
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:২৬
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৬:২৩

১৩ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৮
ভারতীয় সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হচ্ছেন বর্তমান উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি আগামী ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিনই বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
জানা গেছে, ধীরাজ শেঠ ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। প্রায় চার দশকের সামরিক কর্মজীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বিভিন্ন ধরনের অপারেশনাল পরিবেশে সব স্তরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘সুদর্শন চক্র কোর’-ও নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে তিনি দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক ব্যস্ততা এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ধীরাজ সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড এবং সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদে ছিলেন, যার মাধ্যমে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বাহিনী ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে অবদান রাখেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভারতীয় সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হচ্ছেন বর্তমান উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি আগামী ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিনই বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
জানা গেছে, ধীরাজ শেঠ ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। প্রায় চার দশকের সামরিক কর্মজীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বিভিন্ন ধরনের অপারেশনাল পরিবেশে সব স্তরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘সুদর্শন চক্র কোর’-ও নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে তিনি দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক ব্যস্ততা এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ধীরাজ সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড এবং সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদে ছিলেন, যার মাধ্যমে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বাহিনী ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে অবদান রাখেন।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১