
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫২
পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.