
২১ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪৯
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষী দিয়েছেন ইউপি সদস্যরা। সোমবার বিকেলে উপজেলা কৃষি অফিসে তদন্ত কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান উল্যাহর কাছে তারা স্বাক্ষী দেন। এ সময় ইউপি সদস্যরা বলেন, চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ সুকৌশলে নানা অজুহাতের মাধ্যমে দুই দশকেরও অধিক সময় ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন বন্ধ করে রেখেছেন। নিয়মিত পরিষদেও আসেন না তিনি।
যার জন্য ইউনিয়নের নাগরিকরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখিন হচ্ছেন। এ ছাড়া তিনি নিজের ইচ্ছা মতো পরিষদের কর্মকাÐ পরিচালনা করেন, কোনো ইউপি সদস্যকেই কোনো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন না। চেয়ারম্যান আবু ইউসুফের এমন কর্মকাÐে ইউনিয়নবাসী বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র কাউকে না জানিয়ে নিজের বাসায় নিয়ে রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ। এ ধরনের বহু অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যার জন্য তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অনাস্থা প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
সেটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে। সোমবার তিনি ঘটনার সত্যতা জানতে স্বাক্ষী দিতে ডাকলে আমরা সকল ইউপি সদস্যগণ উপস্থিত হই। লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা লিখিতভাবে আমার কাছে একটি অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন।
বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি অনাস্থা প্রস্তাব দেয়া ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জেনে আমাকে একটি প্রতিবেদন জমা দেবেন। সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের ডেকেছেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষী দিয়েছেন ইউপি সদস্যরা। সোমবার বিকেলে উপজেলা কৃষি অফিসে তদন্ত কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান উল্যাহর কাছে তারা স্বাক্ষী দেন। এ সময় ইউপি সদস্যরা বলেন, চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ সুকৌশলে নানা অজুহাতের মাধ্যমে দুই দশকেরও অধিক সময় ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন বন্ধ করে রেখেছেন। নিয়মিত পরিষদেও আসেন না তিনি।
যার জন্য ইউনিয়নের নাগরিকরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখিন হচ্ছেন। এ ছাড়া তিনি নিজের ইচ্ছা মতো পরিষদের কর্মকাÐ পরিচালনা করেন, কোনো ইউপি সদস্যকেই কোনো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন না। চেয়ারম্যান আবু ইউসুফের এমন কর্মকাÐে ইউনিয়নবাসী বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র কাউকে না জানিয়ে নিজের বাসায় নিয়ে রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ। এ ধরনের বহু অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যার জন্য তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অনাস্থা প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
সেটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে। সোমবার তিনি ঘটনার সত্যতা জানতে স্বাক্ষী দিতে ডাকলে আমরা সকল ইউপি সদস্যগণ উপস্থিত হই। লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা লিখিতভাবে আমার কাছে একটি অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন।
বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি অনাস্থা প্রস্তাব দেয়া ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জেনে আমাকে একটি প্রতিবেদন জমা দেবেন। সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের ডেকেছেন।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.