পটুয়াখালীর বাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উত্তর কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মামলার আসামিদের একটি বসতঘরে আগুন দেয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রবীন হাওলাদারের ভাই শুভঙ্কর হাওলাদার (৩৫) বলেন, তার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ রাত ৯টার দিকে বাড়ির উঠানে পারিবারিক শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করার শেষ দিকে আসামীদের ঘরে একটি বিকট শব্দ হয়।
মুহুর্তেই ঘরটিতে আগুন ছড়িয়ে পরে। শুভঙ্করের অভিযোগ, আসামী অথবা আসামী পক্ষের লোকজন রাতের অন্ধকারে তাদের নিজ বসতঘরে আগুন দিয়ে আমাদের ফাসানোর কৌশল করেছেন।
এ বিষয়ে আসামী ও তাদের স্বজনরা পলাতক থাকায় তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারনা নিহত রবিন হাওলাদালের ছেলে রনি হাওলাদার তার বাবার মৃত্যুতে অনেক উত্তেজিত ছিলো।
রাগে ক্ষোভে এমনটা হতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে একই দিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ বিরোধের জেরে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫) এবং দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪) গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হৃদয় হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ আনন্দ ব্যাপারী (৬০), তার স্ত্রী কুসুম ব্যাপারী (৫০), ছেলে রতন ব্যাপারী (৩২) ও প্রদীপ ব্যাপারী (২৭), সুশান্ত ব্যাপারী (৬৫) এবং তার ছেলে সুজন ব্যাপারী (২৬) কে গ্রেফতার করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৫
পটুয়াখালীতে ঢাকাগামী ইমরান ট্রাভেলসের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। নিহত সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—গলাচিপার আমখোলা এলাকার রাজ্জাক পেদার ছেলে কাউয়ুম উদ্দিন (৫০), অনিল মিস্ত্রির মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বাউফলের বিলবিলাস এলাকার দিয়েন মিস্ত্রির মেয়ে তিথি রানী (২৩) এবং গলাচিপার হরিদেবপুর এলাকার সোবাহানের ছেলে মিরাজ (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল ইমরান ট্রাভেলসের বাসটি। রাত পৌনে ১২টার দিকে ধলু গাজীর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাসযাত্রী মহিবুল্লাহ বলেন, ‘বাসটি শুরু থেকেই অনেক গতিতে চলছিল। হঠাৎ কী হলো কিছুই বুঝতে পারিনি। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন।’
আরেক যাত্রী শিমুল আকন বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় বেড়াতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে পরিবারের কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল বলেন, ‘হঠাৎ ঝপ করে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে আসি। এসে দেখি বাসটি খাদে পড়ে আছে। বাসের নিচে একটি অটোরিকশাও চাপা পড়ে ছিল।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান বলেন, দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে আরও একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পটুয়াখালীতে ঢাকাগামী ইমরান ট্রাভেলসের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। নিহত সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—গলাচিপার আমখোলা এলাকার রাজ্জাক পেদার ছেলে কাউয়ুম উদ্দিন (৫০), অনিল মিস্ত্রির মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বাউফলের বিলবিলাস এলাকার দিয়েন মিস্ত্রির মেয়ে তিথি রানী (২৩) এবং গলাচিপার হরিদেবপুর এলাকার সোবাহানের ছেলে মিরাজ (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল ইমরান ট্রাভেলসের বাসটি। রাত পৌনে ১২টার দিকে ধলু গাজীর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাসযাত্রী মহিবুল্লাহ বলেন, ‘বাসটি শুরু থেকেই অনেক গতিতে চলছিল। হঠাৎ কী হলো কিছুই বুঝতে পারিনি। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন।’
আরেক যাত্রী শিমুল আকন বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় বেড়াতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে পরিবারের কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল বলেন, ‘হঠাৎ ঝপ করে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে আসি। এসে দেখি বাসটি খাদে পড়ে আছে। বাসের নিচে একটি অটোরিকশাও চাপা পড়ে ছিল।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান বলেন, দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে আরও একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৭
পটুয়াখালীর গলাচিপায় সরকারি খাসজমিতে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয় নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের কয়েকজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাদুরা বাজারে একটি গ্যারেজের পাশের সরকারি জমিতে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের জন্য ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাওসার মৃধাসহ কয়েকজন। এ সময় জমিটির মালিকানা দাবি করে বাবুল হাওলাদার, জাহাঙ্গীর মৃধা, সামচু ও সোহাগসহ কয়েকজন নির্মাণকাজে বাধা দেন।
এ নিয়ে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কাওসার মৃধা (৪০), আবুবকর (২৯), শফিক (২৯), মনসুর (২৪), শাকিল (২৬), রেজাউল করিম (৩২), সামছুল আলম (২৮), শিহাব (২০) ও সুজন (২৫) রয়েছেন।
বাবুল হাওলাদারের দাবি, বাদুরা বাজারে তাদের ক্রয় করা জমিতে জোর করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হলে তারা বাধা দেন। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের নেতা এমদাদ হোসেনের অভিযোগ, সরকারি জমিতে কার্যালয় নির্মাণের সময় বাবুল হাওলাদারের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়।
আমখোলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন ছাড়া জমিটির বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় সরকারি খাসজমিতে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয় নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের কয়েকজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাদুরা বাজারে একটি গ্যারেজের পাশের সরকারি জমিতে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের জন্য ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাওসার মৃধাসহ কয়েকজন। এ সময় জমিটির মালিকানা দাবি করে বাবুল হাওলাদার, জাহাঙ্গীর মৃধা, সামচু ও সোহাগসহ কয়েকজন নির্মাণকাজে বাধা দেন।
এ নিয়ে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কাওসার মৃধা (৪০), আবুবকর (২৯), শফিক (২৯), মনসুর (২৪), শাকিল (২৬), রেজাউল করিম (৩২), সামছুল আলম (২৮), শিহাব (২০) ও সুজন (২৫) রয়েছেন।
বাবুল হাওলাদারের দাবি, বাদুরা বাজারে তাদের ক্রয় করা জমিতে জোর করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হলে তারা বাধা দেন। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের নেতা এমদাদ হোসেনের অভিযোগ, সরকারি জমিতে কার্যালয় নির্মাণের সময় বাবুল হাওলাদারের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়।
আমখোলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন ছাড়া জমিটির বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৫
পটুয়াখালীর দুমকিতে রাতের আঁধারে মো. আরিফ হোসেন (২৮) নামের এক গাড়িচালককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আকন বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ হোসেন পশ্চিম লেবুখালী গ্রামের কবির হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আরিফ। পথে আকন বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লেবুখালী প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার শরীরে ধারালো ছুরির একাধিক আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে রাতের আঁধারে মো. আরিফ হোসেন (২৮) নামের এক গাড়িচালককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আকন বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ হোসেন পশ্চিম লেবুখালী গ্রামের কবির হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আরিফ। পথে আকন বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লেবুখালী প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার শরীরে ধারালো ছুরির একাধিক আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
পটুয়াখালীর বাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উত্তর কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মামলার আসামিদের একটি বসতঘরে আগুন দেয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত রবীন হাওলাদারের ভাই শুভঙ্কর হাওলাদার (৩৫) বলেন, তার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ রাত ৯টার দিকে বাড়ির উঠানে পারিবারিক শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করার শেষ দিকে আসামীদের ঘরে একটি বিকট শব্দ হয়।
মুহুর্তেই ঘরটিতে আগুন ছড়িয়ে পরে। শুভঙ্করের অভিযোগ, আসামী অথবা আসামী পক্ষের লোকজন রাতের অন্ধকারে তাদের নিজ বসতঘরে আগুন দিয়ে আমাদের ফাসানোর কৌশল করেছেন।
এ বিষয়ে আসামী ও তাদের স্বজনরা পলাতক থাকায় তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারনা নিহত রবিন হাওলাদালের ছেলে রনি হাওলাদার তার বাবার মৃত্যুতে অনেক উত্তেজিত ছিলো।
রাগে ক্ষোভে এমনটা হতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে একই দিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ বিরোধের জেরে রবিন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫) এবং দুই ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪) গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হৃদয় হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ আনন্দ ব্যাপারী (৬০), তার স্ত্রী কুসুম ব্যাপারী (৫০), ছেলে রতন ব্যাপারী (৩২) ও প্রদীপ ব্যাপারী (২৭), সুশান্ত ব্যাপারী (৬৫) এবং তার ছেলে সুজন ব্যাপারী (২৬) কে গ্রেফতার করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।