
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ জুন, ২০২৫ ১২:০১
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাওয়া সড়কের পাশে অস্থায়ী সাঁকো (পোল) নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্টের সদস্যরা। চলাচল বন্ধসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ জুন) স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া একটি সংযোগ সড়কের পাশে এ সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেন তারা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে বিপদসীমার ওপরে পানি প্রবাহিত হয়। এতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকার রিং বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
এরমধ্যে পাথরঘাটা উপজেলার হলতা নদীর পানির চাপে নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের একটি সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। ফলে চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন ওই দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে ভেঙে যাওয়া ওই সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বরগুনার দায়িত্বে থাকা নৌবাহিনীর সদস্যরা।
নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের বিষয়ে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে গ্রামের মানুষের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে নৌবাহিনীর উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।
এ বিষয়ে নৌবাহিনীর লে. সৈয়দ মাসরুর সালেকিন মারুফ বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে পাথারঘাটার ওই এলাকার বেড়িবাঁধসহ প্রায় ২০ মিটার রাস্তা ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। আর এ জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন অস্থায়ী একটি সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাওয়া সড়কের পাশে অস্থায়ী সাঁকো (পোল) নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্টের সদস্যরা। চলাচল বন্ধসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ জুন) স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া একটি সংযোগ সড়কের পাশে এ সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেন তারা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে বিপদসীমার ওপরে পানি প্রবাহিত হয়। এতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকার রিং বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
এরমধ্যে পাথরঘাটা উপজেলার হলতা নদীর পানির চাপে নাচনাপাড়া ও কাঠালতলী ইউনিয়নের একটি সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। ফলে চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন ওই দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে ভেঙে যাওয়া ওই সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বরগুনার দায়িত্বে থাকা নৌবাহিনীর সদস্যরা।
নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের বিষয়ে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে গ্রামের মানুষের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে নৌবাহিনীর উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।
এ বিষয়ে নৌবাহিনীর লে. সৈয়দ মাসরুর সালেকিন মারুফ বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে পাথারঘাটার ওই এলাকার বেড়িবাঁধসহ প্রায় ২০ মিটার রাস্তা ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। আর এ জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন অস্থায়ী একটি সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১