২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:০১
দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতেই ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে— এমন অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ থামিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে প্রথম আলোর কার্যালয় পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জুনায়েদ সাকি বলেন, আমরা দেখেছি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে হামলা করা হয়েছে। এর পরপরই সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচীর ভবনে হামলা হয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো ন্যাক্কারজনক। এগুলো কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।
ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেভাবে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলো, তাতে সারাদেশের মানুষ শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। গতকাল আমরা তার জানাজায় দেখেছি—সারা দেশের মানুষ কিভাবে সেখানে যুক্ত হয়েছে। তার শাহাদাত একদিকে আমাদের শোকাহত করেছে, অন্যদিকে ক্ষোভে ফুঁসিয়ে তুলেছে।
জুনায়েদ সাকি বলেন, আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের হাজারও শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন চেয়েছি। এই তিনটি বিষয় আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু আমরা দেখছি, পতিত ফ্যাসিস্টরা ভারতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, একদল স্বার্থান্বেষী মহল মানুষের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমের ওপর হামলা চালাচ্ছে, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আক্রমণ করছে। এতে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জুলাই আন্দোলন দেশের ইতিহাসে এক বিরাট ঐক্য তৈরি হয়েছিল। সেই আন্দোলনে রাজনৈতিক দল, মত ও আদর্শে পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও জনগণের বৃহৎ ঐক্যের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতন ঘটিয়েছি।
বর্তমান সময়কে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর্ব উল্লেখ করে জুনায়েদ সাকি বলেন, আমাদের লক্ষ্য রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক করা, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করা, সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন করা এবং দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
জুনায়েদ সাকি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করতেই তারা উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যাতে এটি সফল হতে না পারে। তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ সরকারের দায়িত্ব ছিল এই ঐক্য বজায় রাখা, মানুষের জানমাল ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সরকার সেখানে ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব ছিল।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব নাশকতামূলক তৎপরতা ঠেকাতে পারেনি? ক্ষুব্ধ মানুষকে সহজেই উত্তেজিত করা যায়— একদল সেটাই করছে।
শেষে তিনি বলেন, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন— এগুলো আমাদের জাতীয় স্বার্থ। কেউ যেন এই জাতীয় স্বার্থ বানচাল করতে না পারে, সেজন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যে ফাটল ধরলে এই আততায়ী ও নাশকতাকারীরাই লাভবান হবে।
দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতেই ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে— এমন অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ থামিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে প্রথম আলোর কার্যালয় পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জুনায়েদ সাকি বলেন, আমরা দেখেছি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে হামলা করা হয়েছে। এর পরপরই সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচীর ভবনে হামলা হয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো ন্যাক্কারজনক। এগুলো কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।
ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেভাবে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলো, তাতে সারাদেশের মানুষ শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। গতকাল আমরা তার জানাজায় দেখেছি—সারা দেশের মানুষ কিভাবে সেখানে যুক্ত হয়েছে। তার শাহাদাত একদিকে আমাদের শোকাহত করেছে, অন্যদিকে ক্ষোভে ফুঁসিয়ে তুলেছে।
জুনায়েদ সাকি বলেন, আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের হাজারও শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন চেয়েছি। এই তিনটি বিষয় আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু আমরা দেখছি, পতিত ফ্যাসিস্টরা ভারতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, একদল স্বার্থান্বেষী মহল মানুষের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমের ওপর হামলা চালাচ্ছে, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আক্রমণ করছে। এতে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জুলাই আন্দোলন দেশের ইতিহাসে এক বিরাট ঐক্য তৈরি হয়েছিল। সেই আন্দোলনে রাজনৈতিক দল, মত ও আদর্শে পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও জনগণের বৃহৎ ঐক্যের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতন ঘটিয়েছি।
বর্তমান সময়কে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর্ব উল্লেখ করে জুনায়েদ সাকি বলেন, আমাদের লক্ষ্য রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক করা, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করা, সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন করা এবং দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
জুনায়েদ সাকি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করতেই তারা উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যাতে এটি সফল হতে না পারে। তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ সরকারের দায়িত্ব ছিল এই ঐক্য বজায় রাখা, মানুষের জানমাল ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সরকার সেখানে ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব ছিল।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব নাশকতামূলক তৎপরতা ঠেকাতে পারেনি? ক্ষুব্ধ মানুষকে সহজেই উত্তেজিত করা যায়— একদল সেটাই করছে।
শেষে তিনি বলেন, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন— এগুলো আমাদের জাতীয় স্বার্থ। কেউ যেন এই জাতীয় স্বার্থ বানচাল করতে না পারে, সেজন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যে ফাটল ধরলে এই আততায়ী ও নাশকতাকারীরাই লাভবান হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।