
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৮
ঋণখেলাপির অভিযোগে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টি এস আইয়ুবের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ আপিল শুনানি হয়।
এর আগে, গত ৩০ ডিসেম্বর যশোরের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসানকে ঢাকা ব্যাংকের দেওয়া এক চিঠিতে জানানো হয়, ঋণখেলাপি তালিকায় (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) নাম থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তালহা শাহরিয়ার আইয়ুবের (টিএস আইয়ুব) প্রার্থিতা যেন গ্রহণ করা না হয়।
ব্যাংকটির ঢাকা ধানমন্ডি মডেল ব্র্যাঞ্চের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এস এম রাইসুল ইসলাম নাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে আইয়ুবকে ‘ঋণখেলাপি ও সিআইবি রিপোর্টে তালিকাভুক্ত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
টিএস আইয়ুব সাইমেক্স লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর, বসুন্দিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঋণখেলাপির অভিযোগে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টি এস আইয়ুবের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ আপিল শুনানি হয়।
এর আগে, গত ৩০ ডিসেম্বর যশোরের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসানকে ঢাকা ব্যাংকের দেওয়া এক চিঠিতে জানানো হয়, ঋণখেলাপি তালিকায় (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) নাম থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তালহা শাহরিয়ার আইয়ুবের (টিএস আইয়ুব) প্রার্থিতা যেন গ্রহণ করা না হয়।
ব্যাংকটির ঢাকা ধানমন্ডি মডেল ব্র্যাঞ্চের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এস এম রাইসুল ইসলাম নাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে আইয়ুবকে ‘ঋণখেলাপি ও সিআইবি রিপোর্টে তালিকাভুক্ত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
টিএস আইয়ুব সাইমেক্স লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর, বসুন্দিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২০
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আলী হোসেন (৪৯) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোররাতে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি ৮নং ওয়ার্ডের পানিয়ার টারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আলী হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধীন ধবলগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৮৭৪/৫ এস সংলগ্ন শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে সাতগ্রাম বিএসএফ ক্যাম্পের এলাকায় রাত ২টা ৫০ মিনিট ও ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে পৃথকভাবে দুই দফায় গুলির শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনার পর সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়।
বিএসএফের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ থেকে ৮ জন বাংলাদেশি ভারতীয় সীমান্তে তারকাটা বেড়া কাটার উদ্দেশ্যে গেলে বিএসএফ সদস্যরা প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিএসএফ সদস্যদের ধস্তাধস্তি হয় এবং বিএসএফ গুলি ছুড়লে আলী হোসেন (৪৯) নামে এক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিএসএফ সদস্যরা নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভারতীয় হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার বিস্তারিত যাচাই বাছাই ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে স্পট মিটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আলী হোসেন (৪৯) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোররাতে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি ৮নং ওয়ার্ডের পানিয়ার টারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আলী হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধীন ধবলগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৮৭৪/৫ এস সংলগ্ন শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে সাতগ্রাম বিএসএফ ক্যাম্পের এলাকায় রাত ২টা ৫০ মিনিট ও ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে পৃথকভাবে দুই দফায় গুলির শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনার পর সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়।
বিএসএফের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ থেকে ৮ জন বাংলাদেশি ভারতীয় সীমান্তে তারকাটা বেড়া কাটার উদ্দেশ্যে গেলে বিএসএফ সদস্যরা প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিএসএফ সদস্যদের ধস্তাধস্তি হয় এবং বিএসএফ গুলি ছুড়লে আলী হোসেন (৪৯) নামে এক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিএসএফ সদস্যরা নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভারতীয় হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার বিস্তারিত যাচাই বাছাই ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে স্পট মিটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২০
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২