
২৯ মে, ২০২৫ ১৫:৪১
ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
তিনি বলেন, এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে
ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
তিনি বলেন, এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ইরান তার আকাশসীমা ও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর আংশিকভাবে পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে ট্রানজিট করতে পারবে। তবে এসব খুলে দিরেও একই দিন দেশটি নতুন করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এখন নির্ধারিত রুটে পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে। প্রযুক্তিগত ও পরিচালনগত প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা হবে।
যাত্রীসেবা পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দেশজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে—এমন আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ইসলামাবাদে আরেক দফা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে আকাশপথ আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে। সেন্টকম-এর তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরুর পর থেকে ২১টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে স্থায়ী চুক্তি না হলে পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।
ইরান তার আকাশসীমা ও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর আংশিকভাবে পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে ট্রানজিট করতে পারবে। তবে এসব খুলে দিরেও একই দিন দেশটি নতুন করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এখন নির্ধারিত রুটে পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে। প্রযুক্তিগত ও পরিচালনগত প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা হবে।
যাত্রীসেবা পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দেশজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে—এমন আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ইসলামাবাদে আরেক দফা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে আকাশপথ আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে। সেন্টকম-এর তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরুর পর থেকে ২১টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে স্থায়ী চুক্তি না হলে পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৭
হরমুজ প্রণালিতে নতুন ফি আদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত ফি’ আরোপ করা হবে না। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত খরচের জন্য নতুন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হতে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো ফি আরোপ করবে না। তবে পার্লামেন্ট বর্তমানে একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করছে। এ আইনে ‘প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করতে হলে ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক হবে। কোনো অবস্থাতেই শত্রুপক্ষের সামরিক জাহাজ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মালিকানায় থাকা জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজগুলো পূর্ব সমন্বয়ের ভিত্তিতে চলাচল করতে পারবে।
ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, প্রণালি পরিচালনা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ইরান মেনে নেবে না। এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের মাহমুদ নাবাভিয়ান নামের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এজন্য তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, ইরান এইমাত্র ঘোষণা করেছে যে, তাদের হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ধন্যবাদ!
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা করেছিলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির বাকি সময়টুকু বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই তেল পরিবহন পথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য খোলা থাকবে।
হরমুজ প্রণালিতে নতুন ফি আদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত ফি’ আরোপ করা হবে না। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত খরচের জন্য নতুন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হতে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো ফি আরোপ করবে না। তবে পার্লামেন্ট বর্তমানে একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করছে। এ আইনে ‘প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করতে হলে ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক হবে। কোনো অবস্থাতেই শত্রুপক্ষের সামরিক জাহাজ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মালিকানায় থাকা জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজগুলো পূর্ব সমন্বয়ের ভিত্তিতে চলাচল করতে পারবে।
ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, প্রণালি পরিচালনা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ইরান মেনে নেবে না। এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের মাহমুদ নাবাভিয়ান নামের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এজন্য তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, ইরান এইমাত্র ঘোষণা করেছে যে, তাদের হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ধন্যবাদ!
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা করেছিলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির বাকি সময়টুকু বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই তেল পরিবহন পথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য খোলা থাকবে।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৮
মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সময় গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে অবরোধ শুরুর পর গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ২৫টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করেছে। আরো ১৩টি জাহাজ প্রণালি এলাকায় অবস্থান করছে।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, অবরোধ উপেক্ষা করে পার হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি ট্যাঙ্কার ছিল। এগুলোর মধ্যে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ক্রিশ্চিয়ানা’, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত ‘রিচ স্টারি’ ও ‘মুরলীকিষাণ’ এবং পানামার পতাকাবাহী ‘পিস গালফ’ উল্লেখযোগ্য।
বিজ্ঞাপন
তবে এসব ট্যাঙ্কার গোয়াদর উপসাগর ও রাস আল হাদ্দের কাছাকাছি মার্কিন অবরোধ রেখার সামনে এসে থেমে থাকতে দেখা গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, মার্কিন নৌবাহিনী গোয়াদর উপসাগর থেকে ওমানের রাস আল হাদ্দ পর্যন্ত এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রেখা বরাবর এই অবরোধ কার্যকর করছে। অবরোধের ফলে প্রায় দুই হাজার জাহাজ পারস্য উপসাগসের ভেতরে আটকে আছে এবং প্রায় ৪০০ জাহাজ প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে শিপিং পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ট্যাঙ্কার ট্রাফিক জানিয়েছে, অনেক জাহাজ নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়া অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) সিগন্যাল ব্যবহার করছে। ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত সোমবার থেকে এই অবরোধ কার্যকর করার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সময় গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে অবরোধ শুরুর পর গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ২৫টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করেছে। আরো ১৩টি জাহাজ প্রণালি এলাকায় অবস্থান করছে।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, অবরোধ উপেক্ষা করে পার হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি ট্যাঙ্কার ছিল। এগুলোর মধ্যে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ক্রিশ্চিয়ানা’, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত ‘রিচ স্টারি’ ও ‘মুরলীকিষাণ’ এবং পানামার পতাকাবাহী ‘পিস গালফ’ উল্লেখযোগ্য।
বিজ্ঞাপন
তবে এসব ট্যাঙ্কার গোয়াদর উপসাগর ও রাস আল হাদ্দের কাছাকাছি মার্কিন অবরোধ রেখার সামনে এসে থেমে থাকতে দেখা গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, মার্কিন নৌবাহিনী গোয়াদর উপসাগর থেকে ওমানের রাস আল হাদ্দ পর্যন্ত এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রেখা বরাবর এই অবরোধ কার্যকর করছে। অবরোধের ফলে প্রায় দুই হাজার জাহাজ পারস্য উপসাগসের ভেতরে আটকে আছে এবং প্রায় ৪০০ জাহাজ প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে শিপিং পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ট্যাঙ্কার ট্রাফিক জানিয়েছে, অনেক জাহাজ নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়া অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) সিগন্যাল ব্যবহার করছে। ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত সোমবার থেকে এই অবরোধ কার্যকর করার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.