Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:৩৪
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান। পরে এ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করতেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তাতে তার নাম ছিল না।
এদিকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সেই মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আলাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘নো ক্যাপশন।’ ওই ফেসবুক পোস্টে ফারুক আহম্মেদ নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, ‘আপনার এই ব্যতিক্রমী এবং অসাধারণ আবেদনকে স্যালুট জানাই।’ শেখ ফরিদ ভুইয়ান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার ছবিটাই ক্যাপশন৷’ সাফিম রহমান নামে অন্য আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে তখন ক্যাপশনের দরকার পড়ে না।’ এদিকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আলাল দলের সদস্যসচিব হিসেবে দলের যাবতীয় আদেশ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এতে মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিল। যেখানে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেখানে আলালের এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ প্রশংসার দাবি রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ফেনীর জয়নাল হাজারীর সময় সারাদেশে ‘লেবানন’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারাদেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ।
তিনি আরও জানান, আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি ‘রিভিউ’ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেনী-০১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ (সদর উপজেলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপি, ফেনী-০৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন খ্যাতনামা শিল্পপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এ নিয়ে মনোনয়ন দৌড়ে হেরে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ নতুন করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধানক্ষেতে গিয়ে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ এর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান। পরে এ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করতেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তাতে তার নাম ছিল না।
এদিকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সেই মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আলাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘নো ক্যাপশন।’ ওই ফেসবুক পোস্টে ফারুক আহম্মেদ নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, ‘আপনার এই ব্যতিক্রমী এবং অসাধারণ আবেদনকে স্যালুট জানাই।’ শেখ ফরিদ ভুইয়ান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার ছবিটাই ক্যাপশন৷’ সাফিম রহমান নামে অন্য আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে তখন ক্যাপশনের দরকার পড়ে না।’ এদিকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আলাল দলের সদস্যসচিব হিসেবে দলের যাবতীয় আদেশ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এতে মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিল। যেখানে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেখানে আলালের এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ প্রশংসার দাবি রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ফেনীর জয়নাল হাজারীর সময় সারাদেশে ‘লেবানন’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারাদেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ।
তিনি আরও জানান, আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি ‘রিভিউ’ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেনী-০১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ (সদর উপজেলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপি, ফেনী-০৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন খ্যাতনামা শিল্পপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এ নিয়ে মনোনয়ন দৌড়ে হেরে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ নতুন করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধানক্ষেতে গিয়ে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ এর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫১
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।