
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:২১
ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
ভোলার মনপুরায় মৎস্য বিভাগ ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৪৫ টি সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের নের্তৃত্বে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক'র তত্ত্বাবধানে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি চৌখস টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) উপজেলার জনতা বাজার, লতাখালি ও তালতলা মৎস্যঘাটে সকাল ১০ টা থেকে রাত ০৭ টা পর্যন্ত প্রায় ০৯ ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও রাত ০৮ টায় উপজেলার কলাতলী চরের ঘোলের খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় ১৫ হাজার মিটার ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাটে এনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অবরোধ কালিন সময়ে উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং বোটের একটি বৃহৎ অংশ বরফ মজুদ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মনপুরায় আসেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী এ অভিযানে তারা তল্লাশী চালিয়ে ৪৫ টি ফিশিংবোটে মজুদকৃত বরফ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার মাছঘাটে ২৭ টি, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি মাছঘাটে ৭ টি ও তালতলা মাছঘাটে ১১ টি ফিশিং বোটে বোঝাইকৃত বরফ জব্দ করা হয়। এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মিদের উপস্থিতি জব্দকৃত বরফ বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী মো হেলাল উদ্দিন ও মো রাসেদ প্রমূখ।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয় এ অভিযান পরিচালন করেন। ৪৫ টি ফিশিং বোটের মজুদকৃত বরফ আমরা বিনস্ট করেছি। এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের মৎস্য দপ্তরের টিম ও কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৬
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৮
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.