
১৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৩০
মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পার্শ্বে ভূমির প্রান্তসীমা থেকে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ। এমন আইনের ধারা সম্বলিত লেখা সাইনবোর্ডের নিচেই নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের পাশে এমন কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।
জানা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক। এ মহাসড়কের উভয় পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১০ মিটার করে ভূমি রয়েছে। এ সব ভূমি রক্ষায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের অন্তত দুই ডজন স্থানে ‘মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পাশে ভূমির প্রান্তসীমা হতে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ’ লেখা সাইনবোর্ড টানিয়েছে।
কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই সব ভূমি দখল করে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে হাজার হাজার পাকা-আধা পাকা ও কাঁচা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই জমি অধিক মূল্যে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
গত ২০ বছর ধরে সড়কের পাশের ভূমি এমন ক্রয়-বিক্রয় চললেও সড়ক বিভাগ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। এ জমি উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আরও অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি মহল ওই জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। ফলে সড়কের পাশে অহরহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। এতে সড়কে দুর্ঘটনাসহ নানা সমস্যার দেখা দিচ্ছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ৭১ কিলোমিটারের শতাধিক স্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। ওই স্থাপনায় তারা ব্যবসা করছেন।
বরগুনার আমতলী উপজেলার শাখারিয়া থেকে বান্দ্রা ৩৭ কিলোমিটার সড়কের শাখারিয়া, ব্রিকস ফিল্ড, কেওয়াবুনিয়া, মহিষকাটা, চুনাখালী, আমড়াগাছিয়া খানকা, ডাক্তারবাড়ী, ঘটখালী, তুলাতলী, একে স্কুল চৌরাস্তা, ছুরিকাটা, মানিকঝুড়ি, খুড়িয়ার খেয়াঘাট, খলিয়ান, কল্যাণপুর ও বান্দ্রাসহ অন্তত ৩০টি স্থানে প্রভাবশালীরা জমি দখল করে সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ স্থাপনার সাথেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের আইনের সাইনবোর্ড টানানো আছে কিন্তু বাস্তবে তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বান্দ্রা স্ট্যান্ডের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করছি। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি।’ তারা আরও বলেন, ‘তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে স্থাপনা নির্মাণ করেছি।’
মহিষকাটা স্ট্যান্ডের আয়াত ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক মিজানুর রহমান ও মৃধা হোটেলের মালিক জলিল মৃধা বলেন, ‘গত ২০ বছর ধরে মাসিক চুক্তিতে ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু মালিক কিভাবে সড়কের পাশে ঘর তুলেছেন তা আমাদের জানা নেই।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাখারিয়া বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন বলেন, ‘এভাবে তো গত এক যুগ ধরে চলে আসছে। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি। ভয় দেখাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানিয়েছে।’ তারা আরও বলেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের নেতাদের অনুমতি নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের মৌখিক অনুমতি নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের ম্যানেজ ছাড়া কিছুই হয়নি।’ তবে এই প্রভাবশালী কারা, নাম জানতে চাইলে স্থানীয়রা নাম প্রকাশে অপরগতা প্রকাশ করেন। আমতলী পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কের বাবুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি না নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করেছি। সরকারের প্রয়োজন হলে জমি ছেড়ে দেব।’
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিক উল্যাহ বলেন, ‘মানুষকে সচেতন করতে আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে, যাতে তারা সরকারী জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না করেন। কিন্তু তারা সচেতন হয়নি।
যারা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের ওই সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জড়িতের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পার্শ্বে ভূমির প্রান্তসীমা থেকে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ। এমন আইনের ধারা সম্বলিত লেখা সাইনবোর্ডের নিচেই নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের পাশে এমন কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।
জানা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক। এ মহাসড়কের উভয় পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১০ মিটার করে ভূমি রয়েছে। এ সব ভূমি রক্ষায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের অন্তত দুই ডজন স্থানে ‘মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পাশে ভূমির প্রান্তসীমা হতে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ’ লেখা সাইনবোর্ড টানিয়েছে।
কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই সব ভূমি দখল করে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে হাজার হাজার পাকা-আধা পাকা ও কাঁচা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই জমি অধিক মূল্যে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
গত ২০ বছর ধরে সড়কের পাশের ভূমি এমন ক্রয়-বিক্রয় চললেও সড়ক বিভাগ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। এ জমি উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আরও অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি মহল ওই জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। ফলে সড়কের পাশে অহরহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। এতে সড়কে দুর্ঘটনাসহ নানা সমস্যার দেখা দিচ্ছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ৭১ কিলোমিটারের শতাধিক স্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। ওই স্থাপনায় তারা ব্যবসা করছেন।
বরগুনার আমতলী উপজেলার শাখারিয়া থেকে বান্দ্রা ৩৭ কিলোমিটার সড়কের শাখারিয়া, ব্রিকস ফিল্ড, কেওয়াবুনিয়া, মহিষকাটা, চুনাখালী, আমড়াগাছিয়া খানকা, ডাক্তারবাড়ী, ঘটখালী, তুলাতলী, একে স্কুল চৌরাস্তা, ছুরিকাটা, মানিকঝুড়ি, খুড়িয়ার খেয়াঘাট, খলিয়ান, কল্যাণপুর ও বান্দ্রাসহ অন্তত ৩০টি স্থানে প্রভাবশালীরা জমি দখল করে সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ স্থাপনার সাথেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের আইনের সাইনবোর্ড টানানো আছে কিন্তু বাস্তবে তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বান্দ্রা স্ট্যান্ডের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করছি। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি।’ তারা আরও বলেন, ‘তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে স্থাপনা নির্মাণ করেছি।’
মহিষকাটা স্ট্যান্ডের আয়াত ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক মিজানুর রহমান ও মৃধা হোটেলের মালিক জলিল মৃধা বলেন, ‘গত ২০ বছর ধরে মাসিক চুক্তিতে ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু মালিক কিভাবে সড়কের পাশে ঘর তুলেছেন তা আমাদের জানা নেই।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাখারিয়া বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন বলেন, ‘এভাবে তো গত এক যুগ ধরে চলে আসছে। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি। ভয় দেখাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানিয়েছে।’ তারা আরও বলেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের নেতাদের অনুমতি নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের মৌখিক অনুমতি নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের ম্যানেজ ছাড়া কিছুই হয়নি।’ তবে এই প্রভাবশালী কারা, নাম জানতে চাইলে স্থানীয়রা নাম প্রকাশে অপরগতা প্রকাশ করেন। আমতলী পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কের বাবুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি না নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করেছি। সরকারের প্রয়োজন হলে জমি ছেড়ে দেব।’
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিক উল্যাহ বলেন, ‘মানুষকে সচেতন করতে আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে, যাতে তারা সরকারী জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না করেন। কিন্তু তারা সচেতন হয়নি।
যারা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের ওই সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জড়িতের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.