
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:১২
বহু প্রাচীনকাল থেকেই গল্পকার, কবি, জ্যোতির্বিদ ও মহাকাশচারীদের অভিভূত করে আসছে চাঁদ। আর ভবিষ্যতে খনিজ শিল্পেরও প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে পৃথিবীর এই একমাত্র উপগ্রহ।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, শত কোটি বছর ধরে অ্যাস্টেরয়েডের (গ্রহাণু) আঘাতে চাঁদের পৃষ্ঠে অনেক মূল্যবান ধাতু সঞ্চিত হয়েছে। এর সম্ভাব্য মূল্য ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা!
এই হিসাব একটি গবেষণার ভিত্তিতে করা হয়েছে। চাঁদের পৃষ্ঠ পরীক্ষা করে হিসাব করা হয়েছে কতগুলো গর্ত প্লাটিনাম গ্রুপ মেটালসের (পিজিএম) আধার। এগুলো মূলত দীর্ঘ সময় ধরে গ্রহাণুর আঘাতে তৈরি হয়েছে। এই মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যে রয়েছে—রুথেনিয়াম, রোডিয়াম, প্যালাডিয়াম, অসমিয়াম, ইরিডিয়াম ও প্লাটিনাম।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, নিউট্রন নক্ষত্রের ভয়াবহ সংঘর্ষের সময় এই উপাদানগুলো তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এসব ধাতু ক্যাটালাইটিক কনভারটার (ক্ষতিকর গ্যাস শোষণের জন্য গাড়িতে ব্যবহার করা হয়), ইলেকট্রনিকস এবং সবুজ অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।
এই গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক জয়ন্ত ব্যসনাকেরে বলেন, ‘মহাজাগতিক সময়ে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে এই উপাদানগুলো অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশে গ্রহ গঠনকারী ডিস্ক এবং পরে গ্রহ ও গ্রহাণুর মধ্যে জমা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধাতব গ্রহাণুগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লোহা থাকে এবং পিজিএমগুলো এর সঙ্গে আবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। যখন এই গ্রহাণুগুলো চাঁদের মতো কোনো বস্তুকে আঘাত করে, তখন গতিবেগের প্রভাবের ওপর নির্ভর করে এর কিছু অংশ অক্ষত থাকতে পারে।’
পৃথিবীর মতো চাঁদের কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। এ কারণে চাঁদের দিকে আগত মহাজাগতিক শিলা পুড়ে যায় না। এ ছাড়া চাঁদের কোনো টেকটোনিক প্লেটও নেই, যা আছড়ে পড়া গ্রহাণুর ধ্বংসাবশেষকে মাটির গভীরে ঠেলে দিতে পারে। তাই আঘাতকারী বস্তুর বেশির ভাগ অংশই উপরিভাগে থেকে যাওয়ার কথা।
ব্যসনাকেরে এবং তাঁর সহগবেষকেরা অনুমান করেন, চাঁদে ৩ কোটি কেজি পর্যন্ত পিজিএম থাকতে পারে। তবে প্রকৃত পরিমাণ গ্রহাণুর আকার, গতি এবং আঘাতের কোণের ওপর নির্ভর করবে। যদি এই নতুন গবেষণা সামান্যও সঠিক হয়, তাহলে চাঁদ হবে পৃথিবীর বাইরে পিজিএমের সবচেয়ে সমৃদ্ধ পরিচিত ভান্ডার। উল্লেখ্য, পৃথিবীতে বার্ষিক পিজিএম উৎপাদন প্রায় ৬০০ টন।
চাঁদে এই ধাতুগুলো কতটা ঘনীভূত অবস্থায় রয়েছে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ব্যসনাকেরে উল্লেখ করেছেন, পিজিএমগুলো মূল গ্রহাণুর প্রতি মিলিয়ন ভাগের ১০ থেকে ১০০ ভাগ ঘনত্বে থাকতে পারে, এই ঘনত্ব পৃথিবীর অনেক খনির মতোই বা তার চেয়েও ভালো।
তবে, চাঁদে খননের জন্য প্রচুর প্রযুক্তিগত বাধা রয়েছে। চাঁদের অভিকর্ষজ বল পৃথিবীর এক-ষষ্ঠাংশ হওয়ায় সেখানে ওজন, চাপ বা প্রবাহী গতিবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল প্রচলিত নিষ্কাশন কৌশলগুলো প্রয়োগ করা কঠিন হবে।
এ ছাড়া সেখানে কোনো তরল পানি নেই, এটি একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ। কারণ পৃথিবীর বেশির ভাগ পিজিএম পরিশোধনের পদ্ধতি পানিনির্ভর। প্রকৌশলীদের শুষ্ক পরিবেশে আকরিক নিষ্কাশন ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে।
এর পরও চাঁদে কিছু সুবিধা রয়েছে, যা গ্রহাণুগুলোতে নেই। চাঁদ পৃথিবীর যথেষ্ট কাছাকাছি হওয়ায় প্রায় রিয়েল-টাইম রিমোট অপারেশনের (পৃথিবী থেকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ) মাধ্যমে যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা সম্ভব।
পৃথিবীর সঙ্গে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের যোগাযোগ বিলম্ব থাকায় রোবটগুলোকে সহজেই নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, গ্রহাণু খননের জন্য সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবহার প্রয়োজন হবে।
আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার ফলস্বরূপ বিনিয়োগকারীদের কি প্লাটিনামের দাম কমে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে? ব্যসনাকেরে বলেন, ‘যদি একসঙ্গে ১০০ টন পিজিএম চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আনা হয়, তাহলে দাম কমে যেতে পারে।
কিন্তু এটি খুবই অসম্ভব। সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হলো—অন্তত চাঁদ খননের প্রাথমিক দিনগুলোতে—কেউ কেউ বছরে কয়েক টন ফিরিয়ে আনতে পারবে। এটি দামের ওপর খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না।’
হার্ভার্ড ও স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকস এবং ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের গবেষকদের লেখা এই গবেষণাপত্র ‘প্ল্যানেটারি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
বহু প্রাচীনকাল থেকেই গল্পকার, কবি, জ্যোতির্বিদ ও মহাকাশচারীদের অভিভূত করে আসছে চাঁদ। আর ভবিষ্যতে খনিজ শিল্পেরও প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে পৃথিবীর এই একমাত্র উপগ্রহ।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, শত কোটি বছর ধরে অ্যাস্টেরয়েডের (গ্রহাণু) আঘাতে চাঁদের পৃষ্ঠে অনেক মূল্যবান ধাতু সঞ্চিত হয়েছে। এর সম্ভাব্য মূল্য ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা!
এই হিসাব একটি গবেষণার ভিত্তিতে করা হয়েছে। চাঁদের পৃষ্ঠ পরীক্ষা করে হিসাব করা হয়েছে কতগুলো গর্ত প্লাটিনাম গ্রুপ মেটালসের (পিজিএম) আধার। এগুলো মূলত দীর্ঘ সময় ধরে গ্রহাণুর আঘাতে তৈরি হয়েছে। এই মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যে রয়েছে—রুথেনিয়াম, রোডিয়াম, প্যালাডিয়াম, অসমিয়াম, ইরিডিয়াম ও প্লাটিনাম।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, নিউট্রন নক্ষত্রের ভয়াবহ সংঘর্ষের সময় এই উপাদানগুলো তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এসব ধাতু ক্যাটালাইটিক কনভারটার (ক্ষতিকর গ্যাস শোষণের জন্য গাড়িতে ব্যবহার করা হয়), ইলেকট্রনিকস এবং সবুজ অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।
এই গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক জয়ন্ত ব্যসনাকেরে বলেন, ‘মহাজাগতিক সময়ে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে এই উপাদানগুলো অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশে গ্রহ গঠনকারী ডিস্ক এবং পরে গ্রহ ও গ্রহাণুর মধ্যে জমা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধাতব গ্রহাণুগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লোহা থাকে এবং পিজিএমগুলো এর সঙ্গে আবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। যখন এই গ্রহাণুগুলো চাঁদের মতো কোনো বস্তুকে আঘাত করে, তখন গতিবেগের প্রভাবের ওপর নির্ভর করে এর কিছু অংশ অক্ষত থাকতে পারে।’
পৃথিবীর মতো চাঁদের কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। এ কারণে চাঁদের দিকে আগত মহাজাগতিক শিলা পুড়ে যায় না। এ ছাড়া চাঁদের কোনো টেকটোনিক প্লেটও নেই, যা আছড়ে পড়া গ্রহাণুর ধ্বংসাবশেষকে মাটির গভীরে ঠেলে দিতে পারে। তাই আঘাতকারী বস্তুর বেশির ভাগ অংশই উপরিভাগে থেকে যাওয়ার কথা।
ব্যসনাকেরে এবং তাঁর সহগবেষকেরা অনুমান করেন, চাঁদে ৩ কোটি কেজি পর্যন্ত পিজিএম থাকতে পারে। তবে প্রকৃত পরিমাণ গ্রহাণুর আকার, গতি এবং আঘাতের কোণের ওপর নির্ভর করবে। যদি এই নতুন গবেষণা সামান্যও সঠিক হয়, তাহলে চাঁদ হবে পৃথিবীর বাইরে পিজিএমের সবচেয়ে সমৃদ্ধ পরিচিত ভান্ডার। উল্লেখ্য, পৃথিবীতে বার্ষিক পিজিএম উৎপাদন প্রায় ৬০০ টন।
চাঁদে এই ধাতুগুলো কতটা ঘনীভূত অবস্থায় রয়েছে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ব্যসনাকেরে উল্লেখ করেছেন, পিজিএমগুলো মূল গ্রহাণুর প্রতি মিলিয়ন ভাগের ১০ থেকে ১০০ ভাগ ঘনত্বে থাকতে পারে, এই ঘনত্ব পৃথিবীর অনেক খনির মতোই বা তার চেয়েও ভালো।
তবে, চাঁদে খননের জন্য প্রচুর প্রযুক্তিগত বাধা রয়েছে। চাঁদের অভিকর্ষজ বল পৃথিবীর এক-ষষ্ঠাংশ হওয়ায় সেখানে ওজন, চাপ বা প্রবাহী গতিবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল প্রচলিত নিষ্কাশন কৌশলগুলো প্রয়োগ করা কঠিন হবে।
এ ছাড়া সেখানে কোনো তরল পানি নেই, এটি একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ। কারণ পৃথিবীর বেশির ভাগ পিজিএম পরিশোধনের পদ্ধতি পানিনির্ভর। প্রকৌশলীদের শুষ্ক পরিবেশে আকরিক নিষ্কাশন ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে।
এর পরও চাঁদে কিছু সুবিধা রয়েছে, যা গ্রহাণুগুলোতে নেই। চাঁদ পৃথিবীর যথেষ্ট কাছাকাছি হওয়ায় প্রায় রিয়েল-টাইম রিমোট অপারেশনের (পৃথিবী থেকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ) মাধ্যমে যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা সম্ভব।
পৃথিবীর সঙ্গে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের যোগাযোগ বিলম্ব থাকায় রোবটগুলোকে সহজেই নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, গ্রহাণু খননের জন্য সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবহার প্রয়োজন হবে।
আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার ফলস্বরূপ বিনিয়োগকারীদের কি প্লাটিনামের দাম কমে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে? ব্যসনাকেরে বলেন, ‘যদি একসঙ্গে ১০০ টন পিজিএম চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আনা হয়, তাহলে দাম কমে যেতে পারে।
কিন্তু এটি খুবই অসম্ভব। সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হলো—অন্তত চাঁদ খননের প্রাথমিক দিনগুলোতে—কেউ কেউ বছরে কয়েক টন ফিরিয়ে আনতে পারবে। এটি দামের ওপর খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না।’
হার্ভার্ড ও স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকস এবং ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের গবেষকদের লেখা এই গবেষণাপত্র ‘প্ল্যানেটারি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯

১৭ মে, ২০২৬ ২০:৪২
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের আদেশ দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসহকারী সচিব তৌহিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নতুন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের আদেশ দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসহকারী সচিব তৌহিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নতুন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন আমরা নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা মানুষকে কার্ড দেওয়া শুরু করেছি।
এই এলাকার মানুষও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। আগামী জুনে যে বাজেট, সেখানে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অনেক বরাদ্দ রয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার লাকসামে মুদাফফরগঞ্জ বাজারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত পথসভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব।
বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস নিয়ে বিগত নির্বাচনে বিএনপিকে জয়যুক্ত করেছে। বাংলাদেশের মানুষের সেই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা এখানে যারা আছেন আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনারা বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করুন। ইনশাল্লাহ, দেশের যেসব কাজ রয়েছে, বিএনপি সবগুলো পর্যায়ক্রমে করবে। আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ গড়ে তুলব।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে এ সময় লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন আমরা নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা মানুষকে কার্ড দেওয়া শুরু করেছি।
এই এলাকার মানুষও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। আগামী জুনে যে বাজেট, সেখানে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অনেক বরাদ্দ রয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার লাকসামে মুদাফফরগঞ্জ বাজারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত পথসভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব।
বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস নিয়ে বিগত নির্বাচনে বিএনপিকে জয়যুক্ত করেছে। বাংলাদেশের মানুষের সেই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা এখানে যারা আছেন আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনারা বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করুন। ইনশাল্লাহ, দেশের যেসব কাজ রয়েছে, বিএনপি সবগুলো পর্যায়ক্রমে করবে। আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ গড়ে তুলব।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে এ সময় লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:২৮
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী ড. এম রেজাউল হক আর নেই। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
ড. রেজাউল হকের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লায়। তিনি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, সেখানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ড. রেজাউল হক যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নাসায় বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। কয়েক বছর আগে অবসরে যাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তিনি মরহুম ফহিম উদ্দিন বিশ্বাস ও আনোয়ারা খাতুনের সন্তান। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার বড় ভাই বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আমিনুল হক।
আরেক বড় ভাই প্রয়াত ড. এম এনামুল হক বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বর্তমানে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মৃত্যুকালে ড. রেজাউল হক স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর গোদাগাড়ীর কেল্লাবারুইপাড়া জামে মসজিদে তার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী ড. এম রেজাউল হক আর নেই। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
ড. রেজাউল হকের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লায়। তিনি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, সেখানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ড. রেজাউল হক যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নাসায় বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। কয়েক বছর আগে অবসরে যাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তিনি মরহুম ফহিম উদ্দিন বিশ্বাস ও আনোয়ারা খাতুনের সন্তান। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার বড় ভাই বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আমিনুল হক।
আরেক বড় ভাই প্রয়াত ড. এম এনামুল হক বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বর্তমানে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মৃত্যুকালে ড. রেজাউল হক স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর গোদাগাড়ীর কেল্লাবারুইপাড়া জামে মসজিদে তার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.