
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩০
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৯
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.