
২১ জুন, ২০২৫ ১৩:৪৮
বাংলাদেশের ভোটের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। এক ছাতার নিচে দেশের সব ইসলামি দল ধর্মপ্রাণ মানুষের এমন প্রত্যাশা অবশেষে পূরণ হওয়ার পথে।
ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর ইসলামি দলগুলোর দৌড়ঝাপ বেড়ে গেছে, এক বাক্সে ভোট পাঠাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন তারা। সূত্র বলছে, সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এখন শুধু ঘোষণা বাকি!
বরাবরই দেশের রাজনীতির মঞ্চে বড় ভূমিকা রাখেন কওমী ঘরানার প্রবীণ আলেমরা। এবারের ঐক্য প্রচেষ্টায়ও তারাই এগিয়ে এসেছেন। সঙ্গে আলো ফেলছে সবচেয়ে বড় ইসলামি দল জামায়াতে ইসলামি। দুই ধারার দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে নির্বাচনী সমঝোতা সৃষ্টি করতে যাচ্ছে নতুন মেরু!
যেখানে আদর্শ ছিল বিভাজনের কারণ, সেখানে এখন হাত মেলানোর চেষ্টা। বহুদিন পর এক দারুণ সমীকরণ তৈরি হচ্ছে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে। জামায়াতে ইসলামি, যাকে ঘিরে কওমীপন্থী দলগুলো বছরের পর বছর আপত্তি, বিরোধিতা আর তর্ক করে এসেছে—আজ সেই জামায়াতের সাথেই তারা হাঁটছে নির্বাচনি বোঝাপড়ার পথে। উদ্দেশ্যে একটাই, দেশে ইসলামপন্থাকে শক্তিশালী করা।
এর মধ্যেই দলগুলো বৈঠকে বসেছে বেশ কয়েকবার। ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জমিয়েতে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সাথে জামায়াতে ইসলামী। আলোচনার টেবিলে গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনি আসন সমঝোতার বিষয়টি।
সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি আসনে ইসলামপন্থীদের একজন প্রার্থী ঠিক করা হচ্ছে। নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক হলে এ জোটের পূর্ণরুপ প্রকাশ করা হবে, বলছেন দলগুলোর নেতারা।
জোটের নাম ঠিক হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ বার্তা স্পষ্ট ‘একসাথে না দাঁড়ালে ভোটের মাঠে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির সাথে সুবিধা করা যাবে না। বাস্তবতা বলছে ‘পাঁচ দলের পাঁচজন প্রার্থী দিলে একজনও জিতবে না, কিন্তু এক প্রার্থী দিলে কপালে অনেক কিছু জুটতে পারে’। তাই ইসলামী রাজনীতির নেতৃবৃন্দ বসছেন একসঙ্গে যে কোনো উপায়ে ব্যালটকে এক জায়গায় আনতেই হবে।
স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি চায় না, ভোটের মাঠে সব ইসলামি দল তাদের বিরুদ্ধে থাকুক। তাই জমিয়তসহ পুরোনো জোটভুক্ত দলগুলোকে সঙ্গে রাখতে মরিয়া তারা।
ফলে একদিকে বিএনপির ছায়া, অন্যদিকে জামায়াতের সাথে জোট গঠনের আয়োজন। কওমী নেতৃত্বকে ফেলেছে বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণের উত্তাল পরিস্থিতিতে। দিনেশেষে বিএনপির চেয়ে বৃহৎ ইসলামি জোটই তাদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে।
বাংলাদেশের ভোটের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। এক ছাতার নিচে দেশের সব ইসলামি দল ধর্মপ্রাণ মানুষের এমন প্রত্যাশা অবশেষে পূরণ হওয়ার পথে।
ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর ইসলামি দলগুলোর দৌড়ঝাপ বেড়ে গেছে, এক বাক্সে ভোট পাঠাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন তারা। সূত্র বলছে, সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এখন শুধু ঘোষণা বাকি!
বরাবরই দেশের রাজনীতির মঞ্চে বড় ভূমিকা রাখেন কওমী ঘরানার প্রবীণ আলেমরা। এবারের ঐক্য প্রচেষ্টায়ও তারাই এগিয়ে এসেছেন। সঙ্গে আলো ফেলছে সবচেয়ে বড় ইসলামি দল জামায়াতে ইসলামি। দুই ধারার দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে নির্বাচনী সমঝোতা সৃষ্টি করতে যাচ্ছে নতুন মেরু!
যেখানে আদর্শ ছিল বিভাজনের কারণ, সেখানে এখন হাত মেলানোর চেষ্টা। বহুদিন পর এক দারুণ সমীকরণ তৈরি হচ্ছে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে। জামায়াতে ইসলামি, যাকে ঘিরে কওমীপন্থী দলগুলো বছরের পর বছর আপত্তি, বিরোধিতা আর তর্ক করে এসেছে—আজ সেই জামায়াতের সাথেই তারা হাঁটছে নির্বাচনি বোঝাপড়ার পথে। উদ্দেশ্যে একটাই, দেশে ইসলামপন্থাকে শক্তিশালী করা।
এর মধ্যেই দলগুলো বৈঠকে বসেছে বেশ কয়েকবার। ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জমিয়েতে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সাথে জামায়াতে ইসলামী। আলোচনার টেবিলে গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনি আসন সমঝোতার বিষয়টি।
সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি আসনে ইসলামপন্থীদের একজন প্রার্থী ঠিক করা হচ্ছে। নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক হলে এ জোটের পূর্ণরুপ প্রকাশ করা হবে, বলছেন দলগুলোর নেতারা।
জোটের নাম ঠিক হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ বার্তা স্পষ্ট ‘একসাথে না দাঁড়ালে ভোটের মাঠে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির সাথে সুবিধা করা যাবে না। বাস্তবতা বলছে ‘পাঁচ দলের পাঁচজন প্রার্থী দিলে একজনও জিতবে না, কিন্তু এক প্রার্থী দিলে কপালে অনেক কিছু জুটতে পারে’। তাই ইসলামী রাজনীতির নেতৃবৃন্দ বসছেন একসঙ্গে যে কোনো উপায়ে ব্যালটকে এক জায়গায় আনতেই হবে।
স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি চায় না, ভোটের মাঠে সব ইসলামি দল তাদের বিরুদ্ধে থাকুক। তাই জমিয়তসহ পুরোনো জোটভুক্ত দলগুলোকে সঙ্গে রাখতে মরিয়া তারা।
ফলে একদিকে বিএনপির ছায়া, অন্যদিকে জামায়াতের সাথে জোট গঠনের আয়োজন। কওমী নেতৃত্বকে ফেলেছে বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণের উত্তাল পরিস্থিতিতে। দিনেশেষে বিএনপির চেয়ে বৃহৎ ইসলামি জোটই তাদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ২০:২৭
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঘোষিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে যুবদলের আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি, নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক এবং অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের দরিয়াবাদ গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক প্রয়াত মোঃ শফিউদ্দিন হাওলাদারের গর্বিত সন্তান। তাঁর বড়ভাই ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস জাপানের বিখ্যাত ইয়োকোহামা কর্পোরেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক। তাঁর বোন তাহমিনা আক্তার বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ এবং বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিভাগের প্রথম নারী অধ্যক্ষ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন।
দরিয়াবাদ গ্রামের সম্ভ্রান্ত বনেদি মুসলিম পরিবারের সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এবং সরকারি বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপরে তিনি যুবদলে গিয়েও নিজের মেধা ও দক্ষতায় যুবদলের বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন। সর্বশেষ আজ বৃহস্পতিবার তাকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
এদিকে বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব। একইসাথে তিনি নবনির্বাচিত সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্যকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে এক অভিনন্দন বার্তায় রকিবুল হাসান খান রাকিব আশা প্রকাশ করেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সুযোগ্য সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব এবং আইকনিক যুবনেতা অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর নেতৃত্বে বরিশাল বিভাগে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো বেশি গতিশীল এবং শক্তিশালী হবে। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামরুল হাসান সোহাগ আকনসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। #
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঘোষিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে যুবদলের আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি, নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক এবং অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের দরিয়াবাদ গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক প্রয়াত মোঃ শফিউদ্দিন হাওলাদারের গর্বিত সন্তান। তাঁর বড়ভাই ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস জাপানের বিখ্যাত ইয়োকোহামা কর্পোরেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক। তাঁর বোন তাহমিনা আক্তার বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ এবং বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিভাগের প্রথম নারী অধ্যক্ষ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন।
দরিয়াবাদ গ্রামের সম্ভ্রান্ত বনেদি মুসলিম পরিবারের সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এবং সরকারি বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপরে তিনি যুবদলে গিয়েও নিজের মেধা ও দক্ষতায় যুবদলের বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন। সর্বশেষ আজ বৃহস্পতিবার তাকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
এদিকে বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব। একইসাথে তিনি নবনির্বাচিত সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্যকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে এক অভিনন্দন বার্তায় রকিবুল হাসান খান রাকিব আশা প্রকাশ করেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সুযোগ্য সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব এবং আইকনিক যুবনেতা অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর নেতৃত্বে বরিশাল বিভাগে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো বেশি গতিশীল এবং শক্তিশালী হবে। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামরুল হাসান সোহাগ আকনসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। #

১৯ মে, ২০২৬ ১৫:৩৫
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.