
১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৫১
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.