থন কামনা করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রার্থী সাবরিনা আক্তারের সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিকতায় তারা সন্তুষ্ট। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই দিন দিন তার গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ নাফিজ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে আকষ্মিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত ইমতিয়াজ আহমেদ নাফিজ গৌরনদী উপজেলার ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেনের বড় ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে (ব্রেন স্ট্রোক) তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর অকাল প্রয়াণে পুরো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, গত ১৬ মার্চ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ইমতিয়াজকে ঢাকার একটি নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে গত ১ এপ্রিল চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। তবে বাড়িতে ফেরার মাত্র দুই দিনের মাথায় আজ সকালে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন অনেকে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। সব পদেই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ভোর রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হলে বিজয়ী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়।
নির্বাচন উপ-পরিষদ ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল দলের মো. আবুল কালাম আজাদ-১ মোট ৪৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সাদা দলের মো. গালাউদ্দিন মাসুম পেয়েছেন ৩০৪ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে শেখ মেহেদী হাসান শাহীন ৪৮৯ ভোট পেয়ে প্রথম এবং সৈয়দ মাসুম মিয়া রেজা ৪২৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বিজয়ী হয়েছেন।
সম্পাদক পদে ৪৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল কালাম আজাদ ইমন।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ ইমরান কবির মাসুদ পেয়েছেন ৩৩৬ ভোট এবং জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো. ফরিদ উদ্দিন পেয়েছেন ২৮৫ ভোট।
অর্থ সম্পাদক পদে মো. জাকির হোসেন ৩৬১ ভোট পেলেও মো. জাহিদুল ইসলাম পান্না ৪৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। যুগ্ম সম্পাদক পদের দুটি আসনে মো. তারেক আল ইমরান ৪৬২ ভোট পেয়ে প্রথম এবং সাইদুর রহমান সোহেল ৪০২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাহী সদস্যের চারটি পদে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬৭৫ ভোট পেয়ে মো. হারুন অর রশিদ প্রথম, ৫১৫ ভোট পেয়ে গোলাম মোর্তজা তপু দ্বিতীয়, ৪৪৯ ভোট পেয়ে পারভেজ বেপারী তৃতীয় এবং ৪০৬ ভোট পেয়ে মো. সাইফুল আলম চতুর্থ নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন উপ-পরিষদের আহ্বায়ক এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ৯৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৬৭৮ জন ভোট দিয়েছেন।
তবে এবারের নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং বামপন্থি আইনজীবীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। এমনকি বৃহস্পতিবার তাদের ভোট দিতেও কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়নি। যদিও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি বলে নির্বাচন উপ-পরিষদ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে আদালতে মামলাও করেছেন আওয়ামীপন্থি তিন আইনজীবী।
বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী সাবরিনা আক্তার (জিয়া) আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলি ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সাবরিনা আক্তার বলেন, আমি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার আমার স্বামীর বাড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আকন বাড়ি। আমি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে এবং পাশে থাকতে আমি মাঠে নেমেছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে কাজ করবো।
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভোটারদের কাছে সাবরিনা আক্তারের পক্ষে সমর্থন কামনা করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রার্থী সাবরিনা আক্তারের সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিকতায় তারা সন্তুষ্ট। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই দিন দিন তার গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ নাফিজ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে আকষ্মিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত ইমতিয়াজ আহমেদ নাফিজ গৌরনদী উপজেলার ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেনের বড় ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে (ব্রেন স্ট্রোক) তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর অকাল প্রয়াণে পুরো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, গত ১৬ মার্চ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ইমতিয়াজকে ঢাকার একটি নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে গত ১ এপ্রিল চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। তবে বাড়িতে ফেরার মাত্র দুই দিনের মাথায় আজ সকালে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন অনেকে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। সব পদেই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ভোর রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হলে বিজয়ী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়।
নির্বাচন উপ-পরিষদ ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত নীল দলের মো. আবুল কালাম আজাদ-১ মোট ৪৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সাদা দলের মো. গালাউদ্দিন মাসুম পেয়েছেন ৩০৪ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে শেখ মেহেদী হাসান শাহীন ৪৮৯ ভোট পেয়ে প্রথম এবং সৈয়দ মাসুম মিয়া রেজা ৪২৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বিজয়ী হয়েছেন।
সম্পাদক পদে ৪৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল কালাম আজাদ ইমন।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ ইমরান কবির মাসুদ পেয়েছেন ৩৩৬ ভোট এবং জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো. ফরিদ উদ্দিন পেয়েছেন ২৮৫ ভোট।
অর্থ সম্পাদক পদে মো. জাকির হোসেন ৩৬১ ভোট পেলেও মো. জাহিদুল ইসলাম পান্না ৪৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। যুগ্ম সম্পাদক পদের দুটি আসনে মো. তারেক আল ইমরান ৪৬২ ভোট পেয়ে প্রথম এবং সাইদুর রহমান সোহেল ৪০২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাহী সদস্যের চারটি পদে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬৭৫ ভোট পেয়ে মো. হারুন অর রশিদ প্রথম, ৫১৫ ভোট পেয়ে গোলাম মোর্তজা তপু দ্বিতীয়, ৪৪৯ ভোট পেয়ে পারভেজ বেপারী তৃতীয় এবং ৪০৬ ভোট পেয়ে মো. সাইফুল আলম চতুর্থ নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন উপ-পরিষদের আহ্বায়ক এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ৯৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৬৭৮ জন ভোট দিয়েছেন।
তবে এবারের নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং বামপন্থি আইনজীবীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। এমনকি বৃহস্পতিবার তাদের ভোট দিতেও কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়নি। যদিও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি বলে নির্বাচন উপ-পরিষদ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে আদালতে মামলাও করেছেন আওয়ামীপন্থি তিন আইনজীবী।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫১
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪