Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির চেয়ারপারসনের পদটি এখন শূন্য। এই পদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দলের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না এলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এখন চেয়ারম্যান। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই পদে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমান এখন দলটির চেয়ারম্যান। শিগগিরই তিনি এই পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ ধারার (৩) উপধারায় বলা আছে— ‘যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল থাকবেন।’ সে হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন তারেক রহমান।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলটির চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ মে থেকে চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কারাবন্দি হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারা অনুযায়ী তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, দলীয় শূন্যতা পূরণ এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, পুরো দেশ অভিভাবকহীনতায় আছে। তার ছেলে তারেক রহমানও শোকে মুহ্যমান। এ রকম পরিস্থিতিতে দলের পদ-পদবি নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নেই। তবে অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।
২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে যুক্তরাজ্য থেকেই তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির চেয়ারপারসনের পদটি এখন শূন্য। এই পদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দলের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না এলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এখন চেয়ারম্যান। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই পদে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমান এখন দলটির চেয়ারম্যান। শিগগিরই তিনি এই পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ ধারার (৩) উপধারায় বলা আছে— ‘যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল থাকবেন।’ সে হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন তারেক রহমান।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলটির চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ মে থেকে চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কারাবন্দি হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারা অনুযায়ী তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, দলীয় শূন্যতা পূরণ এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, পুরো দেশ অভিভাবকহীনতায় আছে। তার ছেলে তারেক রহমানও শোকে মুহ্যমান। এ রকম পরিস্থিতিতে দলের পদ-পদবি নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নেই। তবে অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।
২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে যুক্তরাজ্য থেকেই তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন।

২৪ জুন, ২০২৬ ০০:২১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'

২২ জুন, ২০২৬ ২২:৩১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #

১৫ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
সাবেক সংসদ সদস্য ও লোকসংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা ও একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে আদালত তিনটি পৃথক রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, মিরপুর ও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা এসব মামলায় কেন মমতাজ বেগমকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তবে আরও তিন মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় মমতাজ কারামুক্ত হতে পারবেন না বলে জানান তার আইনজীবী মো. মোতাহের হোসেন সাজু।
জামিন আবেদনের শুনানিতে মমতাজের পক্ষে তিনি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট মোসাম্মৎ খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন লিজা।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল লিজা বলেন, ‘হাইকোর্টের এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবে।’
গত বছরের ১২ মে মানিকগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বরিশাল টাইমস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #
সাবেক সংসদ সদস্য ও লোকসংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা ও একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে আদালত তিনটি পৃথক রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, মিরপুর ও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা এসব মামলায় কেন মমতাজ বেগমকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তবে আরও তিন মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় মমতাজ কারামুক্ত হতে পারবেন না বলে জানান তার আইনজীবী মো. মোতাহের হোসেন সাজু।
জামিন আবেদনের শুনানিতে মমতাজের পক্ষে তিনি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট মোসাম্মৎ খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন লিজা।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল লিজা বলেন, ‘হাইকোর্টের এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবে।’
গত বছরের ১২ মে মানিকগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বরিশাল টাইমস