Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৩৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অসুস্থ্য গরু জবাই করে মাংস বিক্রির প্রস্তুতির দায়ে মো. জসিম উদ্দিন (৩৮) নামে এ কসাইকে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ওই কসাইকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ আজিজ। কসাই জসিম উদ্দিন লালমোহন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামালের ছেলে।
ইউএনও জানান, টহলরত পুলিশ সদস্যদের দেখে জসিমসহ কয়েকজন পালিয়ে যেতে শুরু করেন। তখন পুলিশের সন্দেহ হলে জসিমকে আটক করা হয়। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জসিম অসুস্থ্য গরু জবাই করে মাংস বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি আমাকে জানানো হয়।
এরপর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কসাই জসিমের স্বীকারোক্তি ও এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করি। জসিম বিভিন্ন সময় অসুস্থ্য গরু কম দামে কিনে জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন । এ সময় লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. রইস উদ্দিনসহ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অসুস্থ্য গরু জবাই করে মাংস বিক্রির প্রস্তুতির দায়ে মো. জসিম উদ্দিন (৩৮) নামে এ কসাইকে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ওই কসাইকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ আজিজ। কসাই জসিম উদ্দিন লালমোহন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামালের ছেলে।
ইউএনও জানান, টহলরত পুলিশ সদস্যদের দেখে জসিমসহ কয়েকজন পালিয়ে যেতে শুরু করেন। তখন পুলিশের সন্দেহ হলে জসিমকে আটক করা হয়। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জসিম অসুস্থ্য গরু জবাই করে মাংস বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি আমাকে জানানো হয়।
এরপর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কসাই জসিমের স্বীকারোক্তি ও এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করি। জসিম বিভিন্ন সময় অসুস্থ্য গরু কম দামে কিনে জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন । এ সময় লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. রইস উদ্দিনসহ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৬
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯