
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৪
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৪
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯