
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেবরের লাথিতে রওশনারা (৬৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশনারা ওই গ্রামের মজিবরের স্ত্রী। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত হবিবরের স্ত্রী ফাতেমাকে আটক করেছে। তবে অভিযুক্ত হবিবর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বামী মজিবর জানান, তার ছোট ভাই হবিবরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাহিদকে জানানো হলে তিনি একটি সালিস বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করেন। রোববার দুপুরে মজিবর ও তার স্ত্রী রওশনারা জমিতে পানি দিতে গেলে হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে হবিবর রওশনারার পেটে সজোরে লাথি দেন। এতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মজিবর বাদী হয়ে ছোট ভাই হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমাকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেবরের লাথিতে রওশনারা (৬৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশনারা ওই গ্রামের মজিবরের স্ত্রী। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত হবিবরের স্ত্রী ফাতেমাকে আটক করেছে। তবে অভিযুক্ত হবিবর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বামী মজিবর জানান, তার ছোট ভাই হবিবরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাহিদকে জানানো হলে তিনি একটি সালিস বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করেন। রোববার দুপুরে মজিবর ও তার স্ত্রী রওশনারা জমিতে পানি দিতে গেলে হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে হবিবর রওশনারার পেটে সজোরে লাথি দেন। এতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মজিবর বাদী হয়ে ছোট ভাই হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমাকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের পীরগঞ্জে একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ছয়টি ব্যালট পেপার ও দুটি সিল উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটি ব্যালট ধানের শীষ প্রতীকের, দুটি ‘হ্যাঁ’ এবং দুটি ‘না’ ভোটের।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মদনখালী ইউনিয়নের হাসার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে স্কুলের শিক্ষার্থীরা দুটি সিলসহ ছয়টি ব্যালট পেয়েছে।
পরে তারা তা প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করে। প্রধান শিক্ষক দ্রুত বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পপি খাতুনকে অবহিত করেন।
ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাইরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইউএনওকে অবরুদ্ধ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এলাকা থেকে বিক্ষোভ চলছিল।
পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। দ্রুত বিষয়টি খোলাসা করা হবে।’
প্রসঙ্গত, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত নুরুল আমীন এক লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে গত তিন দিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা পুনরায় গণনার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের পীরগঞ্জে একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ছয়টি ব্যালট পেপার ও দুটি সিল উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটি ব্যালট ধানের শীষ প্রতীকের, দুটি ‘হ্যাঁ’ এবং দুটি ‘না’ ভোটের।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মদনখালী ইউনিয়নের হাসার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে স্কুলের শিক্ষার্থীরা দুটি সিলসহ ছয়টি ব্যালট পেয়েছে।
পরে তারা তা প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করে। প্রধান শিক্ষক দ্রুত বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পপি খাতুনকে অবহিত করেন।
ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাইরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইউএনওকে অবরুদ্ধ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এলাকা থেকে বিক্ষোভ চলছিল।
পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। দ্রুত বিষয়টি খোলাসা করা হবে।’
প্রসঙ্গত, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত নুরুল আমীন এক লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে গত তিন দিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা পুনরায় গণনার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ গোপন করার অভিযোগে রাজশাহীতে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো.আব্দুস সালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য প্রদান করেন। তবে অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থাৎ তিনি প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
এছাড়া তার বৈধ আয়ের পরিমাণ মাত্র ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
অপরদিকে, তার স্বামী মীর্জা মো. আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
দুদক জানায়, এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল জানান, তদন্তে অন্য কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলাটি দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের ১ নম্বর তালিকায় হিসেবে রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস সালাম বলেন, মামলাটি সঠিক নয়। আমাদের বৈধ্য ট্যাক্স দেওয়া আছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি। মূলত আমাদের হয়রানি করতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ গোপন করার অভিযোগে রাজশাহীতে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো.আব্দুস সালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য প্রদান করেন। তবে অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থাৎ তিনি প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
এছাড়া তার বৈধ আয়ের পরিমাণ মাত্র ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
অপরদিকে, তার স্বামী মীর্জা মো. আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
দুদক জানায়, এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল জানান, তদন্তে অন্য কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলাটি দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের ১ নম্বর তালিকায় হিসেবে রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস সালাম বলেন, মামলাটি সঠিক নয়। আমাদের বৈধ্য ট্যাক্স দেওয়া আছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি। মূলত আমাদের হয়রানি করতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৫
বাগেরহাটে ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আলীমুজ্জামান রানার বসতবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুনে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত যুবদল নেতার। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে রানার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আলীমুজ্জামান বলেন, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাতের অন্ধকারে একদল দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে ঢুকে কাঠ ও টিনশেডের বসতঘরের চারপাশে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের ধোঁয়ায় সবার ঘুম ভেঙে যায়। তখন আমরা জীবন বাঁচাতে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসি। মুহূর্তেই আগুন ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়। ততক্ষণে আমার বসতবাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালসহ ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, আগুনে ঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সাথে পুরোনো বিরোধ। রানা অভিযোগ করেছেন তার প্রতিপক্ষরা রাতের অন্ধকারে তার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
জানা গেছে, স্থানীয়দের আধিপত্য নিয়ে ভোটের পরের রাতে এবং সকালে মান্দ্রা গ্রামে পাল্টাপাল্টি হামলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়।
বাগেরহাটে ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আলীমুজ্জামান রানার বসতবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুনে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত যুবদল নেতার। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে রানার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আলীমুজ্জামান বলেন, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাতের অন্ধকারে একদল দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে ঢুকে কাঠ ও টিনশেডের বসতঘরের চারপাশে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের ধোঁয়ায় সবার ঘুম ভেঙে যায়। তখন আমরা জীবন বাঁচাতে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসি। মুহূর্তেই আগুন ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়। ততক্ষণে আমার বসতবাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালসহ ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, আগুনে ঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সাথে পুরোনো বিরোধ। রানা অভিযোগ করেছেন তার প্রতিপক্ষরা রাতের অন্ধকারে তার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
জানা গেছে, স্থানীয়দের আধিপত্য নিয়ে ভোটের পরের রাতে এবং সকালে মান্দ্রা গ্রামে পাল্টাপাল্টি হামলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.