
২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৬
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। ছবি :সংগ্রহীত
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.