বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাওয়া সড়কের পাশে অস্থায়ী সাঁকো (পোল) নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্টের সদস্যরা। চলাচল বন্ধসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ জুন) স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া একটি সংযোগ সড়কের পাশে এ সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেন তারা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে বিপদসীমার ওপরে পানি প্রবাহিত হয়। এতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকার রিং বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
এরমধ্যে পাথরঘাটা উপজেলার হলতা নদীর পানির চাপে নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের একটি সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। ফলে চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন ওই দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে ভেঙে যাওয়া ওই সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বরগুনার দায়িত্বে থাকা নৌবাহিনীর সদস্যরা।
নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের বিষয়ে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে গ্রামের মানুষের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে নৌবাহিনীর উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।
এ বিষয়ে নৌবাহিনীর লে. সৈয়দ মাসরুর সালেকিন মারুফ বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে পাথারঘাটার ওই এলাকার বেড়িবাঁধসহ প্রায় ২০ মিটার রাস্তা ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। আর এ জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন অস্থায়ী একটি সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৫
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে বরগুনার নিখোঁজ পাঁচ জেলের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
তার নাম সাইকুল মীর (৪৫)। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাত মীরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সমুদ্রে দুটি ট্রলার পাঠানো হয়। উদ্ধার অভিযানে মঙ্গলবার বিকালের দিকে ডুবে যাওয়া ট্রলারের স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এই জেলের লাশ ভাসতে দেখেন। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটার ঘাটে পৌঁছান।
বরগুনা জেলা মৎস্য মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে আমাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক দুটি ট্রলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখানে ডুবুরি দলও পাঠানো হয়। তবে সেখানে আমাদের উদ্ধার অভিযানে যাও দুটি ট্রলার নিখোঁজদের খুঁজতে থাকে, পরে বিকালে একজনের লাশ ভাসতে দেখে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে করে আজ সকালে ঘাটে পৌঁছায়। তবে আমাদের উদ্ধারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, অন্য নিখোঁজ চার জেলেদের জন্য।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ‘এফবি বরকত’ ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও পাঁচ জন।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে বরগুনার নিখোঁজ পাঁচ জেলের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
তার নাম সাইকুল মীর (৪৫)। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাত মীরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সমুদ্রে দুটি ট্রলার পাঠানো হয়। উদ্ধার অভিযানে মঙ্গলবার বিকালের দিকে ডুবে যাওয়া ট্রলারের স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এই জেলের লাশ ভাসতে দেখেন। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটার ঘাটে পৌঁছান।
বরগুনা জেলা মৎস্য মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে আমাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক দুটি ট্রলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখানে ডুবুরি দলও পাঠানো হয়। তবে সেখানে আমাদের উদ্ধার অভিযানে যাও দুটি ট্রলার নিখোঁজদের খুঁজতে থাকে, পরে বিকালে একজনের লাশ ভাসতে দেখে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে করে আজ সকালে ঘাটে পৌঁছায়। তবে আমাদের উদ্ধারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, অন্য নিখোঁজ চার জেলেদের জন্য।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ‘এফবি বরকত’ ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও পাঁচ জন।

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫২
বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর পাঁচ জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গভীর সমুদ্র থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
ট্রলারটির মালিক ও মাঝি বাদল মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, গভীর সমুদ্র থেকে পাঁচ জেলের লাশ উদ্ধার করে একটি ট্রলার বর্তমানে উপকূলের দিকে ফিরছে। পাথরঘাটায় পৌঁছাতে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও পাঁচজন।
নিখোঁজ পাঁচ জেলে হলেন—নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইকুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)। তাদের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে ক্লান্ত হয়ে কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড় ও ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উলটে যায়। পরে আট জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সমুদ্রে একটি ট্রলার পাঠানো হয়। উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শেষ পর্যন্ত পাঁচ জেলের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়।
বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর পাঁচ জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গভীর সমুদ্র থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
ট্রলারটির মালিক ও মাঝি বাদল মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, গভীর সমুদ্র থেকে পাঁচ জেলের লাশ উদ্ধার করে একটি ট্রলার বর্তমানে উপকূলের দিকে ফিরছে। পাথরঘাটায় পৌঁছাতে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও পাঁচজন।
নিখোঁজ পাঁচ জেলে হলেন—নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইকুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)। তাদের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে ক্লান্ত হয়ে কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড় ও ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উলটে যায়। পরে আট জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সমুদ্রে একটি ট্রলার পাঠানো হয়। উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শেষ পর্যন্ত পাঁচ জেলের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়।

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পাঁচ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার হৃদয় মোল্লা, কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. জামাল, আংগারপাড়া এলাকার লিমন সিকদার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অনিক এবং নড়াইলের জিহাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে গাবতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন লিমন সিকদার। তিন-চার দিন আগে সেখানে যান হৃদয় মোল্লা। পরে বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও তিন যুবক ওই বাসায় আসেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে বুধবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন ওই বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় একটি পিস্তল দেখতে পেয়ে তারা পাঁচ যুবককে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার তালতলীতে বিএনপির দুটি সমাবেশ ছিল। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় অবস্থানে ছিল। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল ও গুলিসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পাঁচ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার হৃদয় মোল্লা, কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. জামাল, আংগারপাড়া এলাকার লিমন সিকদার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অনিক এবং নড়াইলের জিহাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে গাবতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন লিমন সিকদার। তিন-চার দিন আগে সেখানে যান হৃদয় মোল্লা। পরে বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও তিন যুবক ওই বাসায় আসেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে বুধবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন ওই বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় একটি পিস্তল দেখতে পেয়ে তারা পাঁচ যুবককে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার তালতলীতে বিএনপির দুটি সমাবেশ ছিল। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় অবস্থানে ছিল। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল ও গুলিসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’

০২ জুন, ২০২৫ ১২:০১
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাওয়া সড়কের পাশে অস্থায়ী সাঁকো (পোল) নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্টের সদস্যরা। চলাচল বন্ধসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ জুন) স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া একটি সংযোগ সড়কের পাশে এ সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেন তারা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে বিপদসীমার ওপরে পানি প্রবাহিত হয়। এতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকার রিং বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
এরমধ্যে পাথরঘাটা উপজেলার হলতা নদীর পানির চাপে নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের একটি সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। ফলে চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন ওই দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে ভেঙে যাওয়া ওই সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বরগুনার দায়িত্বে থাকা নৌবাহিনীর সদস্যরা।
নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের বিষয়ে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে গ্রামের মানুষের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে নৌবাহিনীর উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।
এ বিষয়ে নৌবাহিনীর লে. সৈয়দ মাসরুর সালেকিন মারুফ বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে পাথারঘাটার ওই এলাকার বেড়িবাঁধসহ প্রায় ২০ মিটার রাস্তা ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। আর এ জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন অস্থায়ী একটি সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮