
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২৮
ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২২দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার দায়ে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৭ জন জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন,মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জব্দ করা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৮৫ কেজি ইলিশ।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোরহানউদ্দিন উপজেলার তেতুলিয়া নদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান-উজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকগণ আটককৃত জেলেদের মধ্যে ১২ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া একজনকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা জয়। তাদের মধ্যে একজনের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। বাকিরা ভোলার বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রণজিৎ চন্দ্র দাস বলেন, “বোরহানউদ্দিন উপজেলাধীন তেতুঁলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করে ১৭ জেলেকে আটক করা হয়।
সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ আহরণের অপরাধে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ (সংশোধিত ২০২৫) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আটককৃতদের জেল-জরিমানা ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয়েছে।
জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং ইলিশ স্থানীয় বিভিন্ন মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন,অভিযানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা,নৌবাহিনী,কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২২দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার দায়ে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৭ জন জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন,মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জব্দ করা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৮৫ কেজি ইলিশ।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোরহানউদ্দিন উপজেলার তেতুলিয়া নদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান-উজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকগণ আটককৃত জেলেদের মধ্যে ১২ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া একজনকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা জয়। তাদের মধ্যে একজনের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। বাকিরা ভোলার বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রণজিৎ চন্দ্র দাস বলেন, “বোরহানউদ্দিন উপজেলাধীন তেতুঁলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করে ১৭ জেলেকে আটক করা হয়।
সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ আহরণের অপরাধে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ (সংশোধিত ২০২৫) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আটককৃতদের জেল-জরিমানা ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয়েছে।
জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং ইলিশ স্থানীয় বিভিন্ন মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন,অভিযানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা,নৌবাহিনী,কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব, কর্মী সাবনুর এবং হোসেন ব্যাপক মারধর করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।’
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব, কর্মী সাবনুর এবং হোসেন ব্যাপক মারধর করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।’

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ভোলা জেলার সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরে জেলার পৌর মুসলিম পাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালের ভোলায় জেলা বিএনপির সমাবেশে হামলা, গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর প্রায় ৪০০ জনের বিরুদ্ধে সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ হোসাইন মামলায় করেন। ওই মামলায় আসামি হওয়ায় মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ভোলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ভোলা জেলার সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরে জেলার পৌর মুসলিম পাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালের ভোলায় জেলা বিএনপির সমাবেশে হামলা, গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর প্রায় ৪০০ জনের বিরুদ্ধে সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ হোসাইন মামলায় করেন। ওই মামলায় আসামি হওয়ায় মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ভোলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।