
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩