
১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৪২
মেয়েকে মারধর করার অপরাধে জামাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন শ্বশুর। এই মামলায় পুলিশ জামাইকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্বশুর। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পিড়ারবাড়ি গ্রামে। জানাগেছে, গত দেড় বছর আগে পিড়ারবাড়ি গ্রামের ব্যবসায়ী বিপুল বিশ্বাসের ছেলে বিপ্র বিশ্বাস (২৪) প্রেমকরে একই গ্রামের নিখিল মল্লিকের মেয়ে অন্তু মল্লিক (২০) কে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই তাদের দু’জনার মাঝে সার্বক্ষণিক ভাবে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই সূত্রধরে গত রবিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিপ্র বিশ্বাস তার স্ত্রী অন্তু মল্লিককে মেরে গুরুতর আহত করে। উপয় পরিবারের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় অন্তু মল্লিকের পরিবারের লোকজন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় সোমবার (৬ অক্টোবর) অন্তু মল্লিকের পিতা নিখিল মল্লিক বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরে পুলিশ বিপ্র বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
নিখিল মল্লিক বলেন, বিয়ের পর থেকেই বিপ্র ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে নানা ভাবে নির্যাতন করতেন। আমার জামাই বিপ্র একজন মাদকসেবনকারী। সে প্রায়ই আমার মেয়ের কাছে মাদক সেবনের জন্য টাকা চাইতো। টাকা না দিলেই বিপ্র আমার মেয়েকে মারধর করতো। তিনি আরো বলেন, সর্বশেষ ঘটনার রাতে বিপ্র মাদকসেবনের জন্য অন্তুর কাছে টাকা চাইলে সে টাকা দিতে না পারায় বিপ্র লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আমার মেয়েকে গুরুতর আহত করে। এ সময় বিপ্রর মা-বাবা আমার মেয়েকে রক্ষা না করে তারা মারধরে সহযোগিতা করে। এ ঘটনায় আমি মামলা দিয়ে পুলিশ বিপ্রকে গ্রেপ্তার করে। এখন বিপ্রর বাবা বিপুল বিশ্বাস মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য ব্যবসায়ী বিপুল বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী মিনু বিশ্বাস বলেন, আমার ছেলে বিপ্র তার নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এই বিয়েতে আমাদের মতামত ছিল না। সে তার স্ত্রী অন্তুকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় অন্তুর বাবা মামলা দিয়েছে। মামলার কারণে পুলিশ আমার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন আদালতে যে বিচার হয় হবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোটালীপাড়া থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, নিখিল মল্লিকের মামলায় শুধু একজনকে আসামী করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা মামলার আসামী বিপ্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য যদি আসামী পক্ষ বাদীকে হুমকি দেয় তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সে ক্ষেত্রে বাদীকে আমাদেরকে লিখিত ভাবে জানাতে হবে।
মেয়েকে মারধর করার অপরাধে জামাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন শ্বশুর। এই মামলায় পুলিশ জামাইকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্বশুর। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পিড়ারবাড়ি গ্রামে। জানাগেছে, গত দেড় বছর আগে পিড়ারবাড়ি গ্রামের ব্যবসায়ী বিপুল বিশ্বাসের ছেলে বিপ্র বিশ্বাস (২৪) প্রেমকরে একই গ্রামের নিখিল মল্লিকের মেয়ে অন্তু মল্লিক (২০) কে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই তাদের দু’জনার মাঝে সার্বক্ষণিক ভাবে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই সূত্রধরে গত রবিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিপ্র বিশ্বাস তার স্ত্রী অন্তু মল্লিককে মেরে গুরুতর আহত করে। উপয় পরিবারের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় অন্তু মল্লিকের পরিবারের লোকজন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় সোমবার (৬ অক্টোবর) অন্তু মল্লিকের পিতা নিখিল মল্লিক বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরে পুলিশ বিপ্র বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
নিখিল মল্লিক বলেন, বিয়ের পর থেকেই বিপ্র ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে নানা ভাবে নির্যাতন করতেন। আমার জামাই বিপ্র একজন মাদকসেবনকারী। সে প্রায়ই আমার মেয়ের কাছে মাদক সেবনের জন্য টাকা চাইতো। টাকা না দিলেই বিপ্র আমার মেয়েকে মারধর করতো। তিনি আরো বলেন, সর্বশেষ ঘটনার রাতে বিপ্র মাদকসেবনের জন্য অন্তুর কাছে টাকা চাইলে সে টাকা দিতে না পারায় বিপ্র লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আমার মেয়েকে গুরুতর আহত করে। এ সময় বিপ্রর মা-বাবা আমার মেয়েকে রক্ষা না করে তারা মারধরে সহযোগিতা করে। এ ঘটনায় আমি মামলা দিয়ে পুলিশ বিপ্রকে গ্রেপ্তার করে। এখন বিপ্রর বাবা বিপুল বিশ্বাস মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য ব্যবসায়ী বিপুল বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী মিনু বিশ্বাস বলেন, আমার ছেলে বিপ্র তার নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এই বিয়েতে আমাদের মতামত ছিল না। সে তার স্ত্রী অন্তুকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় অন্তুর বাবা মামলা দিয়েছে। মামলার কারণে পুলিশ আমার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন আদালতে যে বিচার হয় হবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোটালীপাড়া থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, নিখিল মল্লিকের মামলায় শুধু একজনকে আসামী করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা মামলার আসামী বিপ্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য যদি আসামী পক্ষ বাদীকে হুমকি দেয় তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সে ক্ষেত্রে বাদীকে আমাদেরকে লিখিত ভাবে জানাতে হবে।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১