
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৭
সিলেটের ওসমানীনগরে মাঠ থেকে চুরি করা গরু জবাই করে সেই মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুখাপন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গরু কেনার টাকা দেওয়ার পরও কেয়ারটেকারের এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান প্রবাসী আহমদ মধু।
গত মঙ্গলবারের ওই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরাসহ কয়েক গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক রোজাদার অংশ নেন। চুরির গরুর মাংসে ইফতারের বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলমুখাপন গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউনাইটেড গলমুখাপন ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজাদ আহমদ সাদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার (৬ রমজান) এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আহমদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক বুরহান মিয়া।
ইফতারের আগের দিন একই গ্রামের নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির একটি গরু পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাননি তিনি। এদিকে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমদ মধু ইফতারের জন্য তার বাড়ির কেয়ারটেকার সাঈদীকে তিনটি গরু কেনার টাকা দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কেয়ারটেকার সাঈদী গরু না কিনে নাজমুল ইসলামের হারিয়ে যাওয়া গরুটি মাঠ থেকে ধরে এনে জবাই করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে কৈফিয়ত চান। পরে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ইফতারের জন্য জবাই করা গরুটি প্রকৃতপক্ষে নাজমুল ইসলামেরই ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী আহমদ মধু তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মালিককে নগদ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার রাতেই তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
গরুর মালিককে অর্থ পরিশোধের পর প্রবাসী নিজে এই ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কেয়ারটেকার সাঈদী পলাতক রয়েছেন।
গ্রামবাসী জানান, আহমদ মধু এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিত হলেও তার কেয়ারটেকারের এমন হীন কর্মকাণ্ডে তিনি নিজে এবং তার পরিবার সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সিলেটের ওসমানীনগরে মাঠ থেকে চুরি করা গরু জবাই করে সেই মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুখাপন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গরু কেনার টাকা দেওয়ার পরও কেয়ারটেকারের এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান প্রবাসী আহমদ মধু।
গত মঙ্গলবারের ওই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরাসহ কয়েক গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক রোজাদার অংশ নেন। চুরির গরুর মাংসে ইফতারের বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলমুখাপন গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউনাইটেড গলমুখাপন ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজাদ আহমদ সাদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার (৬ রমজান) এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আহমদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক বুরহান মিয়া।
ইফতারের আগের দিন একই গ্রামের নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির একটি গরু পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাননি তিনি। এদিকে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমদ মধু ইফতারের জন্য তার বাড়ির কেয়ারটেকার সাঈদীকে তিনটি গরু কেনার টাকা দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কেয়ারটেকার সাঈদী গরু না কিনে নাজমুল ইসলামের হারিয়ে যাওয়া গরুটি মাঠ থেকে ধরে এনে জবাই করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে কৈফিয়ত চান। পরে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ইফতারের জন্য জবাই করা গরুটি প্রকৃতপক্ষে নাজমুল ইসলামেরই ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী আহমদ মধু তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মালিককে নগদ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার রাতেই তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
গরুর মালিককে অর্থ পরিশোধের পর প্রবাসী নিজে এই ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কেয়ারটেকার সাঈদী পলাতক রয়েছেন।
গ্রামবাসী জানান, আহমদ মধু এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিত হলেও তার কেয়ারটেকারের এমন হীন কর্মকাণ্ডে তিনি নিজে এবং তার পরিবার সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০১ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৮
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসাসূচক পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সর্বশেষ চাকসু নির্বাচনে সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন।
বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ফাহাদ লেখেন, যদিও বোঝাতে চেয়েছিলাম, ভিন্ন আদর্শ থেকে দেবিদ্বারের রাজপথে মুখোমুখি দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। সেখানে কোনো ধরনের শোকজ নোটিশ না দিয়ে বহিষ্কার আদেশ দেখে লিটারেলি হাসি পাচ্ছে।
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, দল-মত যাই হোক, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে দেবিদ্বারের ছেলেরা এখন হাসনাত হতে চায়।
গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকেও ছোট আলমপুর চৌমুহনীতে কোনো অফিস করতে পারেনি। কিন্তু গত ৭ তারিখ এলাকায় ঢুকে চৌমুহনীতে শাপলা কলির অফিস দেখে নিশ্চিত হয়েছি, দেবিদ্বারে হাসনাতের যুগ শুরু হয়েছে। দেখা হবে রাজপথে, ইনশাআল্লাহ। উক্ত পোস্টকে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

০১ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৯
ময়মনসিংহে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ডেকে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় কাজল চক্রবর্তী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর নাটকঘর লেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক কাজল চক্রবর্তী ওই এলাকার মৃত হরিদাস চক্রবর্তীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নাজমুস শাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে কাজল চক্রবর্তী শিশুকে নিজ বসতঘরে নিয়ে যান।
তখন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানায়।
তবে কাজল ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি অস্বীকার করে উল্টো শিশুটির পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনার পর থেকে শিশুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করতে থাকে।
পরে শনিবার সকালে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানান। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে কাজল চক্রবর্তীকে আটক করে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি নাজমুস সাকিব।

০১ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসাসূচক পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শাহরিয়ার উদ্দিন ফাহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সর্বশেষ চাকসু নির্বাচনে সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন।
বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ফাহাদ লেখেন, যদিও বোঝাতে চেয়েছিলাম, ভিন্ন আদর্শ থেকে দেবিদ্বারের রাজপথে মুখোমুখি দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। সেখানে কোনো ধরনের শোকজ নোটিশ না দিয়ে বহিষ্কার আদেশ দেখে লিটারেলি হাসি পাচ্ছে।
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, দল-মত যাই হোক, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে দেবিদ্বারের ছেলেরা এখন হাসনাত হতে চায়।
গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকেও ছোট আলমপুর চৌমুহনীতে কোনো অফিস করতে পারেনি। কিন্তু গত ৭ তারিখ এলাকায় ঢুকে চৌমুহনীতে শাপলা কলির অফিস দেখে নিশ্চিত হয়েছি, দেবিদ্বারে হাসনাতের যুগ শুরু হয়েছে। দেখা হবে রাজপথে, ইনশাআল্লাহ। উক্ত পোস্টকে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ময়মনসিংহে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ডেকে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় কাজল চক্রবর্তী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর নাটকঘর লেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক কাজল চক্রবর্তী ওই এলাকার মৃত হরিদাস চক্রবর্তীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নাজমুস শাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে কাজল চক্রবর্তী শিশুকে নিজ বসতঘরে নিয়ে যান।
তখন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানায়।
তবে কাজল ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি অস্বীকার করে উল্টো শিশুটির পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনার পর থেকে শিশুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করতে থাকে।
পরে শনিবার সকালে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানান। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে কাজল চক্রবর্তীকে আটক করে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি নাজমুস সাকিব।
এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস না দেওয়ায় চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কলেজের প্রধান গেটে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় কলেজের শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক নেতাদের তদবিরে ৬-৭ বিষয়ে ফেল করা অনেক শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) ২টার দিকে মিরসরাই ডিগ্রি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মিরসরাই ডিগ্রি কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগে সকল বিষয়ে ২৮ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। প্রথম বিবেচনায় ৪০ জন, দ্বিতীয় বিবেচনায় ৩৮ জন ও বিশেষ বিবেচনায় ৭৩ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ১৫১ জন শিক্ষার্থীকে পাস দেওয়া হয়। ফেল করা শিক্ষার্থীরা রোববার কলেজের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করে।
ফেল করা শিক্ষার্থী জাহেদুল ইসলাম বলেন, আমরা কলেজে এসে আমাদের ফলাফল দেখতে চেয়েছি, কিন্তু ফলাফল দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। স্যাররা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ সময় একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন স্যার। অনেক শিক্ষার্থী ৬-৭ বিষয়ে ফেল করলেও রাজনৈতিক নেতাদের সুপারিশে তাদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে আমরা কলেজ গেটে তালা দিয়েছি।
নুসরাত জাহান প্রেমা নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষকরা আমাদের প্রতি অন্যায় করছেন। আমরা ২-৩ বিষয়ে ফেল করেছি। কিন্তু আমাদের ফলাফল দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের এক দাবি, যারা আন্দোলন করছি, আমাদের সবাইকে পাস করিয়ে দিতে হবে।
মিরসরাই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, কিছু ছাত্র নামধারী যারা পড়াশোনা করেনা তারা কলেজে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। গত কয়েক বছর ধরে কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় এ বছর গভর্নিং বডি ও শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরীক্ষায় ভালো করতে হবে।
সে চেষ্টার আলোকে দুটি বিষয়ে ৩০ নম্বর পেয়ে যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের পাস দেওয়া হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর যারা নিয়মিত কলেজে আসেনা, পড়াশোনা করেনা, বাইরে আড্ডা দেয় তারা আজ কলেজে এসে ঝামেলা করেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেছি। তিনি আইনগত সহায়তা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, এটা মোটেও সত্য নয়। মূলত ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে যারা নির্দিষ্ট নম্বর পেয়েছে তাদের পাস দেওয়া হয়েছে। বোর্ড পরীক্ষায় এই দুই বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থীরা ফেল করে।
মিরসরাই থানার এসআই শরীফ উদ্দিন বলেন, কিছু অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থী কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে গেটের তালা খুলে দিয়েছে।
এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস না দেওয়ায় চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কলেজের প্রধান গেটে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় কলেজের শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক নেতাদের তদবিরে ৬-৭ বিষয়ে ফেল করা অনেক শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) ২টার দিকে মিরসরাই ডিগ্রি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মিরসরাই ডিগ্রি কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগে সকল বিষয়ে ২৮ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। প্রথম বিবেচনায় ৪০ জন, দ্বিতীয় বিবেচনায় ৩৮ জন ও বিশেষ বিবেচনায় ৭৩ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ১৫১ জন শিক্ষার্থীকে পাস দেওয়া হয়। ফেল করা শিক্ষার্থীরা রোববার কলেজের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করে।
ফেল করা শিক্ষার্থী জাহেদুল ইসলাম বলেন, আমরা কলেজে এসে আমাদের ফলাফল দেখতে চেয়েছি, কিন্তু ফলাফল দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। স্যাররা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ সময় একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন স্যার। অনেক শিক্ষার্থী ৬-৭ বিষয়ে ফেল করলেও রাজনৈতিক নেতাদের সুপারিশে তাদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে আমরা কলেজ গেটে তালা দিয়েছি।
নুসরাত জাহান প্রেমা নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষকরা আমাদের প্রতি অন্যায় করছেন। আমরা ২-৩ বিষয়ে ফেল করেছি। কিন্তু আমাদের ফলাফল দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের এক দাবি, যারা আন্দোলন করছি, আমাদের সবাইকে পাস করিয়ে দিতে হবে।
মিরসরাই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, কিছু ছাত্র নামধারী যারা পড়াশোনা করেনা তারা কলেজে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। গত কয়েক বছর ধরে কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় এ বছর গভর্নিং বডি ও শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরীক্ষায় ভালো করতে হবে।
সে চেষ্টার আলোকে দুটি বিষয়ে ৩০ নম্বর পেয়ে যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের পাস দেওয়া হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর যারা নিয়মিত কলেজে আসেনা, পড়াশোনা করেনা, বাইরে আড্ডা দেয় তারা আজ কলেজে এসে ঝামেলা করেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেছি। তিনি আইনগত সহায়তা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, এটা মোটেও সত্য নয়। মূলত ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে যারা নির্দিষ্ট নম্বর পেয়েছে তাদের পাস দেওয়া হয়েছে। বোর্ড পরীক্ষায় এই দুই বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থীরা ফেল করে।
মিরসরাই থানার এসআই শরীফ উদ্দিন বলেন, কিছু অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থী কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে গেটের তালা খুলে দিয়েছে।