
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৬
নির্বাচনি প্রচারণাকালে মানহানি, অশালীন আচরণ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত অভিযোগে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তার এলাকায় গুরুতর অনিয়ম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ জানুয়ারি আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরে খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলে এক বক্তব্যে তাকে উদ্দেশ করে মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয়। সেখানে তাকে অন্য এক প্রার্থীর সঙ্গে তুলনা করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, যা তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
অভিযোগপত্রে রুমিন ফারহানা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই বিলাসবহুল প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ করে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে এবং তাকে প্রকাশ্যে নোংরা ও ন্যাক্কারজনক ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনি কর্মকর্তারা এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। অথচ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে এবং তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দু’দফায় ১০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে টিস্যু পেপার বলা হয়েছে, মমতাজ বেগম ও নর্তকী বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। আমি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আমি ছোট একটি টেবিল নিয়ে কর্মসূচি করলেও জরিমানা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি ভোট চুরি না হয়, তাহলে আমি জনগণের ভোটেই জয়ী হবো।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি প্রচারণাকালে মানহানি, অশালীন আচরণ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত অভিযোগে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তার এলাকায় গুরুতর অনিয়ম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ জানুয়ারি আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরে খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলে এক বক্তব্যে তাকে উদ্দেশ করে মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয়। সেখানে তাকে অন্য এক প্রার্থীর সঙ্গে তুলনা করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, যা তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
অভিযোগপত্রে রুমিন ফারহানা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই বিলাসবহুল প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ করে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে এবং তাকে প্রকাশ্যে নোংরা ও ন্যাক্কারজনক ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনি কর্মকর্তারা এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। অথচ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে এবং তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দু’দফায় ১০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে টিস্যু পেপার বলা হয়েছে, মমতাজ বেগম ও নর্তকী বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। আমি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আমি ছোট একটি টেবিল নিয়ে কর্মসূচি করলেও জরিমানা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি ভোট চুরি না হয়, তাহলে আমি জনগণের ভোটেই জয়ী হবো।
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.