ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
তিনি বলেন, এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৮
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৩
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০ জনে। মর্মান্তিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৬০ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নেপালি পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে। এ ছাড়া বহু বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীর সঙ্গে এখনও সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ভাটির জেলা চিতওয়ানে ১৩২টি, পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ৮২টি, ধাডিংয়ে ৩৩টি, গোর্খায় ৩০টি, রাসুয়ায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি তানাহুনে ২২টি এবং পশ্চিম নওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৮২৬ জন সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উদ্ধার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪৪ জন নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্য, ২৮ জন নেপাল পুলিশের সদস্য এবং ১৩ জন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। এ ছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা পর্যটকদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১২৭ জন নেপালি পর্যটক রয়েছেন।
তবে রয়টার্স জানিয়েছে, পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত এক হাজার জনে। তাদের মধ্যে নেপাল ও চীনের তিব্বত অংশ মিলে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজের তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, অন্তত ১৭৭ জন।
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০ জনে। মর্মান্তিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৬০ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নেপালি পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে। এ ছাড়া বহু বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীর সঙ্গে এখনও সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ভাটির জেলা চিতওয়ানে ১৩২টি, পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ৮২টি, ধাডিংয়ে ৩৩টি, গোর্খায় ৩০টি, রাসুয়ায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি তানাহুনে ২২টি এবং পশ্চিম নওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৮২৬ জন সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উদ্ধার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪৪ জন নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্য, ২৮ জন নেপাল পুলিশের সদস্য এবং ১৩ জন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। এ ছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা পর্যটকদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১২৭ জন নেপালি পর্যটক রয়েছেন।
তবে রয়টার্স জানিয়েছে, পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত এক হাজার জনে। তাদের মধ্যে নেপাল ও চীনের তিব্বত অংশ মিলে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজের তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, অন্তত ১৭৭ জন।

২৯ মে, ২০২৫ ১৫:৪১
ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
তিনি বলেন, এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১