
১৪ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৩
রংপুর নগরীর সরেয়ারতল এলাকায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় এসে এজাহার দিলেও পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে আদালতে মামলা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার ওসি।
তবে মামলা করতে মেয়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে এসে থানার সামনে দাঁড়িয়ে ভুক্তভোগীর বাবা ও তার স্বজনরা। শনিবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাহিগঞ্জ থানায় গিয়ে দেখা যায় গৃহবধূ রেজোয়ানার পরিবারের সদস্যরা থানার সামনে অপেক্ষা করছেন।
জানা গেছে, গত রোববার (০৮ জুন) দুপুরে গৃহবধূ রেজোয়ানার গায়ে আগুন দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মারা যান। রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসেন নিহতের পরিবার। শনিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, ঈদের পরদিন দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে হাত বেঁধে গৃহবধূ রেজোয়ানা দিল আফরোজের গায়ে আগুন দেয় তার স্বামী আব্দুল করিম। এ সময় রেজওয়ানার বাবা তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ কয়েক মাস ধরে যৌতুকের ৬ লাখ টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন স্বামী আব্দুল করিম।
নিহতের বাবা রেজাউল করিম জানান, ঈদের দিন রাতে মেয়ের বাড়িতে কোরবানির মাংস নিয়ে যান তিনি। পরদিন দুপুরে তিনি খাওয়া-দাওয়া করে রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তার মেয়ে, জামাই ও তার মা খেতে বসেন। তিনি শুনতে পান তার মেয়ে বলছিলেন ‘আমার খেতে বসেও শান্তি নাই।’
তিনি ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার মেয়ে-জামাই সেখানে নেই। একটু পর ঘরের ভেতর থেকে তার মেয়ে চিৎকার করে ‘আমাকে বাঁচাও’। এ সময় তিনি ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দেখেন ভেতর থেকে লক করা। পরে বেলকনিতে গিয়ে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের শরীরে আগুন জ্বলছে।
তার মেয়ে নিজেকে বাঁচাতে সেখানে ঘুরছেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে এসে বেলকনির বাইরে থেকে পানি ঢেলে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠান।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মেয়ে মারা যান। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নিয়ে আসার সময় ফোন করে পুলিশ তাদের নগরীর মাহীগঞ্জ থানায় ডাকেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত তার জামাই আব্দুল করিম, তার বোন পারভীন ও দুলাভাই ফখরুল তাদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন।
ভুক্তভোগী রেজোয়ানার মামা মনির হোসেন বলেন, রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসার পর অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু আধাঘণ্টা পর পুলিশ পারভীন ও তার স্বামী ফখরুলকে ছেড়ে দেয়। পরে তারা থানার গেট থেকে তাদের আটক করে আবারও পুলিশের কাছে দেন। এ ঘটনায় মামলার এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তারা পরিবারের লোকজন ১২ ঘণ্টা থেকে মামলা দিতে থানায় অবস্থান করছেন বলে জানান।
নিহতের চাচা মুকুল মিয়া বলেন, ভাতিজির মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি থানায় আসেন। এ সময় থানায় ওসিকে না পেয়ে তাকে ফোনে কল দিয়ে মামলা করবেন বলে জানান। কিন্তু ওসি তাকে বলেন, ‘তার ভাতিজি আত্মহত্যা করেছেন। এ মামলা নেওয়া যাবে না। তারা যেন আদালতে গিয়ে মামলা করেন।’
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘এজাহারে কিছু ভুল থাকায় মামলা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে।’ তবে তদন্তের আগে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে এমন কথা তিনি কীভাবে জানলেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
এ সময় থানায় উপস্থিত সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’ ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে এ রকম কোনো ঘটনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রংপুর নগরীর সরেয়ারতল এলাকায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় এসে এজাহার দিলেও পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে আদালতে মামলা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার ওসি।
তবে মামলা করতে মেয়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে এসে থানার সামনে দাঁড়িয়ে ভুক্তভোগীর বাবা ও তার স্বজনরা। শনিবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাহিগঞ্জ থানায় গিয়ে দেখা যায় গৃহবধূ রেজোয়ানার পরিবারের সদস্যরা থানার সামনে অপেক্ষা করছেন।
জানা গেছে, গত রোববার (০৮ জুন) দুপুরে গৃহবধূ রেজোয়ানার গায়ে আগুন দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মারা যান। রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসেন নিহতের পরিবার। শনিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, ঈদের পরদিন দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে হাত বেঁধে গৃহবধূ রেজোয়ানা দিল আফরোজের গায়ে আগুন দেয় তার স্বামী আব্দুল করিম। এ সময় রেজওয়ানার বাবা তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ কয়েক মাস ধরে যৌতুকের ৬ লাখ টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন স্বামী আব্দুল করিম।
নিহতের বাবা রেজাউল করিম জানান, ঈদের দিন রাতে মেয়ের বাড়িতে কোরবানির মাংস নিয়ে যান তিনি। পরদিন দুপুরে তিনি খাওয়া-দাওয়া করে রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তার মেয়ে, জামাই ও তার মা খেতে বসেন। তিনি শুনতে পান তার মেয়ে বলছিলেন ‘আমার খেতে বসেও শান্তি নাই।’
তিনি ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার মেয়ে-জামাই সেখানে নেই। একটু পর ঘরের ভেতর থেকে তার মেয়ে চিৎকার করে ‘আমাকে বাঁচাও’। এ সময় তিনি ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দেখেন ভেতর থেকে লক করা। পরে বেলকনিতে গিয়ে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের শরীরে আগুন জ্বলছে।
তার মেয়ে নিজেকে বাঁচাতে সেখানে ঘুরছেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে এসে বেলকনির বাইরে থেকে পানি ঢেলে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠান।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মেয়ে মারা যান। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নিয়ে আসার সময় ফোন করে পুলিশ তাদের নগরীর মাহীগঞ্জ থানায় ডাকেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত তার জামাই আব্দুল করিম, তার বোন পারভীন ও দুলাভাই ফখরুল তাদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন।
ভুক্তভোগী রেজোয়ানার মামা মনির হোসেন বলেন, রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসার পর অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু আধাঘণ্টা পর পুলিশ পারভীন ও তার স্বামী ফখরুলকে ছেড়ে দেয়। পরে তারা থানার গেট থেকে তাদের আটক করে আবারও পুলিশের কাছে দেন। এ ঘটনায় মামলার এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তারা পরিবারের লোকজন ১২ ঘণ্টা থেকে মামলা দিতে থানায় অবস্থান করছেন বলে জানান।
নিহতের চাচা মুকুল মিয়া বলেন, ভাতিজির মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি থানায় আসেন। এ সময় থানায় ওসিকে না পেয়ে তাকে ফোনে কল দিয়ে মামলা করবেন বলে জানান। কিন্তু ওসি তাকে বলেন, ‘তার ভাতিজি আত্মহত্যা করেছেন। এ মামলা নেওয়া যাবে না। তারা যেন আদালতে গিয়ে মামলা করেন।’
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘এজাহারে কিছু ভুল থাকায় মামলা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে।’ তবে তদন্তের আগে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে এমন কথা তিনি কীভাবে জানলেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
এ সময় থানায় উপস্থিত সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’ ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে এ রকম কোনো ঘটনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৩
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।