
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৬
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২২
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.