
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৯
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বিয়ের অভিনয়ে ইউসুফ আলী (৪৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার (৩০) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। প্রবাসী ইউসুফ আলী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সানারপাড় ইউনিয়নের নয়াআটি-রসুলবাগ এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে। হাসিবা আক্তার ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন খানের মেয়ে।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর অভিযোগ, সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মোবাইলফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হাসিবার সঙ্গে। সেই সুবাদে দীর্ঘ ৭/৮ বছর সম্পর্ক চলে তাদের। ওই সময় ভিডিও কলের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মে মাসের ২৬ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। পরে প্রবাস থেকে দেশে এসে বালিপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী পশ্চিম বালিপাড়া এলাকায় হাসিবার দুলাভাইয়ের বাসায় দুলাভাই মাসুম বয়াতিকে স্বাক্ষী রেখে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখে পুনরায় তারা কাজীর মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। তখন ৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে হাসিবাকে দেন ইউসুফ।
সরেজমিন জানা যায়, পূর্বে হাসিবা আক্তারের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের শাহ আলী ফরাজির ছেলে রুহুল আমিন ফরাজির (৪০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেখানে তাদের একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখে হাসিবা তার পূর্বের স্বামী রুহুলকে তালাক দেন। এরপর ইউসুফকে তালাক দিয়ে একই বছরের অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে পূর্বের স্বামী রুহুল আমিন এর কাছে ফিরে যান। এ ঘটনায় পরিবারের একেক সদস্য দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য।
দুলাভাই মাসুম বয়াতি বলেন, আমার শালিকা হাসিবা ভাই হিসেবে ইউসুফকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সেই হিসেবে আমার বাড়ি বেড়াতে এসেছিল ইউসুফ। তখন আমার শ্বশুর, শাশুড়ি এবং শ্যালক বাসার ও আমিনুলও বেড়াতে এসেছিল। বিয়েতে স্বাক্ষীর বিষয়ে তিনি বলেন- আমাকে হাসিবা ও ইউসুফ বলেছে- ইউসুফ প্রবাসে থাকা অবস্থায় ফোনে বিয়ে হয়েছে। তার জন্য আমি কাজীর ফোন নম্বর ওদের দিই। ওরা কাজীকে কল দিলে তিনি আমার বাড়িতে এসে হাসিবা ও ইউসুফের বিয়ে পড়িয়ে যান। এ বিয়েতে আমি স্বাক্ষী ছিলাম।
হাসিবার ভাই আমিনুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি।
ওই নারীর বর্তমান স্বামী রুহুল আমিন বলেন, আমার স্ত্রীর দুলাভাই, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং স্ত্রীর বড় ভাই টাকার লোভে পড়ে এ কাজ করেছে। আমি আমার আগের স্ত্রীকে আবারও গ্রাম্য শুরা দিয়ে বিয়ে করেছি।
অভিযুক্ত হাসিবা বলেন, বিয়ে করলে কি ডিভোর্স দেওয়া যাবে না? আমার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে দিয়েছে তাই ইউসুফের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছি। যা বলার আদালতে বলব।
হাসিবার বাবার বাড়িতে সাংবাদিকরা গেলে পরিবারের লোকজনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হাসিবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।
ভুক্তভোগী ইউসুফ আলী জানান, বিয়ের কিছুদিন পর আমার কাছে নগদ ১০ লাখ টাকা দাবি করে হাসিবা। আমি কিছুদিন সময় চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং আমার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি তখন বুঝতে পারি যে হানিট্রাপে পড়েছি। দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার আমার সঙ্গে বিয়ের অভিনয় করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন- এ ধরনের কর্মকাণ্ডে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী ইউসুফ আলী হাসিবাকে বৈধ স্ত্রী দাবি করে পুনরায় সংসারে ফিরে পেতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বিয়ের অভিনয়ে ইউসুফ আলী (৪৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার (৩০) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। প্রবাসী ইউসুফ আলী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সানারপাড় ইউনিয়নের নয়াআটি-রসুলবাগ এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে। হাসিবা আক্তার ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন খানের মেয়ে।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর অভিযোগ, সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মোবাইলফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হাসিবার সঙ্গে। সেই সুবাদে দীর্ঘ ৭/৮ বছর সম্পর্ক চলে তাদের। ওই সময় ভিডিও কলের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মে মাসের ২৬ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। পরে প্রবাস থেকে দেশে এসে বালিপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী পশ্চিম বালিপাড়া এলাকায় হাসিবার দুলাভাইয়ের বাসায় দুলাভাই মাসুম বয়াতিকে স্বাক্ষী রেখে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখে পুনরায় তারা কাজীর মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। তখন ৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে হাসিবাকে দেন ইউসুফ।
সরেজমিন জানা যায়, পূর্বে হাসিবা আক্তারের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের শাহ আলী ফরাজির ছেলে রুহুল আমিন ফরাজির (৪০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেখানে তাদের একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখে হাসিবা তার পূর্বের স্বামী রুহুলকে তালাক দেন। এরপর ইউসুফকে তালাক দিয়ে একই বছরের অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে পূর্বের স্বামী রুহুল আমিন এর কাছে ফিরে যান। এ ঘটনায় পরিবারের একেক সদস্য দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য।
দুলাভাই মাসুম বয়াতি বলেন, আমার শালিকা হাসিবা ভাই হিসেবে ইউসুফকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সেই হিসেবে আমার বাড়ি বেড়াতে এসেছিল ইউসুফ। তখন আমার শ্বশুর, শাশুড়ি এবং শ্যালক বাসার ও আমিনুলও বেড়াতে এসেছিল। বিয়েতে স্বাক্ষীর বিষয়ে তিনি বলেন- আমাকে হাসিবা ও ইউসুফ বলেছে- ইউসুফ প্রবাসে থাকা অবস্থায় ফোনে বিয়ে হয়েছে। তার জন্য আমি কাজীর ফোন নম্বর ওদের দিই। ওরা কাজীকে কল দিলে তিনি আমার বাড়িতে এসে হাসিবা ও ইউসুফের বিয়ে পড়িয়ে যান। এ বিয়েতে আমি স্বাক্ষী ছিলাম।
হাসিবার ভাই আমিনুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি।
ওই নারীর বর্তমান স্বামী রুহুল আমিন বলেন, আমার স্ত্রীর দুলাভাই, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং স্ত্রীর বড় ভাই টাকার লোভে পড়ে এ কাজ করেছে। আমি আমার আগের স্ত্রীকে আবারও গ্রাম্য শুরা দিয়ে বিয়ে করেছি।
অভিযুক্ত হাসিবা বলেন, বিয়ে করলে কি ডিভোর্স দেওয়া যাবে না? আমার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে দিয়েছে তাই ইউসুফের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছি। যা বলার আদালতে বলব।
হাসিবার বাবার বাড়িতে সাংবাদিকরা গেলে পরিবারের লোকজনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হাসিবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।
ভুক্তভোগী ইউসুফ আলী জানান, বিয়ের কিছুদিন পর আমার কাছে নগদ ১০ লাখ টাকা দাবি করে হাসিবা। আমি কিছুদিন সময় চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং আমার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি তখন বুঝতে পারি যে হানিট্রাপে পড়েছি। দুই সন্তানের জননী হাসিবা আক্তার আমার সঙ্গে বিয়ের অভিনয় করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন- এ ধরনের কর্মকাণ্ডে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী ইউসুফ আলী হাসিবাকে বৈধ স্ত্রী দাবি করে পুনরায় সংসারে ফিরে পেতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.