
০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:১২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা যুবদলের আয়োজনে উপজেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে এ সভা হয়। এতে ভার্চ্যুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক এমপি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)।
এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন। এরই মধ্যে পালিয়ে যাওয়া মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছেন। পতিত শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা আগামী নির্বাচন যাতে ভালোভাবে না হতে পারে তার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করছেন। এজন্য জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকদের সমস্ত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
লালমোহন উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবীর হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজি মো. হাসানুজ্জামানসহ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা যুবদলের আয়োজনে উপজেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে এ সভা হয়। এতে ভার্চ্যুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক এমপি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)।
এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন। এরই মধ্যে পালিয়ে যাওয়া মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছেন। পতিত শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা আগামী নির্বাচন যাতে ভালোভাবে না হতে পারে তার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করছেন। এজন্য জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকদের সমস্ত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
লালমোহন উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবীর হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজি মো. হাসানুজ্জামানসহ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯

১৬ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্ত মো. বনি আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শামীম রহমান বলেন, ফ্যাসিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজ ও দ্রুত সময়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোবহান সরকার, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা জাতীয়তাবদীর আইনজীবি ফোরামের সম্পাদক ড. এ্যাড. আমিরুল ইসলাম বাছেদ, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সাইদুল হক মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম ছরোয়ারে আলম, উপজেলা জামায়াতর। অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভোলা জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রজব শুভ্র সরকার। সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি।
বক্তারা বলেন, সরকারের ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে আগত উপকারভোগী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে কয়েকজন উপকারভোগীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যাসিলি কার্ড তুলে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সুত্রে জানা যায়, সর্বমোট ২১০৬ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনলাইনে পিএমটি স্কোরার মাধ্যমে ১১৩০ টি ভাতার জন্য নির্বাচিত হয়, অপেক্ষমান ৩০টি পরিবার রয়েছে। জাতীয় পরিচয় দ্বারা নিবন্ধিতকৃত সীমানায় নেই পরিবারের সংখ্যা ৭টি। ফ্যামিলি কার্ডের সেবা গ্রহণের অনিচ্ছুক ৯টি পরিবার, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় অনলাইনে এন্ট্রি নেয়নি ৩৩টি পরিবার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৪:১২
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.