ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। জরিমানার এই টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বগুড়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মারুফ হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আসামি তার কিশোরী মেয়েকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। তদন্ত চলাকালে আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক উল্লেখ করেন, কোনো বাবার কাছে যদি তার সন্তান নিরাপদ না থাকে, তবে সমাজব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা কঠিন। সমাজে যেন এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং শিশুরা নিরাপদ থাকে, তা নিশ্চিত করতেই আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের অ্যাডভোকেট মো. আলী আসগার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে, যা সামাজিক কাঠামো রক্ষা ও অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। লোকলজ্জার ভয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছে।
বগুড়ার শেরপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বর্তমান কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালের ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সত্যতা পেয়ে পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দিয়েছিল। আদালত তার উপযুক্ত বিচার করেছেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১২
নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো নিজের শেষ সম্বলটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে দেখছেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা ফুলবানু বেগম। চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে বসতভিটা, বিলীন হচ্ছে স্মৃতি। আগ্রাসী নদী কেড়ে নিচ্ছে বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকুও।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লোহালিয়া, সিংহরকাঠি ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভয়াবহ নদীভাঙন। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের শেষ সম্বল।
ফুলবানু বেগমের দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখে আসছেন নদীর ভয়ংকর রূপ। কেটে গেছে প্রায় চার দশক। বদলেছে সরকার, জনপ্রতিনিধি এসেছে-গেছে, এসেছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি—কিন্তু বদলায়নি নদীপাড়ের মানুষের ভাগ্য।
ভোটের সময় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের আনাগোনা থাকলেও ভোট শেষ হলে যেন তাদের খোঁজ নেওয়ার কেউ থাকে না। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিরাপদ বাঁধ কোথায়? পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগই বা কোথায়?
শুধু ফুলবানু নন, নদীভাঙনের শিকার ক্যান্সারে আক্রান্ত অসহায় হালিমাও। স্বামী রেখে যাওয়া শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু গত রাতের ভয়াবহ ভাঙনে সেই সম্বলেরও অর্ধেক চলে গেছে নদীর পেটে।
এমনকি স্বজনদের কবরস্থানও রেহাই পায়নি নদীর ভাঙন থেকে। একের পর এক কবর বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন হারিয়ে শোক আর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর তীরজুড়ে কয়েক শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। অথচ ভাঙনের মুখে পড়া এসব মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা। ফলে কখন ঘর ভেঙে পড়বে, কখন শেষ সম্বলটুকু নদীতে চলে যাবে—এই আতঙ্কেই দিন কাটছে দুই গ্রামের মানুষের।
নদীভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ নিতে কেউ আসেননি। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা আর প্রতিশ্রুতি চান না। চান টেকসই বাঁধ, চান নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ।
তাদের প্রশ্ন—কখন বন্ধ হবে এই সর্বনাশা নদীভাঙন? আর কত পরিবার সর্বস্ব হারালে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? আর কত ফুলবানু ও হালিমার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?
নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো নিজের শেষ সম্বলটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে দেখছেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা ফুলবানু বেগম। চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে বসতভিটা, বিলীন হচ্ছে স্মৃতি। আগ্রাসী নদী কেড়ে নিচ্ছে বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকুও।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লোহালিয়া, সিংহরকাঠি ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভয়াবহ নদীভাঙন। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের শেষ সম্বল।
ফুলবানু বেগমের দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখে আসছেন নদীর ভয়ংকর রূপ। কেটে গেছে প্রায় চার দশক। বদলেছে সরকার, জনপ্রতিনিধি এসেছে-গেছে, এসেছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি—কিন্তু বদলায়নি নদীপাড়ের মানুষের ভাগ্য।
ভোটের সময় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের আনাগোনা থাকলেও ভোট শেষ হলে যেন তাদের খোঁজ নেওয়ার কেউ থাকে না। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিরাপদ বাঁধ কোথায়? পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগই বা কোথায়?
শুধু ফুলবানু নন, নদীভাঙনের শিকার ক্যান্সারে আক্রান্ত অসহায় হালিমাও। স্বামী রেখে যাওয়া শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু গত রাতের ভয়াবহ ভাঙনে সেই সম্বলেরও অর্ধেক চলে গেছে নদীর পেটে।
এমনকি স্বজনদের কবরস্থানও রেহাই পায়নি নদীর ভাঙন থেকে। একের পর এক কবর বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন হারিয়ে শোক আর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর তীরজুড়ে কয়েক শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। অথচ ভাঙনের মুখে পড়া এসব মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা। ফলে কখন ঘর ভেঙে পড়বে, কখন শেষ সম্বলটুকু নদীতে চলে যাবে—এই আতঙ্কেই দিন কাটছে দুই গ্রামের মানুষের।
নদীভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ নিতে কেউ আসেননি। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা আর প্রতিশ্রুতি চান না। চান টেকসই বাঁধ, চান নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ।
তাদের প্রশ্ন—কখন বন্ধ হবে এই সর্বনাশা নদীভাঙন? আর কত পরিবার সর্বস্ব হারালে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? আর কত ফুলবানু ও হালিমার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩০
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫১
বগুড়ায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। জরিমানার এই টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বগুড়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মারুফ হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আসামি তার কিশোরী মেয়েকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। তদন্ত চলাকালে আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক উল্লেখ করেন, কোনো বাবার কাছে যদি তার সন্তান নিরাপদ না থাকে, তবে সমাজব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা কঠিন। সমাজে যেন এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং শিশুরা নিরাপদ থাকে, তা নিশ্চিত করতেই আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের অ্যাডভোকেট মো. আলী আসগার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে, যা সামাজিক কাঠামো রক্ষা ও অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। লোকলজ্জার ভয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছে।
বগুড়ার শেরপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বর্তমান কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালের ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সত্যতা পেয়ে পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দিয়েছিল। আদালত তার উপযুক্ত বিচার করেছেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৮
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৯