
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১০
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থা-বিআরটিসি’র একমাত্র বাস ডিপোটি সর্বাধীক লাভজনক ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হলেও প্রয়োজনীয় ও ভালমানের বাসের অভাবে যাত্রী সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অঞ্চলের সাধারন যাত্রীদের সরকারি যানবাহনে ভ্রমণের আগ্রহ থাকলেও ভালমানের বাসের অভাবে প্রতিনিয়ত তাদের হতাশ হতে হচ্ছে। গত অর্থ বছরে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোটি নিট ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করলেও দীর্ঘদিনের পুরনো বাস নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও অনেক। এমনকি প্রয়োজনীয় বাসের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রুট চালু এবং বিদ্যমান রুটে ট্রিপ সংখ্যা বৃদ্ধি করাও সম্ভব হচ্ছে না। এরপরেও পুরনো বাসগুলো প্রতিনিয়ত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের মাধ্যমে সংস্থাটি দক্ষিণে সাগরপাড়ের কুয়াকাটা থেকে উত্তরের রংপুর পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে।
সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির ৫২টি বাসের মধ্যে ৪টি বিকল ও চলাচলের অযোগ্য হয় আছে বহু আগেই। এরমধ্যে অগ্নিদগ্ধ একটি বাস নিলামে বিক্রীর প্রক্রিয়া চলছে। আরো ৩টি বাস মেরামতে রয়েছে। অবশিষ্ট ৪৮টি যাত্রীবাহী বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী পরিবহন করছে। এ বাস ডিপোটির ৪৮টি চলমান বাস প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫টি ট্রিপে ১১ হাজার কিলোমিটার সড়ক পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। এরসাথে সংস্থার ৮টি দ্বিতল বাস সহ ১১টি বাস প্রতিদিন বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে।
তবে এ বাস ডিপোটির আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে সেতু ও ফেরির টোল প্রদানে। এক হিসেবে জানা গেছে, সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটি থেকে প্রতিমাসে প্রায় ১৯ লাখ টাকা টোল প্রদান করতে হচ্ছে। এছাড়া জ¦ালানী ব্যায় বাবদও প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যায় হচ্ছে। অতি সম্প্রতি ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বৃদ্ধির ফলে সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির পরিচালন ব্যায় বাড়ছে, কমবে মুনাফার পরিমানও। ফলে রাষ্ট্রীয় এ বাস ডিপোটিও নতুন করে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কবলে পড়েছে।
তবে সরকার নির্ধারিত কিলোমিটার প্রতি ২.১২ টাকা ও বাতানুকুল বাসে ২.৭২ টাকা দরেই যাত্রী পরিবহন করেও বরিশাল বাস ডিপোটি মাসে এখন নিট ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা মুনাফা করছে। যা রাষ্ট্রীয় এ সড়ক পরিবহন সংস্থাটির যেকোন বাস ডিপোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে। তবে বরিশাল বাস ডিপোটির যাত্রীসেবা উন্নয়নে নতুন এসি/নন এসি বাস প্রয়োজন হলেও সেধরনের পদক্ষেপ এখনো অনুপস্থিত। ২০০২ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে বরিশাল মহানগরীতেই প্রথম দ্বিতল বাস সার্ভিস চালু করা হলেও ১/১১ সরকারের সময় বরিশাল মহানগরীর গণ পরিবহন থেকে ২টি দোতালা বাস প্রত্যাহার করা হয়। অথচ গণ পরিবহনে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দায় আছে বলে মনে করেন নগরবাসী।
পাশাপাশি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বরিশাল-খুলনা-যশোর-বেনাপোল বাতানুকুল বাস সার্ভিসটি পুনর্বহাল সহ বরিশাল-খুলনা রুটে আরো অধিক সংখ্যক বাস চালু করারও দাবী রয়েছে সাধারন যাত্রীদের। স্বাধীনতার পরে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর-এর প্রচেষ্টায় সর্বপ্রথম বরিশালে বিআরটিসির বাস ডিপোটি চালু হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারী। সেদিন বরিশাল বেলসপার্কে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বরিশাল-ফরিদপুর-গোয়ালন্দঘাট এবং বরিশালÑফরিদপুর রুটে বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপোটির উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তিকালে বরিশালÑমাদারীপুর রুটেও বাস সার্ভিস চালু করে সংস্থাটি। ১৯৮১ সালে বরিশালÑপটুয়াখালী মহাসড়ক চালু হলে সংস্থাটি এরুটে মিনিবাস সার্ভিসও চালু করেছিল।
কিন্তু এরশাদের সামরিক সরকার রাষ্ট্রীয় ব্যায় সংকোচন ও কথিত লোকসান প্রতিহত করার নামে ১৯৮২ সালের শেষ দিকে বিআরটিসি’র বরিশাল ডিপোটি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিকালে ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মতিউর রহমানের প্রচেষ্টায় পুনরায় সংস্থাটির বরিশাল ডিপোটি চালু হলেও প্রযোজনীয় বাসের অভাবে তা চলছিল অনেকটা খুড়িয়ে। এমনকি ১৯৮৯ সালে এ ডিপোটির অবস্থা এতটাই করুন হয়ে পড়ে যে, শুধুমাত্র টায়ারের অভাবে কোন বাস রাস্তায় নামতে পারছিলো না। বিষয়টি নিয়ে তখন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পরে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে পুনরায় এ ডিপোটি কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়। তবে ১৯৯২ সাল থেকে দেশব্যাপী বিআরটিসি সংস্কারের অংশ হিসেব বরিশাল ডিপোটিও নতুনভাবে সচল করা হয়। সেই থেকে এর নবযাত্রা শুরু। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বিআরটিসি’র বরিশাল বাস ডিপোটিকে।
তবে এখন এ ডিপোটির প্রায় সব যাত্রীবাহী বাসই দীর্ঘদিনের পুরনো। অনেক গাড়ীই মেরামত অযোগ্য হয়ে পড়ছে। পুরনো এসব বাসে ভ্রমনে যাত্রীদের অনেক দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। এমনকি অনেক বাস সুপারভাইজার ও চালক কর্তৃপক্ষের দেয়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নামে দূরপাল্লার গাড়ীতে স্থানীয় পর্যায়ের যাত্রী পরিবহন করায় মূল যাত্রীরা চরমভাবে নাকাল হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লোকাল যাত্রী পরিবহন নিয়ে বিভিন্ন রুটে বেসরকারী বাসমালিকÑশ্রমিকদের সাথে বিবাদও ঘটছে প্রায়শই। তবে এসব কিছুর সাথে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বাস ডিপোটিতে অবিলম্বে নতুন ও ভালমানের যাত্রীবাহী বাস প্রদানের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারন যাত্রীরা। এসব বিষয়ে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোর ম্যানেজার অপারেশন এর এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থা-বিআরটিসি’র একমাত্র বাস ডিপোটি সর্বাধীক লাভজনক ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হলেও প্রয়োজনীয় ও ভালমানের বাসের অভাবে যাত্রী সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অঞ্চলের সাধারন যাত্রীদের সরকারি যানবাহনে ভ্রমণের আগ্রহ থাকলেও ভালমানের বাসের অভাবে প্রতিনিয়ত তাদের হতাশ হতে হচ্ছে। গত অর্থ বছরে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোটি নিট ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করলেও দীর্ঘদিনের পুরনো বাস নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও অনেক। এমনকি প্রয়োজনীয় বাসের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রুট চালু এবং বিদ্যমান রুটে ট্রিপ সংখ্যা বৃদ্ধি করাও সম্ভব হচ্ছে না। এরপরেও পুরনো বাসগুলো প্রতিনিয়ত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের মাধ্যমে সংস্থাটি দক্ষিণে সাগরপাড়ের কুয়াকাটা থেকে উত্তরের রংপুর পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে।
সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির ৫২টি বাসের মধ্যে ৪টি বিকল ও চলাচলের অযোগ্য হয় আছে বহু আগেই। এরমধ্যে অগ্নিদগ্ধ একটি বাস নিলামে বিক্রীর প্রক্রিয়া চলছে। আরো ৩টি বাস মেরামতে রয়েছে। অবশিষ্ট ৪৮টি যাত্রীবাহী বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী পরিবহন করছে। এ বাস ডিপোটির ৪৮টি চলমান বাস প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫টি ট্রিপে ১১ হাজার কিলোমিটার সড়ক পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। এরসাথে সংস্থার ৮টি দ্বিতল বাস সহ ১১টি বাস প্রতিদিন বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে।
তবে এ বাস ডিপোটির আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে সেতু ও ফেরির টোল প্রদানে। এক হিসেবে জানা গেছে, সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটি থেকে প্রতিমাসে প্রায় ১৯ লাখ টাকা টোল প্রদান করতে হচ্ছে। এছাড়া জ¦ালানী ব্যায় বাবদও প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যায় হচ্ছে। অতি সম্প্রতি ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বৃদ্ধির ফলে সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির পরিচালন ব্যায় বাড়ছে, কমবে মুনাফার পরিমানও। ফলে রাষ্ট্রীয় এ বাস ডিপোটিও নতুন করে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কবলে পড়েছে।
তবে সরকার নির্ধারিত কিলোমিটার প্রতি ২.১২ টাকা ও বাতানুকুল বাসে ২.৭২ টাকা দরেই যাত্রী পরিবহন করেও বরিশাল বাস ডিপোটি মাসে এখন নিট ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা মুনাফা করছে। যা রাষ্ট্রীয় এ সড়ক পরিবহন সংস্থাটির যেকোন বাস ডিপোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে। তবে বরিশাল বাস ডিপোটির যাত্রীসেবা উন্নয়নে নতুন এসি/নন এসি বাস প্রয়োজন হলেও সেধরনের পদক্ষেপ এখনো অনুপস্থিত। ২০০২ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে বরিশাল মহানগরীতেই প্রথম দ্বিতল বাস সার্ভিস চালু করা হলেও ১/১১ সরকারের সময় বরিশাল মহানগরীর গণ পরিবহন থেকে ২টি দোতালা বাস প্রত্যাহার করা হয়। অথচ গণ পরিবহনে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দায় আছে বলে মনে করেন নগরবাসী।
পাশাপাশি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বরিশাল-খুলনা-যশোর-বেনাপোল বাতানুকুল বাস সার্ভিসটি পুনর্বহাল সহ বরিশাল-খুলনা রুটে আরো অধিক সংখ্যক বাস চালু করারও দাবী রয়েছে সাধারন যাত্রীদের। স্বাধীনতার পরে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর-এর প্রচেষ্টায় সর্বপ্রথম বরিশালে বিআরটিসির বাস ডিপোটি চালু হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারী। সেদিন বরিশাল বেলসপার্কে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বরিশাল-ফরিদপুর-গোয়ালন্দঘাট এবং বরিশালÑফরিদপুর রুটে বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপোটির উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তিকালে বরিশালÑমাদারীপুর রুটেও বাস সার্ভিস চালু করে সংস্থাটি। ১৯৮১ সালে বরিশালÑপটুয়াখালী মহাসড়ক চালু হলে সংস্থাটি এরুটে মিনিবাস সার্ভিসও চালু করেছিল।
কিন্তু এরশাদের সামরিক সরকার রাষ্ট্রীয় ব্যায় সংকোচন ও কথিত লোকসান প্রতিহত করার নামে ১৯৮২ সালের শেষ দিকে বিআরটিসি’র বরিশাল ডিপোটি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিকালে ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মতিউর রহমানের প্রচেষ্টায় পুনরায় সংস্থাটির বরিশাল ডিপোটি চালু হলেও প্রযোজনীয় বাসের অভাবে তা চলছিল অনেকটা খুড়িয়ে। এমনকি ১৯৮৯ সালে এ ডিপোটির অবস্থা এতটাই করুন হয়ে পড়ে যে, শুধুমাত্র টায়ারের অভাবে কোন বাস রাস্তায় নামতে পারছিলো না। বিষয়টি নিয়ে তখন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পরে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে পুনরায় এ ডিপোটি কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়। তবে ১৯৯২ সাল থেকে দেশব্যাপী বিআরটিসি সংস্কারের অংশ হিসেব বরিশাল ডিপোটিও নতুনভাবে সচল করা হয়। সেই থেকে এর নবযাত্রা শুরু। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বিআরটিসি’র বরিশাল বাস ডিপোটিকে।
তবে এখন এ ডিপোটির প্রায় সব যাত্রীবাহী বাসই দীর্ঘদিনের পুরনো। অনেক গাড়ীই মেরামত অযোগ্য হয়ে পড়ছে। পুরনো এসব বাসে ভ্রমনে যাত্রীদের অনেক দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। এমনকি অনেক বাস সুপারভাইজার ও চালক কর্তৃপক্ষের দেয়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নামে দূরপাল্লার গাড়ীতে স্থানীয় পর্যায়ের যাত্রী পরিবহন করায় মূল যাত্রীরা চরমভাবে নাকাল হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লোকাল যাত্রী পরিবহন নিয়ে বিভিন্ন রুটে বেসরকারী বাসমালিকÑশ্রমিকদের সাথে বিবাদও ঘটছে প্রায়শই। তবে এসব কিছুর সাথে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বাস ডিপোটিতে অবিলম্বে নতুন ও ভালমানের যাত্রীবাহী বাস প্রদানের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারন যাত্রীরা। এসব বিষয়ে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোর ম্যানেজার অপারেশন এর এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.