
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৭
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.