
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির চেয়ারপারসনের পদটি এখন শূন্য। এই পদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দলের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না এলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এখন চেয়ারম্যান। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই পদে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমান এখন দলটির চেয়ারম্যান। শিগগিরই তিনি এই পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ ধারার (৩) উপধারায় বলা আছে— ‘যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল থাকবেন।’ সে হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন তারেক রহমান।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলটির চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ মে থেকে চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কারাবন্দি হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারা অনুযায়ী তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, দলীয় শূন্যতা পূরণ এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, পুরো দেশ অভিভাবকহীনতায় আছে। তার ছেলে তারেক রহমানও শোকে মুহ্যমান। এ রকম পরিস্থিতিতে দলের পদ-পদবি নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নেই। তবে অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।
২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে যুক্তরাজ্য থেকেই তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির চেয়ারপারসনের পদটি এখন শূন্য। এই পদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দলের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না এলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এখন চেয়ারম্যান। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই পদে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমান এখন দলটির চেয়ারম্যান। শিগগিরই তিনি এই পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ ধারার (৩) উপধারায় বলা আছে— ‘যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল থাকবেন।’ সে হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন তারেক রহমান।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলটির চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ মে থেকে চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কারাবন্দি হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারা অনুযায়ী তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, দলীয় শূন্যতা পূরণ এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, পুরো দেশ অভিভাবকহীনতায় আছে। তার ছেলে তারেক রহমানও শোকে মুহ্যমান। এ রকম পরিস্থিতিতে দলের পদ-পদবি নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নেই। তবে অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।
২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে যুক্তরাজ্য থেকেই তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

১৯ মে, ২০২৬ ১৫:৩৫
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’

০১ মে, ২০২৬ ১৭:২৬
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.