
২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:০২
চরমোনাই মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী অগ্রহায়ণের বার্ষিক মাহফিল আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। মুনাজাতে দেশ-জাতি ও উম্মাহর শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৯টায় লাখো মানুষের তওবা, ইস্তেগফার ও আর্শীবাদ কামনার মধ্য দিয়ে সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) বাদ জোহর পীর চরমোনাই সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
আখেরী মুনাজাতে পীর চরমোনাই বিশেষ দোয়া করেন জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের জন্য। পাশাপাশি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মামলাবাজদের অপতৎপরতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানান। তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নিপীড়িত মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করেন।
সমাপনী বয়ানে তিনি বলেন, দুনিয়ার মোহই ব্যক্তি ও সমাজে সকল পাপ ও অনিয়মের মূল উৎস। আর্থিক অনিয়ম থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের দুর্নীতি এসবের পেছনে রয়েছে দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি। তিনি বলেন, হায়াত শেষ হলে দুনিয়ার কোনো সম্পদ কাজে লাগে না, তাই দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষ আজ নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছে। একজন মানুষ যতক্ষণ আল্লাহর কাছে ক্ষমা না পায়, ততক্ষণ নিজের ভেতর বিনয় ও ভীতি জাগ্রত রাখা উচিত। আল্লাহভীতি বা তাক্বওয়া ছাড়া কেউই মূল্যবান নয় সে আলেম, মুফতি বা পীর যেই হোক না কেন।
পীর চরমোনাই মুমিনের জীবনে অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “যেভাবে ঘোড়ার মুখে লাগাম থাকে, ঠিক সেভাবে রাগের ওপর লাগাম টানতে হবে।” তিনি সকাল-সন্ধ্যার জিকির, গীবত থেকে বিরত থাকা, পরিবারের সদস্যদের দ্বীন শিক্ষায় শিক্ষিত করা, পর্দা রক্ষা করা ও নেশাজাত দ্রব্য থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও নিয়মিত হালকা-ই জিকির, তালীমে অংশগ্রহণ এবং ছহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াতের নির্দেশনা দেন।
সমাপনী অধিবেশনে মাহফিল সফলভাবে বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আখেরী মুনাজাতে অংশগ্রহণকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ওলামায়ে কেরাম ও গণমাধ্যমকর্মীদের মোবারকবাদ জানান।
আখেরী বয়ানের পর পীর চরমোনাই লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন এবং মুরিদদের সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন। পরে তিনি উপস্থিত সবাইকে তওবা করিয়ে গুনাহ থেকে বাঁচার শপথ করান।
আখেরী মুনাজাতে তিনি ফিলিস্তিন, ভারত, কাশ্মীর, মিয়ানমার, সিরিয়াসহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলমান ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি-নিরাপত্তা কামনা করেন।
চরমোনাই মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী অগ্রহায়ণের বার্ষিক মাহফিল আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। মুনাজাতে দেশ-জাতি ও উম্মাহর শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৯টায় লাখো মানুষের তওবা, ইস্তেগফার ও আর্শীবাদ কামনার মধ্য দিয়ে সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) বাদ জোহর পীর চরমোনাই সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
আখেরী মুনাজাতে পীর চরমোনাই বিশেষ দোয়া করেন জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের জন্য। পাশাপাশি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মামলাবাজদের অপতৎপরতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানান। তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নিপীড়িত মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করেন।
সমাপনী বয়ানে তিনি বলেন, দুনিয়ার মোহই ব্যক্তি ও সমাজে সকল পাপ ও অনিয়মের মূল উৎস। আর্থিক অনিয়ম থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের দুর্নীতি এসবের পেছনে রয়েছে দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি। তিনি বলেন, হায়াত শেষ হলে দুনিয়ার কোনো সম্পদ কাজে লাগে না, তাই দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষ আজ নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছে। একজন মানুষ যতক্ষণ আল্লাহর কাছে ক্ষমা না পায়, ততক্ষণ নিজের ভেতর বিনয় ও ভীতি জাগ্রত রাখা উচিত। আল্লাহভীতি বা তাক্বওয়া ছাড়া কেউই মূল্যবান নয় সে আলেম, মুফতি বা পীর যেই হোক না কেন।
পীর চরমোনাই মুমিনের জীবনে অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “যেভাবে ঘোড়ার মুখে লাগাম থাকে, ঠিক সেভাবে রাগের ওপর লাগাম টানতে হবে।” তিনি সকাল-সন্ধ্যার জিকির, গীবত থেকে বিরত থাকা, পরিবারের সদস্যদের দ্বীন শিক্ষায় শিক্ষিত করা, পর্দা রক্ষা করা ও নেশাজাত দ্রব্য থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও নিয়মিত হালকা-ই জিকির, তালীমে অংশগ্রহণ এবং ছহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াতের নির্দেশনা দেন।
সমাপনী অধিবেশনে মাহফিল সফলভাবে বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আখেরী মুনাজাতে অংশগ্রহণকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ওলামায়ে কেরাম ও গণমাধ্যমকর্মীদের মোবারকবাদ জানান।
আখেরী বয়ানের পর পীর চরমোনাই লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন এবং মুরিদদের সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন। পরে তিনি উপস্থিত সবাইকে তওবা করিয়ে গুনাহ থেকে বাঁচার শপথ করান।
আখেরী মুনাজাতে তিনি ফিলিস্তিন, ভারত, কাশ্মীর, মিয়ানমার, সিরিয়াসহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলমান ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি-নিরাপত্তা কামনা করেন।

৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:২০
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের বহুল প্রতীক্ষিত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালিত হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এ কর্মবিরতি পালিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বিএমটিএ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি হাসান মাহামুদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান শিপলু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কিবরিয়া টিপু, সদস্য ইমতিয়াজ সোবাহান, জাহিদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম লিটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, দ্রুত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে সারা দেশব্যাপী আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের বহুল প্রতীক্ষিত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালিত হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এ কর্মবিরতি পালিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বিএমটিএ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি হাসান মাহামুদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান শিপলু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কিবরিয়া টিপু, সদস্য ইমতিয়াজ সোবাহান, জাহিদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম লিটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, দ্রুত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে সারা দেশব্যাপী আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৬
গত চার দিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যাল ক্যাম্পাসে চাপা অস্বস্তি বিরাজ করছিল সেখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য। আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক নবীন শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগে সেই অস্বস্তি এবার বিস্ফোরিত।
নবীন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, একদল সিনিয়র শিক্ষার্থীর হাতে তিনি র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। রাতভর অপমান, ঠাট্টা আর ভয় দেখানো হয়েছে তাকে। সবকিছু মিলিয়ে তার সঙ্গে যা ঘটেছে তা নবীন শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম অধ্যায়কে রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ক্যাম্পাসের বাইরে। অভিযোগকারী আল শাহারিয়ার মোহাম্মদ মুস্তাকিম মজুমদার বিভাগটির ১১তম ব্যাচের ছাত্র। রবিবার দুপুরে তিনি উপাচার্য, প্রক্টর এবং বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে তিনটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সেই অভিযোগে নাম উঠে এসেছে দশম ব্যাচের পাঁচ শিক্ষার্থীর। তারা হলেন নাফিজ ফারদিন আকন্দ স্বপ্নীল, মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন, ইমন মাহমুদ, নেহাল আহমেদ ও মিরাজ।
অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, ‘বুধবার রাত ৮টার দিকে সিনিয়রদের নির্দেশে রুপাতলী হাউজিং মাঠে পৌঁছাই। আমরা ছিলাম ২৮ জন।
সেখান থেকে বাসে তুলে টোল প্লাজার পাশের এক বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কক্ষে তুলেই গেট বন্ধ। তারপর সব মোবাইল, ডিভাইস বাজেয়াপ্ত, যেন কোনো প্রমাণ না থাকে।’ এরপর শুরু হয়, অভিযোগকারীর ভাষায় ‘অমানবিক মানসিক নির্যাতন’। কখনো কবিতা আবৃত্তি করতে বাধ্য করা, না করলে ‘মেন্টাল’ আখ্যা দেওয়া, বাবা-মাকে নিয়ে অশ্রাব্য মন্তব্য।
কখনো অভিনয়ের নামে সহপাঠীদের নিয়ে অশোভন দৃশ্য তৈরি করতে চাপ। চোখে জল দেখলে কটূক্তি, ‘সিম্পেথি পেতে কান্না করছিস?’ এমনকি লাঠি এনে মারার ভয় দেখানো হয়।
অভিযোগ আরো এগিয়ে যায়। বলা হয়, ছোট প্যান্ট পরিয়ে নাচতে বলা হয়েছে। প্রস্রাবের জন্য ওয়াশরুমে যেতে চাইলে দেওয়া হয়েছে বোতল, ‘এখানেই করো’। এমনকি দরজা খুলে রেখে ওয়াশরুম ব্যবহার করতে চাপ দেওয়া হয়। শীতের রাতে শার্ট খুলতে বাধ্য করা হয়। শেষে বিস্কুট দিয়ে বলা হয়, ‘কুকুরের মতো চেটে খা’। অভিযোগকারী বলেন, ‘এত অপমানের পর আর নিজেকে সামলাতে পারিনি, বসে বসে কাঁদছিলাম।’
অভিযুক্তদের একজন মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন অবশ্য সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, ‘জুনিয়রদের নিয়ে পিকনিক করছিলাম। একটু রাগারাগি হয়েছে, ব্যাস। র্যাগিং নয়।’
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। র্যাগিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের নীতি স্পষ্ট, আর তা হচ্ছে জিরো টলারেন্স। তদন্ত কমিটি হচ্ছে। প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা কঠোরই হবে।’
গত চার দিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যাল ক্যাম্পাসে চাপা অস্বস্তি বিরাজ করছিল সেখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য। আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক নবীন শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগে সেই অস্বস্তি এবার বিস্ফোরিত।
নবীন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, একদল সিনিয়র শিক্ষার্থীর হাতে তিনি র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। রাতভর অপমান, ঠাট্টা আর ভয় দেখানো হয়েছে তাকে। সবকিছু মিলিয়ে তার সঙ্গে যা ঘটেছে তা নবীন শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম অধ্যায়কে রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ক্যাম্পাসের বাইরে। অভিযোগকারী আল শাহারিয়ার মোহাম্মদ মুস্তাকিম মজুমদার বিভাগটির ১১তম ব্যাচের ছাত্র। রবিবার দুপুরে তিনি উপাচার্য, প্রক্টর এবং বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে তিনটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সেই অভিযোগে নাম উঠে এসেছে দশম ব্যাচের পাঁচ শিক্ষার্থীর। তারা হলেন নাফিজ ফারদিন আকন্দ স্বপ্নীল, মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন, ইমন মাহমুদ, নেহাল আহমেদ ও মিরাজ।
অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, ‘বুধবার রাত ৮টার দিকে সিনিয়রদের নির্দেশে রুপাতলী হাউজিং মাঠে পৌঁছাই। আমরা ছিলাম ২৮ জন।
সেখান থেকে বাসে তুলে টোল প্লাজার পাশের এক বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কক্ষে তুলেই গেট বন্ধ। তারপর সব মোবাইল, ডিভাইস বাজেয়াপ্ত, যেন কোনো প্রমাণ না থাকে।’ এরপর শুরু হয়, অভিযোগকারীর ভাষায় ‘অমানবিক মানসিক নির্যাতন’। কখনো কবিতা আবৃত্তি করতে বাধ্য করা, না করলে ‘মেন্টাল’ আখ্যা দেওয়া, বাবা-মাকে নিয়ে অশ্রাব্য মন্তব্য।
কখনো অভিনয়ের নামে সহপাঠীদের নিয়ে অশোভন দৃশ্য তৈরি করতে চাপ। চোখে জল দেখলে কটূক্তি, ‘সিম্পেথি পেতে কান্না করছিস?’ এমনকি লাঠি এনে মারার ভয় দেখানো হয়।
অভিযোগ আরো এগিয়ে যায়। বলা হয়, ছোট প্যান্ট পরিয়ে নাচতে বলা হয়েছে। প্রস্রাবের জন্য ওয়াশরুমে যেতে চাইলে দেওয়া হয়েছে বোতল, ‘এখানেই করো’। এমনকি দরজা খুলে রেখে ওয়াশরুম ব্যবহার করতে চাপ দেওয়া হয়। শীতের রাতে শার্ট খুলতে বাধ্য করা হয়। শেষে বিস্কুট দিয়ে বলা হয়, ‘কুকুরের মতো চেটে খা’। অভিযোগকারী বলেন, ‘এত অপমানের পর আর নিজেকে সামলাতে পারিনি, বসে বসে কাঁদছিলাম।’
অভিযুক্তদের একজন মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন অবশ্য সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, ‘জুনিয়রদের নিয়ে পিকনিক করছিলাম। একটু রাগারাগি হয়েছে, ব্যাস। র্যাগিং নয়।’
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। র্যাগিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের নীতি স্পষ্ট, আর তা হচ্ছে জিরো টলারেন্স। তদন্ত কমিটি হচ্ছে। প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা কঠোরই হবে।’

৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:১১
বরিশালে যোগদান করেছেন সদ্য পদায়নকৃত জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম।
আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) তিনি বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ ছাড়াও দপ্তরটির সকাল পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি জেলার বিভিন্ন থানার ইনচার্যসহ ঊর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সভায় মিলিত হন। তিনি জেলার আইন শৃঙ্খলা সহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এসময় পুলিশ সুপার আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ সদস্যদের প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানান।
বরিশালে যোগদান করেছেন সদ্য পদায়নকৃত জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম।
আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) তিনি বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ ছাড়াও দপ্তরটির সকাল পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি জেলার বিভিন্ন থানার ইনচার্যসহ ঊর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সভায় মিলিত হন। তিনি জেলার আইন শৃঙ্খলা সহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এসময় পুলিশ সুপার আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ সদস্যদের প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানান।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.