
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৯
প্রেমের টানে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কামারচাক গ্রামে ছুটে এসেছেন ক্রিস হুই নামের এক চীনা নাগরিক। আগামীকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। তাদের আগমন উপলক্ষে বরের পুরো বাড়ি সাজানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামে হেলিকপ্টারে করেক্রিস হুইকে নিয়ে আসেন প্রেমিক সুকান্ত সেন।
সুকান্ত চীন প্রবাসী টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে। আর কনে চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হুই।
স্থানীয়রা জানান, হবু বর-কনেকে একনজর দেখতে গ্রামের অনেকে ছুটে আসছেন। বিদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রতিবেশী ছেলের বিয়ে হবে—এ কারণে বর-কনেকে একসঙ্গে দেখতে এসেছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৮ সালে সুকান্ত চীনে পাড়ি জমান। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর পরিচয় হয় ক্রিসের সঙ্গে। পরে তারা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালে সেখানে তারা বিবাহের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশে বিবাহ অনুষ্ঠানে ক্রিসের সঙ্গে তার মা-বাবা ও চাচা উপস্থিত রয়েছেন। আগামী ২১, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বর সুকান্তের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ের আয়োজন রয়েছে।
কনে ক্রিস হুই বলেন, ‘আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত। আমি বাংলাদেশে এসেছি আমার হাজবেন্ড সুকান্ত সেনের সঙ্গে। আমাদের লাভ স্টোরি অন্যদিন শুনাব। এখানে এসে খুবই খুশি আমি।’
বর সুকান্ত সেন বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি চীনে যাই। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। পরে সেখানে চাকরিতে যোগদান করি। ৩-৪ বছর পর ক্রিসের সঙ্গে পরিচিত হই এরপর একজনের প্রতি আরেকজনের ভালোবাসা তৈরি হয়। একপর্যায়ে আমাদের বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৩ সালে আমরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করি। এখন চীনে আমাদের একটি কম্পানি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিবাহের রেজিস্ট্রেশন করি আমরা। এরপর আমরা পরিকল্পনা করি কখন বাংলাদেশে আসব। অবশেষে দেশে এসে খুবই আনন্দিত। আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন কিছু করার, এ জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে বাড়িতে এসেছি।’
প্রেমের টানে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কামারচাক গ্রামে ছুটে এসেছেন ক্রিস হুই নামের এক চীনা নাগরিক। আগামীকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। তাদের আগমন উপলক্ষে বরের পুরো বাড়ি সাজানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামে হেলিকপ্টারে করেক্রিস হুইকে নিয়ে আসেন প্রেমিক সুকান্ত সেন।
সুকান্ত চীন প্রবাসী টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে। আর কনে চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হুই।
স্থানীয়রা জানান, হবু বর-কনেকে একনজর দেখতে গ্রামের অনেকে ছুটে আসছেন। বিদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রতিবেশী ছেলের বিয়ে হবে—এ কারণে বর-কনেকে একসঙ্গে দেখতে এসেছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৮ সালে সুকান্ত চীনে পাড়ি জমান। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর পরিচয় হয় ক্রিসের সঙ্গে। পরে তারা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালে সেখানে তারা বিবাহের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশে বিবাহ অনুষ্ঠানে ক্রিসের সঙ্গে তার মা-বাবা ও চাচা উপস্থিত রয়েছেন। আগামী ২১, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বর সুকান্তের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ের আয়োজন রয়েছে।
কনে ক্রিস হুই বলেন, ‘আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত। আমি বাংলাদেশে এসেছি আমার হাজবেন্ড সুকান্ত সেনের সঙ্গে। আমাদের লাভ স্টোরি অন্যদিন শুনাব। এখানে এসে খুবই খুশি আমি।’
বর সুকান্ত সেন বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি চীনে যাই। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। পরে সেখানে চাকরিতে যোগদান করি। ৩-৪ বছর পর ক্রিসের সঙ্গে পরিচিত হই এরপর একজনের প্রতি আরেকজনের ভালোবাসা তৈরি হয়। একপর্যায়ে আমাদের বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৩ সালে আমরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করি। এখন চীনে আমাদের একটি কম্পানি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিবাহের রেজিস্ট্রেশন করি আমরা। এরপর আমরা পরিকল্পনা করি কখন বাংলাদেশে আসব। অবশেষে দেশে এসে খুবই আনন্দিত। আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন কিছু করার, এ জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে বাড়িতে এসেছি।’

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের আট নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রিয়াজ উদ্দিন বাজারের রাইফেল ক্লাব এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে রাইফেল ক্লাব এলাকায় হঠাৎ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আট সদস্যকে আটক করে। আটকরা সবাই আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. তুষার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. রাকিব, ইব্রাহীম হোসেন বাবু, মো. শরীফ হোসেন মুন্না, সৈয়দ হামিদ মিয়াজী, মো. মাসুদুর রহমান ও মো. রিয়াজ হোসেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঝটিকা মিছিল করার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটজনকে আটক করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের আট নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রিয়াজ উদ্দিন বাজারের রাইফেল ক্লাব এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে রাইফেল ক্লাব এলাকায় হঠাৎ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আট সদস্যকে আটক করে। আটকরা সবাই আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. তুষার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. রাকিব, ইব্রাহীম হোসেন বাবু, মো. শরীফ হোসেন মুন্না, সৈয়দ হামিদ মিয়াজী, মো. মাসুদুর রহমান ও মো. রিয়াজ হোসেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঝটিকা মিছিল করার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটজনকে আটক করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৭
নওগাঁয় পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে ধারণ করা বলে দাবি করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়। তবে কখন পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এদিন সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। শফিকুর রহমান মামুন নিজেই তার ফেসবুক পেজে ভিডিওটি আপলোড করে শেয়ার করেছেন। এ ছাড়া জেলার একাধিক নেতাকর্মী ভিডিওটি শেয়ার দিয়েছেন।
৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা শফিকুর রহমান মামুনসহ ছয়-সাতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই—লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দীর্ঘ ১৮ মাস পর স্লোগানে স্লোগানে মুখর নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়।’ এ সময় উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা।
জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি সঠিক বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আজ ভোরের দিকে তারা পতাকা হাতে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পরে পতাকাগুলো আমরা নিয়ে এসেছি।’
নওগাঁয় পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে ধারণ করা বলে দাবি করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়। তবে কখন পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এদিন সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। শফিকুর রহমান মামুন নিজেই তার ফেসবুক পেজে ভিডিওটি আপলোড করে শেয়ার করেছেন। এ ছাড়া জেলার একাধিক নেতাকর্মী ভিডিওটি শেয়ার দিয়েছেন।
৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা শফিকুর রহমান মামুনসহ ছয়-সাতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই—লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দীর্ঘ ১৮ মাস পর স্লোগানে স্লোগানে মুখর নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়।’ এ সময় উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা।
জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি সঠিক বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আজ ভোরের দিকে তারা পতাকা হাতে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পরে পতাকাগুলো আমরা নিয়ে এসেছি।’

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৬
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় সকালবেলা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর রাতে সেখানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীরা এই অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ওই কার্যালয়ে প্রবেশ করে স্লোগান দেন এবং দলীয় কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন।
পরে তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন নেতাকর্মী কার্যালয়ের দেয়ালে দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা ও তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ লেখা ব্যানার টানিয়ে দেন এবং সামনে জাতীয় পতাকা রেখে বক্তব্য দেন।
ভিডিওতে নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মুশফিকুর রহমান চৌধুরীকে বলতে শোনা যায়, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের কার্যালয়ে নিয়মিত আসা-যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা তফাজ্জল হোসেন রনুর নির্দেশনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও এনসিপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে রাত ৯টার দিকে তারা ভাঙা ও পোড়া কার্যালয়ে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ওই কার্যালয়ে আবারও দেয়ালের ইট হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা থানায় গিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় বিক্ষোভকারী অন্যদের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা এনসিপি কমিটির সদস্য মাসুদ রানাকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এছাড়া বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব তৌহিদ আহমেদ প্রমুখ।
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় সকালবেলা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর রাতে সেখানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীরা এই অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ওই কার্যালয়ে প্রবেশ করে স্লোগান দেন এবং দলীয় কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন।
পরে তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন নেতাকর্মী কার্যালয়ের দেয়ালে দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা ও তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ লেখা ব্যানার টানিয়ে দেন এবং সামনে জাতীয় পতাকা রেখে বক্তব্য দেন।
ভিডিওতে নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মুশফিকুর রহমান চৌধুরীকে বলতে শোনা যায়, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের কার্যালয়ে নিয়মিত আসা-যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা তফাজ্জল হোসেন রনুর নির্দেশনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও এনসিপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে রাত ৯টার দিকে তারা ভাঙা ও পোড়া কার্যালয়ে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ওই কার্যালয়ে আবারও দেয়ালের ইট হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা থানায় গিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় বিক্ষোভকারী অন্যদের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা এনসিপি কমিটির সদস্য মাসুদ রানাকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এছাড়া বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব তৌহিদ আহমেদ প্রমুখ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.