টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩৩
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, এ বিষয়ে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেছে ভারত।
তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে।
এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বের হলেও বাংলাদেশ সরকার তাদের কূটনৈতিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং সে অনুযায়ী তারা পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, বিগত সরকারের করা ১০১টি চুক্তি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখছে। দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো শর্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরেই এসব চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার খবর প্রসঙ্গে ভারতের মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্বটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারেরই।
এ ছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন যেকোনো বিষয় তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের সম্ভাব্য মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারত পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে চলা ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র। তিনি জানান, গঙ্গার পানি বণ্টন ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানি সংক্রান্ত বিষয়াদি সমাধানের জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) কাজ করছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, এ বিষয়ে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেছে ভারত।
তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে।
এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বের হলেও বাংলাদেশ সরকার তাদের কূটনৈতিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং সে অনুযায়ী তারা পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, বিগত সরকারের করা ১০১টি চুক্তি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখছে। দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো শর্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরেই এসব চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার খবর প্রসঙ্গে ভারতের মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্বটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারেরই।
এ ছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন যেকোনো বিষয় তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের সম্ভাব্য মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারত পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে চলা ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র। তিনি জানান, গঙ্গার পানি বণ্টন ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানি সংক্রান্ত বিষয়াদি সমাধানের জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) কাজ করছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হয়। এ কর্মসূচি নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
ভারতের বন্যা পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শ্রীলেখা লেখেন, মানুষের জীবন যখন নানা সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তাদের প্রদীপ জ্বালাতে বলা হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষের জীবন কঠিন করে তোলার পর এমন প্রত্যাশা নিঃসন্দেহে এক ধরনের বেদনাদায়ক পরিহাস।
মোদি ও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে শ্রীলেখা তাদের ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও জীবিকার ওপর সংকট তৈরি করার পাশাপাশি সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—এভাবে সমাজ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? কেমন সমাজ তৈরি হচ্ছে, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ‘দিমাগি নকশাল’ তকমা দেওয়া হয়?
শ্রীলেখার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ভয় শাসনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে এবং ভিন্নমতকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখা হয়। পুরো পরিস্থিতিকে তিনি ‘ঘোরতর পরিহাস’ ও ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।
এদিকে অভিনেত্রীর এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টটির মন্তব্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা; অনেকে আবার শ্রীলেখার বক্তব্যের সঙ্গে একমতও পোষণ করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হয়। এ কর্মসূচি নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
ভারতের বন্যা পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শ্রীলেখা লেখেন, মানুষের জীবন যখন নানা সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তাদের প্রদীপ জ্বালাতে বলা হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষের জীবন কঠিন করে তোলার পর এমন প্রত্যাশা নিঃসন্দেহে এক ধরনের বেদনাদায়ক পরিহাস।
মোদি ও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে শ্রীলেখা তাদের ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও জীবিকার ওপর সংকট তৈরি করার পাশাপাশি সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—এভাবে সমাজ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? কেমন সমাজ তৈরি হচ্ছে, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ‘দিমাগি নকশাল’ তকমা দেওয়া হয়?
শ্রীলেখার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ভয় শাসনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে এবং ভিন্নমতকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখা হয়। পুরো পরিস্থিতিকে তিনি ‘ঘোরতর পরিহাস’ ও ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।
এদিকে অভিনেত্রীর এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টটির মন্তব্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা; অনেকে আবার শ্রীলেখার বক্তব্যের সঙ্গে একমতও পোষণ করেছেন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:২৬
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৩১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৭
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৫