Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫৮
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমির কথা শুনলে আজও শিউরে ওঠে মানুষের মন। তাণ্ডব, হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম নির্যাতনের স্মৃতি এখনও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাড়া দেয়। এমনই এক ভয়াবহ স্মৃতিবহ স্থান বরিশাল নগরীর ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এলাকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল।
হত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতনের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ওয়াপদা কলোনির টর্চার সেলের দোতলা ভবন, সংলগ্ন সেতু এবং কীর্তনখোলার পাশে সাগরদী খালের তীর। পরবর্তীতে এ এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা বর্তমানে বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে ঐতিহাসিক এই স্থানটি।
গত বছরের ৫ আগস্ট একদল দুর্বৃত্ত বধ্যভূমির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। ঘটনার দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে প্রায় দেড় একর জমির ওপর হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল, বাংকার, বধ্যভূমি ও সেতু সংরক্ষণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেতুর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ‘স্মৃতিস্তম্ভ ’৭১’। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর বধ্যভূমি ও টর্চার সেলটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে বরিশালে প্রবেশ করে ওয়াপদা কলোনি দখল করে নেয়। সেখানে তারা সেনাক্যাম্প ও টর্চার সেল স্থাপন করে। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এই ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হতো।
টর্চার সেলে আটক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। পরে তাদের মরদেহ কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন সাগরদী খালের তীরে ফেলে দেওয়া হতো। কীর্তনখোলার তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ড এলাকা থেকে নদীর ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেতের পুরো অংশই ছিল বরিশালের মূল গণকবর ও বধ্যভূমি।
অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সঅযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্স
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী প্রায় দেড় একর জায়গাজুড়ে বধ্যভূমি ও টর্চার সেল সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। উদ্বোধনের পর প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্মৃতিসৌধটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
সম্প্রতি বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা আগের মতো সহজে ঢুকতে পারেন না। মূল সড়ক থেকে খালপাড় ঘেঁষে সিটি করপোরেশন একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও তা এখনও অসম্পূর্ণ। ফলে কয়েক ফুট নিচে লাফিয়ে নেমে বধ্যভূমিতে ঢুকতে হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ৫ আগস্টে ভাঙচুরের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরের এক গভীর রাতে একদল লোক গিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভেতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করে দেয়ালে বিভিন্ন শব্দ লিখে রেখে যায়। পরে অবশ্য লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়েদুল হক চান, নুরুল আলম ফরিদ ও ইসরাইল পন্ডিত অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট একদল লোক ভাঙচুর চালানোর পর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে ঐতিহাসিক এই স্থানটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তারা দ্রুত বধ্যভূমি সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, ৫ আগস্ট ভাঙচুরে বধ্যভূমির অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা সংস্কার করা হয়নি। ভেতরে ভাঙচুরের ক্ষত এখনও আছে।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওয়াপদা কলোনির বধ্যভূমির সংস্কারকাজ শুরু করবো আমরা।’
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমির কথা শুনলে আজও শিউরে ওঠে মানুষের মন। তাণ্ডব, হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম নির্যাতনের স্মৃতি এখনও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাড়া দেয়। এমনই এক ভয়াবহ স্মৃতিবহ স্থান বরিশাল নগরীর ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এলাকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল।
হত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতনের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ওয়াপদা কলোনির টর্চার সেলের দোতলা ভবন, সংলগ্ন সেতু এবং কীর্তনখোলার পাশে সাগরদী খালের তীর। পরবর্তীতে এ এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা বর্তমানে বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে ঐতিহাসিক এই স্থানটি।
গত বছরের ৫ আগস্ট একদল দুর্বৃত্ত বধ্যভূমির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। ঘটনার দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে প্রায় দেড় একর জমির ওপর হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল, বাংকার, বধ্যভূমি ও সেতু সংরক্ষণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেতুর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ‘স্মৃতিস্তম্ভ ’৭১’। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর বধ্যভূমি ও টর্চার সেলটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে বরিশালে প্রবেশ করে ওয়াপদা কলোনি দখল করে নেয়। সেখানে তারা সেনাক্যাম্প ও টর্চার সেল স্থাপন করে। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এই ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হতো।
টর্চার সেলে আটক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। পরে তাদের মরদেহ কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন সাগরদী খালের তীরে ফেলে দেওয়া হতো। কীর্তনখোলার তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ড এলাকা থেকে নদীর ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেতের পুরো অংশই ছিল বরিশালের মূল গণকবর ও বধ্যভূমি।
অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সঅযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্স
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী প্রায় দেড় একর জায়গাজুড়ে বধ্যভূমি ও টর্চার সেল সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। উদ্বোধনের পর প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্মৃতিসৌধটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
সম্প্রতি বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা আগের মতো সহজে ঢুকতে পারেন না। মূল সড়ক থেকে খালপাড় ঘেঁষে সিটি করপোরেশন একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও তা এখনও অসম্পূর্ণ। ফলে কয়েক ফুট নিচে লাফিয়ে নেমে বধ্যভূমিতে ঢুকতে হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ৫ আগস্টে ভাঙচুরের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরের এক গভীর রাতে একদল লোক গিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভেতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করে দেয়ালে বিভিন্ন শব্দ লিখে রেখে যায়। পরে অবশ্য লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়েদুল হক চান, নুরুল আলম ফরিদ ও ইসরাইল পন্ডিত অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট একদল লোক ভাঙচুর চালানোর পর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে ঐতিহাসিক এই স্থানটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তারা দ্রুত বধ্যভূমি সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, ৫ আগস্ট ভাঙচুরে বধ্যভূমির অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা সংস্কার করা হয়নি। ভেতরে ভাঙচুরের ক্ষত এখনও আছে।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওয়াপদা কলোনির বধ্যভূমির সংস্কারকাজ শুরু করবো আমরা।’
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১