
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৪
মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আইনশৃংখলা কমিটির বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদকের সঙ্গে যদি কোন নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা থাকে তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। এছাড়াও ঈদযাত্রায় যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি না হয় সেজন্য গৌরনদী মডেল ও হাইওয়ে থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন, পুলিশ সুপার এ.জেড.এম মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনসার উদ্দিন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা পলাশ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফখরুল ইসলাম মৃধা, মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান, হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির, সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান, সাংবাদিক কাজী আল আমিন।
মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আইনশৃংখলা কমিটির বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদকের সঙ্গে যদি কোন নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা থাকে তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। এছাড়াও ঈদযাত্রায় যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি না হয় সেজন্য গৌরনদী মডেল ও হাইওয়ে থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন, পুলিশ সুপার এ.জেড.এম মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনসার উদ্দিন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা পলাশ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফখরুল ইসলাম মৃধা, মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান, হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির, সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান, সাংবাদিক কাজী আল আমিন।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৭
বরিশালের জেলা পরিষদ ও সিটি কপোরেশনে নতুন দুই প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রশাসকের কক্ষে তার দায়িত্বভার বুঝে নেন।
এ সময় তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আহসান হাবিব। দায়িত্ব গ্রহণকালে বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি দলের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠু ও সুন্দর, দুর্নীতি মুক্তভাবে বরিশাল জেলা পরিষদকে পরিচালনা করতে চাই। বরিশালের জেলা পরিষদকে সবার সহযোগিতায় একটি কার্যকারী, গণমুখী আধুনিক এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ইচ্ছে রয়েছে। জেলা পরিষদের যেসব সম্পদ রয়েছে, তা জনগণের কল্যাণের ব্যবহার করা হবে।’
এদিকে দুপুর ১টায় বরিশাল সিটি কপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তার দায়িত্বভারকে কেন্দ্র করে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে দায়িত্বগ্রহন অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে বরিশাল সিটি কপোরেশনের নগর অডিটরিয়াম ভবনে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহন করেন শিরীন। তার হাতে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার বুঝিয় দেন সিটি কপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় বরিশালের পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, র্যাব-৮-এর অধিনায়ক, বিএনপির জেলা ও মহানগরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নানা ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, ‘আমি প্রশাসক নই, জনগণের সেবক হতে চাই। এ জন্য দরকার সবার সহযোগিতা। সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে একটি সুন্দর সিটি করপোরেশন গড়তে চাই। তবে সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।’
বরিশালের জেলা পরিষদ ও সিটি কপোরেশনে নতুন দুই প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রশাসকের কক্ষে তার দায়িত্বভার বুঝে নেন।
এ সময় তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আহসান হাবিব। দায়িত্ব গ্রহণকালে বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি দলের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠু ও সুন্দর, দুর্নীতি মুক্তভাবে বরিশাল জেলা পরিষদকে পরিচালনা করতে চাই। বরিশালের জেলা পরিষদকে সবার সহযোগিতায় একটি কার্যকারী, গণমুখী আধুনিক এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ইচ্ছে রয়েছে। জেলা পরিষদের যেসব সম্পদ রয়েছে, তা জনগণের কল্যাণের ব্যবহার করা হবে।’
এদিকে দুপুর ১টায় বরিশাল সিটি কপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তার দায়িত্বভারকে কেন্দ্র করে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে দায়িত্বগ্রহন অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে বরিশাল সিটি কপোরেশনের নগর অডিটরিয়াম ভবনে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহন করেন শিরীন। তার হাতে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার বুঝিয় দেন সিটি কপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় বরিশালের পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, র্যাব-৮-এর অধিনায়ক, বিএনপির জেলা ও মহানগরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নানা ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, ‘আমি প্রশাসক নই, জনগণের সেবক হতে চাই। এ জন্য দরকার সবার সহযোগিতা। সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে একটি সুন্দর সিটি করপোরেশন গড়তে চাই। তবে সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৮
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৪
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭