
০১ জুন, ২০২৫ ২২:২২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণবিরোধী প্লাটফর্মে রূপ নিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বরিশাল জেলার মূখ্য সংগঠকসহ তিন নেতা পদত্যাগ করেছেন। রোববার (১ জুন) রাত ৮টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।
পদত্যাগ করা নেতারা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার মূখ্য সংগঠক হাসিবুল ইসলাম তুরান, যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম আবিদ ও সদস্য তাহাসিন আহমেদ রাতুল।
পদত্যাগকারীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা ও মহানগরের কমিটিতে থাকা অধিকাংশ নেতা নানান অপকর্মে জড়িত হয়ে পড়েছেন। ৫০ শতাংশ নেতাকর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। তারা বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তরে গিয়ে ঠিকাদারী কাজ পেতে তদবির, মামলা বাণিজ্য করছে। কমিটির নেতাদের মধ্যে মূখ্য সংগঠক হাসিবুর আলম তুরানের নাম ব্যবহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মহসিন উদ্দিন চাঁদাবাজি এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে চলছেন।
হাসিবুর আলম তুরান লিখিত বক্তব্যে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশপন্থি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন থেকে এসে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই প্লাটফর্মকে বিতর্কিত করেছেন অনেকে। সম্প্রতি গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, আমার (তুরান) পরিচয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন উদ্দিন চাঁদাবাজি এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছেন। কথিত কিছু নেতাকর্মী দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের শ্রমজীবী মানুষের কাছে না গিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও আমলাদের দপ্তরে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তারা দেশের মানুষকে সচেতন না করে পুরোনো রাজনৈতিক ধারায় আগ্রাসী, দখলবাজি, সাম্প্রদায়িক উসকানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মামলা বাণিজ্য করে চলছেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিষ্কার না করে উদ্দেশ্যহীন রাজনৈতিক মব তৈরি করে রাখা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীরা ব্যাপক অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই নারীদের স্বাধীনতা রক্ষায় এদের কোনো ভূমিকা লক্ষ্য করিনি। সাংগঠনিক, রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত এবং সচেতনতা তৈরিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এরা (বৈছাআ নেতা) নিজেদের মধ্যেই কোন্দল সৃষ্টি করে চলছেন। আমাদের ব্যক্তিগত মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। যেখানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের অন্তর্ভুক্তমূলক অংশগ্রহণ থাকবে এবং বাংলাদেশপন্থি রাজনৈতিক ধারার চর্চা হবে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ না করে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। যা জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশিত রাজনৈতিক আকাঙ্খার সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। এ কারণে সংগঠনটি একটি গণবিরোধী প্লাটফর্মে রূপ নিয়েছে। তাই জুলাই শহীদ ও আহতদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি না করে পদত্যাগ করাকে যৌক্তিক মনে করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম আবিদ ও সদস্য তাহাসিন আহমেদ রাতুল।
অভিযোগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন উদ্দিন বলেন, মুখ্য সংগঠক তুরান নয়, স্থানীয় কর্মী তুরানের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান থেকে আমরা কৌশল হিসেবে ছদ্মনাম ব্যবহার করছি। পুলিশ কমিশনার ঘটনার তদন্ত করেছেন। তাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাধাগ্রস্ত করতে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমরা এখন পর্যন্ত কেউ তদবির করিনি, যদি কেউ গোপনে করে থাকে তবে তা ভিন্ন কথা। তারা পদত্যাগ করবে, তা আমাকে অবগত করেনি। সংগঠনে অনিয়ম থাকলে তারা প্রতিবাদ করতে পারতো। কিন্তু তা তারা করেনি। এখন সংগঠন তাদের ভালো লাগছে না। তাই সাধারণ অভিযোগ দিয়ে এখন দল থেকে বের হয়েছে। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণবিরোধী প্লাটফর্মে রূপ নিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বরিশাল জেলার মূখ্য সংগঠকসহ তিন নেতা পদত্যাগ করেছেন। রোববার (১ জুন) রাত ৮টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।
পদত্যাগ করা নেতারা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার মূখ্য সংগঠক হাসিবুল ইসলাম তুরান, যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম আবিদ ও সদস্য তাহাসিন আহমেদ রাতুল।
পদত্যাগকারীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা ও মহানগরের কমিটিতে থাকা অধিকাংশ নেতা নানান অপকর্মে জড়িত হয়ে পড়েছেন। ৫০ শতাংশ নেতাকর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। তারা বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তরে গিয়ে ঠিকাদারী কাজ পেতে তদবির, মামলা বাণিজ্য করছে। কমিটির নেতাদের মধ্যে মূখ্য সংগঠক হাসিবুর আলম তুরানের নাম ব্যবহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মহসিন উদ্দিন চাঁদাবাজি এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে চলছেন।
হাসিবুর আলম তুরান লিখিত বক্তব্যে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশপন্থি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন থেকে এসে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই প্লাটফর্মকে বিতর্কিত করেছেন অনেকে। সম্প্রতি গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, আমার (তুরান) পরিচয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন উদ্দিন চাঁদাবাজি এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছেন। কথিত কিছু নেতাকর্মী দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের শ্রমজীবী মানুষের কাছে না গিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও আমলাদের দপ্তরে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তারা দেশের মানুষকে সচেতন না করে পুরোনো রাজনৈতিক ধারায় আগ্রাসী, দখলবাজি, সাম্প্রদায়িক উসকানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মামলা বাণিজ্য করে চলছেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিষ্কার না করে উদ্দেশ্যহীন রাজনৈতিক মব তৈরি করে রাখা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীরা ব্যাপক অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই নারীদের স্বাধীনতা রক্ষায় এদের কোনো ভূমিকা লক্ষ্য করিনি। সাংগঠনিক, রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত এবং সচেতনতা তৈরিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এরা (বৈছাআ নেতা) নিজেদের মধ্যেই কোন্দল সৃষ্টি করে চলছেন। আমাদের ব্যক্তিগত মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। যেখানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের অন্তর্ভুক্তমূলক অংশগ্রহণ থাকবে এবং বাংলাদেশপন্থি রাজনৈতিক ধারার চর্চা হবে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ না করে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। যা জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশিত রাজনৈতিক আকাঙ্খার সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। এ কারণে সংগঠনটি একটি গণবিরোধী প্লাটফর্মে রূপ নিয়েছে। তাই জুলাই শহীদ ও আহতদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি না করে পদত্যাগ করাকে যৌক্তিক মনে করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম আবিদ ও সদস্য তাহাসিন আহমেদ রাতুল।
অভিযোগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন উদ্দিন বলেন, মুখ্য সংগঠক তুরান নয়, স্থানীয় কর্মী তুরানের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান থেকে আমরা কৌশল হিসেবে ছদ্মনাম ব্যবহার করছি। পুলিশ কমিশনার ঘটনার তদন্ত করেছেন। তাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাধাগ্রস্ত করতে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমরা এখন পর্যন্ত কেউ তদবির করিনি, যদি কেউ গোপনে করে থাকে তবে তা ভিন্ন কথা। তারা পদত্যাগ করবে, তা আমাকে অবগত করেনি। সংগঠনে অনিয়ম থাকলে তারা প্রতিবাদ করতে পারতো। কিন্তু তা তারা করেনি। এখন সংগঠন তাদের ভালো লাগছে না। তাই সাধারণ অভিযোগ দিয়ে এখন দল থেকে বের হয়েছে। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
ন্যায্য দাবি আদায়ে আজ ১৮ জুলাই বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ বাস্তবায়নের জন্য বরিশাল নগরীসহ বিভাগের সকল জেলা-উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১২ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
ন্যায্য দাবি আদায়ে আজ ১৮ জুলাই বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ বাস্তবায়নের জন্য বরিশাল নগরীসহ বিভাগের সকল জেলা-উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১২ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- মো. নাঈম (৩৫), নূর ইসলাম মোল্লা (৫৭), আব্দুর রহিম (৫৫) এবং তোফাজ্জেল হোসেন টিয়া (৬০)। তারা সবাই বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হাদীবাঁশকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। মামলার প্রথম তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে আব্দুর রহিম মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
এজাহারে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অভিযুক্তরা বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার কার্যালয়ে একটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করতে যায়। দলিলটি পর্যালোচনার সময় সহকারী কমিশনারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দলিলটি জাল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। পরে মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নং-৬) দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালালি ও তদবির করে আসছিলেন। এছাড়া নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, নামজারি, ভুয়া দলিল কিংবা ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ যদি দালালি বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, জাল দলিল ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে নামজারির চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- মো. নাঈম (৩৫), নূর ইসলাম মোল্লা (৫৭), আব্দুর রহিম (৫৫) এবং তোফাজ্জেল হোসেন টিয়া (৬০)। তারা সবাই বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হাদীবাঁশকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। মামলার প্রথম তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে আব্দুর রহিম মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
এজাহারে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অভিযুক্তরা বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার কার্যালয়ে একটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করতে যায়। দলিলটি পর্যালোচনার সময় সহকারী কমিশনারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দলিলটি জাল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। পরে মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নং-৬) দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালালি ও তদবির করে আসছিলেন। এছাড়া নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, নামজারি, ভুয়া দলিল কিংবা ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ যদি দালালি বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, জাল দলিল ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে নামজারির চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭
বরিশাল, পটুয়াখালীসহ দেশের ১৩টি জেলার ওপর শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে উল্লিখিত এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থান করা সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং সংলগ্ন বিহার ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে।
এদিকে মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্র, বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। একই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বরিশাল, পটুয়াখালীসহ দেশের ১৩টি জেলার ওপর শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে উল্লিখিত এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থান করা সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং সংলগ্ন বিহার ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে।
এদিকে মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্র, বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। একই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭