
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে জাদুঘরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জাদুঘরে থাকা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের ইতিহাস ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্রগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আবদুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব, মেরিনা তাবাসসুম খান, জুলাই জাদুঘরের গবেষকসহ দায়িত্বশীল অন্যান্যরা আগতদের পুরো জাদুঘর ঘুরিয়ে দেখান।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে অভ্যুত্থানের ছবি, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহীদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সে সময়কার পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে।
জাদুঘর পরিদর্শনে গিয়ে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত দমন-পীড়ন, বিরোধীদের ওপর হামলা এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়।
প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই জাদুঘর জুলাই শহীদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে, এটা গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত।‘
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না ভবিষ্যতে কোথাও যেন আর এমন জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন হোক। যদি আমাদের জাতি কখনো কোনো কারণে দিশেহারা হয় তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে। এখানে যে আয়নাঘরগুলো তৈরি হয়েছে সেখানে কিছু সময়, কয়েক ঘণ্টা অথবা একটা দিন কেউ যদি থাকতে চায় সে যেন থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, আয়নাঘরে বসে পরিদর্শনকারীরা যেন উপলব্ধি করতে পারে কী নৃশংসতার মধ্যে বন্দিরা ছিল!
‘এ ধরনের নৃশংস ঘটনা না হওয়ার পক্ষে কীভাবে আমরা সবাই এক থাকতে পারি সেটা মনের মধ্যে আনতে হবে। এই একটা মতে আমরা সবাই এক থাকব যে এই ধরনের নৃশংস দিনগুলোতে এ জাতি আর ফিরে যাবে না’—বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নৃশংস একটা কাণ্ড হচ্ছিল। তরুণরা, ছাত্ররা এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, প্রতিহত করেছে। তাদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না, কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষও যে এমন নির্ভয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে পারে—এটাই আমাদের শিক্ষা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ জাদুঘরের কাজে নিয়োজিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘অল্প সময়ে এই জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
‘আমাদের আরও বেশ কিছু সেকশনের কাজ আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। নির্বাচনের আগেই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। জুলাই জাদুঘর ইতিহাসের চিহ্ন বহন করে দাঁড়িয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের রাজনীতির আকর হয়ে থাকবে এটা। ভবিষ্যত রাজনৈতিক ডিসকোর্স-শিক্ষা-গবেষণায়, শিল্প-সাহিত্য চর্চায়ও এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’—বলেন তিনি।
গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে জাদুঘরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জাদুঘরে থাকা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের ইতিহাস ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্রগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আবদুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব, মেরিনা তাবাসসুম খান, জুলাই জাদুঘরের গবেষকসহ দায়িত্বশীল অন্যান্যরা আগতদের পুরো জাদুঘর ঘুরিয়ে দেখান।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে অভ্যুত্থানের ছবি, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহীদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সে সময়কার পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে।
জাদুঘর পরিদর্শনে গিয়ে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত দমন-পীড়ন, বিরোধীদের ওপর হামলা এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়।
প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই জাদুঘর জুলাই শহীদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে, এটা গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত।‘
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না ভবিষ্যতে কোথাও যেন আর এমন জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন হোক। যদি আমাদের জাতি কখনো কোনো কারণে দিশেহারা হয় তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে। এখানে যে আয়নাঘরগুলো তৈরি হয়েছে সেখানে কিছু সময়, কয়েক ঘণ্টা অথবা একটা দিন কেউ যদি থাকতে চায় সে যেন থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, আয়নাঘরে বসে পরিদর্শনকারীরা যেন উপলব্ধি করতে পারে কী নৃশংসতার মধ্যে বন্দিরা ছিল!
‘এ ধরনের নৃশংস ঘটনা না হওয়ার পক্ষে কীভাবে আমরা সবাই এক থাকতে পারি সেটা মনের মধ্যে আনতে হবে। এই একটা মতে আমরা সবাই এক থাকব যে এই ধরনের নৃশংস দিনগুলোতে এ জাতি আর ফিরে যাবে না’—বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নৃশংস একটা কাণ্ড হচ্ছিল। তরুণরা, ছাত্ররা এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, প্রতিহত করেছে। তাদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না, কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষও যে এমন নির্ভয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে পারে—এটাই আমাদের শিক্ষা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ জাদুঘরের কাজে নিয়োজিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘অল্প সময়ে এই জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
‘আমাদের আরও বেশ কিছু সেকশনের কাজ আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। নির্বাচনের আগেই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। জুলাই জাদুঘর ইতিহাসের চিহ্ন বহন করে দাঁড়িয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের রাজনীতির আকর হয়ে থাকবে এটা। ভবিষ্যত রাজনৈতিক ডিসকোর্স-শিক্ষা-গবেষণায়, শিল্প-সাহিত্য চর্চায়ও এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’—বলেন তিনি।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.