
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫২
পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

৩০ জুন, ২০২৬ ২২:৪৩
বাউফল উপজেলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান উপজেলা ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রথমে কালাইয়া মোল্লা মাকের্ট এলাকায় পরে দাসপাড়া বাসস্টান্ড এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় আল মামুন নামে এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এএনএম জাহাঙ্গির হোসেনকে প্রধান করে ৪০জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জন আসামি করা হয়। একই মামলায় ছাত্রশিবির নেতা মো. ইমরান হোসেনকেও আসামি করা হয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বাউফল উপজেলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান উপজেলা ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রথমে কালাইয়া মোল্লা মাকের্ট এলাকায় পরে দাসপাড়া বাসস্টান্ড এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় আল মামুন নামে এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এএনএম জাহাঙ্গির হোসেনকে প্রধান করে ৪০জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জন আসামি করা হয়। একই মামলায় ছাত্রশিবির নেতা মো. ইমরান হোসেনকেও আসামি করা হয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ জুন, ২০২৬ ২৩:২৭
৩০ জুন, ২০২৬ ২২:৪৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:০৯