
০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ২৩:৫০
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক, আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন উঠেছে। তবে তিনি যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তারা জানিয়েছেন—মৃত্যুর খবরটি গুজব।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ১০ দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তোফায়েল আহমেদ। তার অবস্থা ‘ভালো নয়’ বলে শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর খবর সত্য নয়।’
শনিবার রাতে তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবর দেয় কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম। কেউ কেউ আবার পরে প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগেও তার মৃত্যুর গুজব ছড়ায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ‘কাস্টমার কেয়ার’ প্রতিনিধি মোরশেদুল রাত পৌনে ১১টার দিকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর গত এক সপ্তাহ থেকেই ছড়াচ্ছে। আমাদের কাছেও অনেকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইছেন। তিনি আমাদের হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি আছেন। সেক্ষেত্রে ওনার সর্বশেষ পরিস্থিতি যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারাই বলতে পারবেন। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন, সে সময় সাংবাদিকরাও জানতে পারবেন।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের বলেন, সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থা ‘অপরিবর্তিত রয়েছে’।
এদিকে, তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে ওনার অবস্থা খারাপের দিকে চলে গিয়েছিল; প্রেশার ও পালস কমে গিয়েছিল। সেটা আবার সেটেল করেছে। ওনার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। আগের চেয়েও অবনতি হয়েছে। তবে এখনো তিনি জীবিত আছেন।
পরিবারের এক সদস্য বলেন, কয়েক বছর ধরেই হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তোফায়েল আহমেদ। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তখন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভোলা থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ আমলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনা সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক, আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন উঠেছে। তবে তিনি যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তারা জানিয়েছেন—মৃত্যুর খবরটি গুজব।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ১০ দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তোফায়েল আহমেদ। তার অবস্থা ‘ভালো নয়’ বলে শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর খবর সত্য নয়।’
শনিবার রাতে তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবর দেয় কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম। কেউ কেউ আবার পরে প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগেও তার মৃত্যুর গুজব ছড়ায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ‘কাস্টমার কেয়ার’ প্রতিনিধি মোরশেদুল রাত পৌনে ১১টার দিকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর গত এক সপ্তাহ থেকেই ছড়াচ্ছে। আমাদের কাছেও অনেকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইছেন। তিনি আমাদের হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি আছেন। সেক্ষেত্রে ওনার সর্বশেষ পরিস্থিতি যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারাই বলতে পারবেন। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন, সে সময় সাংবাদিকরাও জানতে পারবেন।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের বলেন, সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থা ‘অপরিবর্তিত রয়েছে’।
এদিকে, তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে ওনার অবস্থা খারাপের দিকে চলে গিয়েছিল; প্রেশার ও পালস কমে গিয়েছিল। সেটা আবার সেটেল করেছে। ওনার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। আগের চেয়েও অবনতি হয়েছে। তবে এখনো তিনি জীবিত আছেন।
পরিবারের এক সদস্য বলেন, কয়েক বছর ধরেই হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তোফায়েল আহমেদ। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তখন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভোলা থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ আমলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনা সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমিতে একটি প্রত্যয়নপত্রে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) শম্ভুপুর খাসের হাট বাজার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লাভিবের পিতা আহসানুল হক মমিন কয়েকদিন আগে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের কাজে ব্যবহারের জন্য বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেন।
কিছুদিন পরে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে সংশোধন ও স্বাক্ষরের বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ঘটনার পর খাসের হাট বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বলেন, “লাভিবের বাবা আহসানুল হক মমিন তার ছেলের জন্মনিবন্ধন জন্য প্রত্যয়নপত্র দেয়ার পরেও পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর দেওয়ার অনুরোধ করেন।
আমি তাকে জানাই, প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর দেওয়া আছে। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘এটা হবে না। আপনাকে চাকরি দিয়েছে কে? আপনার তো চাকরি করার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই।’ পরে আমাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তিনি আমার ওপর লাইব্রেরি থাকা ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে বারি দেয়। এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
অন্যদিকে আহসানুল হক মমিন বলেন, “আমার ছেলে শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমির প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার পর সেখানে কিছু ভুল দেখতে পাই।
বিষয়টি সংশোধনের জন্য প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রফিক মাস্টার বিষয়টি অবহিত করলে তিনি আমাকে খাসের হাট বাজারে সামছুলের চায়ের দোকানে দেখা করতে বলেন। সেখানে গেলে শিক্ষিকার স্বামী ও তার কয়েকজন স্বজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এক অভিভাবক জানান, “মমিন ভাই লাইব্রেরিতে এসে ম্যাডামকে বলেন, ‘এটা কী প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এখানে সব ভুল। আপনাকে কে চাকরি দিয়েছে, আপনি তো চাকরি করার যোগ্য নন।’ এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মমিন ভাই ম্যাডামকে ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন এবং একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। এরপর তিনি বিদ্যালয় থেকে চলে যায়।
এবিষয়ে তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় উভয়পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমিতে একটি প্রত্যয়নপত্রে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) শম্ভুপুর খাসের হাট বাজার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লাভিবের পিতা আহসানুল হক মমিন কয়েকদিন আগে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের কাজে ব্যবহারের জন্য বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেন।
কিছুদিন পরে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে সংশোধন ও স্বাক্ষরের বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ঘটনার পর খাসের হাট বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বলেন, “লাভিবের বাবা আহসানুল হক মমিন তার ছেলের জন্মনিবন্ধন জন্য প্রত্যয়নপত্র দেয়ার পরেও পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর দেওয়ার অনুরোধ করেন।
আমি তাকে জানাই, প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর দেওয়া আছে। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘এটা হবে না। আপনাকে চাকরি দিয়েছে কে? আপনার তো চাকরি করার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই।’ পরে আমাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তিনি আমার ওপর লাইব্রেরি থাকা ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে বারি দেয়। এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
অন্যদিকে আহসানুল হক মমিন বলেন, “আমার ছেলে শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমির প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার পর সেখানে কিছু ভুল দেখতে পাই।
বিষয়টি সংশোধনের জন্য প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রফিক মাস্টার বিষয়টি অবহিত করলে তিনি আমাকে খাসের হাট বাজারে সামছুলের চায়ের দোকানে দেখা করতে বলেন। সেখানে গেলে শিক্ষিকার স্বামী ও তার কয়েকজন স্বজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এক অভিভাবক জানান, “মমিন ভাই লাইব্রেরিতে এসে ম্যাডামকে বলেন, ‘এটা কী প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এখানে সব ভুল। আপনাকে কে চাকরি দিয়েছে, আপনি তো চাকরি করার যোগ্য নন।’ এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মমিন ভাই ম্যাডামকে ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন এবং একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। এরপর তিনি বিদ্যালয় থেকে চলে যায়।
এবিষয়ে তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় উভয়পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৪
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৩
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১