সামাজিকমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এক অদ্ভুত ছবি। দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের পোস্টে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংখ্যা। হাতে, গালে; শরীরের বিভিন্ন অংশে কেউ লিখেছেন ‘৯’, কারও ‘২৪’, কেউবা লিখছেন ‘১০০০’ বা ‘৯৯+’। এই সংখ্যাগুলোর মানে কী, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
অনেকেই ভেবেছিলেন এটি হয়তো নতুন কোনো প্রজেক্ট বা কোনো নির্মাণের প্রচারণা। কিন্তু না। এই সংখ্যার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা। যার প্রতিবাদেই একত্রিত হয়েছেন তারকারা।
ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতে ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ নামে নতুন এক আন্দোলনে একযোগে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল, সংগীতশিল্পীসহ দেশীয় বিনোদন অঙ্গনের অসংখ্য পরিচিত মুখ। প্রতিদিন অনলাইনে তারা কতবার হয়রানির মুখে পড়েন সেই সংখ্যাই প্রকাশ করছেন নিজেদের ছবির সঙ্গে।
এই অভিযানে প্রথম আওয়াজ তোলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় তার গালে বড় করে লেখা ‘৯’। ক্যাপশনে জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৯টি সাইবার হয়রানির শিকার হন তিনি। নিজের কণ্ঠস্বরকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ‘মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখছে, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আমার প্রতিদিনের সংগ্রাম, ভয়, অপমান, এবং সে সবকিছু কাটিয়ে ওঠার গল্প।’
তিশার পর একে একে যোগ দেন আরও অনেকে। অভিনেত্রী রুনা খান প্রকাশ করেন ‘২৪’; শবনম ফারিয়া জানান ‘১০০০’; প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ‘৩’; মৌসুমী হামিদ ‘৭২’; সংগীতশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও আশনা হাবিব ভাবনা পোস্ট করেন ‘৯’ এবং ‘৯৯+’। সংখ্যাগুলো ভয়াবহ হলেও বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। নারীরা প্রতিদিন অনলাইনে কী ভয়াবহ অপমান, কটূক্তি ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে থাকেন সেটিই সামনে আনছেন তারা।
রুনা খান তার হাতের তালুতে লিখেছেন ‘২৪’। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি নিয়ে বলেন, ‘তারকা তো বটেই, সাধারণ নারীও প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত হয়রানির শিকার হন। গত দশ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের হাতে যত দ্রুত পৌঁছেছে, তার ব্যবহারবিধি শেখেনি অনেকেই।’
গালে ৯৯+ লিখে ভাবনা ক্যাপশনে নারীদের উৎসাহিত করতে লিখেছেন, ‘তোমার নম্বরের গল্প বলো, আরো জোরে আওয়াজ তোলো’।
তিনি আরও জানান, বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর নারীদের অনলাইন পরিবেশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিকভাবেও চলমান ডিজিটাল সহিংসতা বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ আন্দোলন বাংলাদেশে ১৬ দিনব্যাপী চলবে। তারকারা চাইছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করে আরও বড় করে তুলতে সমাজের ভেতরকার সমস্যাকে।
সবার উদ্দেশে আহ্বান একটাই চুপ না থেকে সংখ্যাই হোক প্রতিবাদের ভাষা।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪০
সামাজিকমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এক অদ্ভুত ছবি। দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের পোস্টে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংখ্যা। হাতে, গালে; শরীরের বিভিন্ন অংশে কেউ লিখেছেন ‘৯’, কারও ‘২৪’, কেউবা লিখছেন ‘১০০০’ বা ‘৯৯+’। এই সংখ্যাগুলোর মানে কী, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
অনেকেই ভেবেছিলেন এটি হয়তো নতুন কোনো প্রজেক্ট বা কোনো নির্মাণের প্রচারণা। কিন্তু না। এই সংখ্যার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা। যার প্রতিবাদেই একত্রিত হয়েছেন তারকারা।
ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতে ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ নামে নতুন এক আন্দোলনে একযোগে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল, সংগীতশিল্পীসহ দেশীয় বিনোদন অঙ্গনের অসংখ্য পরিচিত মুখ। প্রতিদিন অনলাইনে তারা কতবার হয়রানির মুখে পড়েন সেই সংখ্যাই প্রকাশ করছেন নিজেদের ছবির সঙ্গে।
এই অভিযানে প্রথম আওয়াজ তোলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় তার গালে বড় করে লেখা ‘৯’। ক্যাপশনে জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৯টি সাইবার হয়রানির শিকার হন তিনি। নিজের কণ্ঠস্বরকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ‘মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখছে, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আমার প্রতিদিনের সংগ্রাম, ভয়, অপমান, এবং সে সবকিছু কাটিয়ে ওঠার গল্প।’
তিশার পর একে একে যোগ দেন আরও অনেকে। অভিনেত্রী রুনা খান প্রকাশ করেন ‘২৪’; শবনম ফারিয়া জানান ‘১০০০’; প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ‘৩’; মৌসুমী হামিদ ‘৭২’; সংগীতশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও আশনা হাবিব ভাবনা পোস্ট করেন ‘৯’ এবং ‘৯৯+’। সংখ্যাগুলো ভয়াবহ হলেও বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। নারীরা প্রতিদিন অনলাইনে কী ভয়াবহ অপমান, কটূক্তি ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে থাকেন সেটিই সামনে আনছেন তারা।
রুনা খান তার হাতের তালুতে লিখেছেন ‘২৪’। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি নিয়ে বলেন, ‘তারকা তো বটেই, সাধারণ নারীও প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত হয়রানির শিকার হন। গত দশ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের হাতে যত দ্রুত পৌঁছেছে, তার ব্যবহারবিধি শেখেনি অনেকেই।’
গালে ৯৯+ লিখে ভাবনা ক্যাপশনে নারীদের উৎসাহিত করতে লিখেছেন, ‘তোমার নম্বরের গল্প বলো, আরো জোরে আওয়াজ তোলো’।
তিনি আরও জানান, বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর নারীদের অনলাইন পরিবেশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিকভাবেও চলমান ডিজিটাল সহিংসতা বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ আন্দোলন বাংলাদেশে ১৬ দিনব্যাপী চলবে। তারকারা চাইছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করে আরও বড় করে তুলতে সমাজের ভেতরকার সমস্যাকে।
সবার উদ্দেশে আহ্বান একটাই চুপ না থেকে সংখ্যাই হোক প্রতিবাদের ভাষা।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৩৯
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:২৮
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১