
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২১
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত এক হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। জানা গেছে, পারস্পরিক যোগসাজশে হত্যা ও হত্যায় সহায়তার অভিযোগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলাটি করেন সবুজবাগ থানার মীম আক্তার আখি (২৮)। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম এ মামলার ২২৩ নম্বর আসামি।
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. খালেদ হাসান মামলাটি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশে এফআইআর হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এদিকে হত্যা মামলার আসামি হয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং হলফনামায় মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে ঝালকাঠিতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাক সেলিম বলেন, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় পর্যন্ত এ ধরনের কোনো মামলার তথ্য আমার জানা ছিল না। যে কারণে হলফনামা প্রদানের সময় পর্যন্ত এই মামলার বিষয় কোনো তথ্য উল্লেখের প্রশ্ন ওঠেনি। এখন যেহেতু একটি মামলা বিষয় আলোচনা হচ্ছে তাই আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছি।
ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা গণমাধ্যম থেকেই শুনেছি। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ২০০৯–২০১৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তা ফিরে পান।
সবশেষ ২০২৪ সালে সহ-সভাপতি পদে থেকেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়। এ সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে রাজ্জাক সেলিমের সমর্থকদের বিরোধে মামলার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান।
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত এক হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। জানা গেছে, পারস্পরিক যোগসাজশে হত্যা ও হত্যায় সহায়তার অভিযোগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলাটি করেন সবুজবাগ থানার মীম আক্তার আখি (২৮)। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম এ মামলার ২২৩ নম্বর আসামি।
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. খালেদ হাসান মামলাটি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশে এফআইআর হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এদিকে হত্যা মামলার আসামি হয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং হলফনামায় মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে ঝালকাঠিতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাক সেলিম বলেন, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় পর্যন্ত এ ধরনের কোনো মামলার তথ্য আমার জানা ছিল না। যে কারণে হলফনামা প্রদানের সময় পর্যন্ত এই মামলার বিষয় কোনো তথ্য উল্লেখের প্রশ্ন ওঠেনি। এখন যেহেতু একটি মামলা বিষয় আলোচনা হচ্ছে তাই আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছি।
ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা গণমাধ্যম থেকেই শুনেছি। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ২০০৯–২০১৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তা ফিরে পান।
সবশেষ ২০২৪ সালে সহ-সভাপতি পদে থেকেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়। এ সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে রাজ্জাক সেলিমের সমর্থকদের বিরোধে মামলার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।