
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩০
জনবল সংকটে ভুগছে বঙ্গোপসাগরের কূলঘেঁষা বরগুনার তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার শেষ আস্থা ও ভরসার স্থল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাত্র চারজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে। অথচ ৪১টি চিকিৎসকের পদ রয়েছে। সংকট রয়েছে অন্যান্য পদেও। হয় না কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সব মিলিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটি। এতে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে নির্মাণ করা হয় ২০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এরপর ২০১৮ সাল থেকে সাতজন চিকিৎসক ও পাঁচজন নার্স নিয়ে চিকিৎসাসেবা চালু হয়। পরে ২০২২ সালে কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। তবে কাগজ-কলমে শয্যা বাড়লেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রসূতি, শিশু, সার্জারি, মেডিসিন, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগসহ ৪১টি চিকিৎসকের পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক। বাকি ৩৭ জনের পদ শূন্য। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদ রয়েছে ৬৪টি। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন আটজন। বাকি ৫৬ জনের পদ শূন্য। এ ছাড়া নার্সের পদ রয়েছে ২৯টি। বর্তমানে কর্মরত আছেন ছয়জন। বাকি ২৩ জনের পদ শূন্য।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বহির্বিভাগে লম্বা লাইন। রোগীরা এসেছেন সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া, গর্ভাবস্থা বা শিশুর অসুস্থতা নিয়ে। অধিকাংশই নিম্ন আয়ের মানুষ। যাদের একমাত্র ভরসা এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
কিন্তু হাসপাতালে আসা রোগীদের রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে, যেতে হচ্ছে বরগুনা জেলা সদর ও পটুয়াখালী সদর হাসপাতালসহ অন্য কোথাও। এতে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
জরুরি ওষুধের অভাবে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগের পরীক্ষাও বেসরকারি ক্লিনিক থেকে করাতে হচ্ছে। হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় বিকল হয়ে পড়ে আছে।
এতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন আসা রোগীরা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর থাকলেও তেলের অভাবে তা চালানো সম্ভব হয় না। ফলে হাসপাতাল অন্ধকারে নেমে আসে। ওয়ার্ডগুলোতে পানির সংকট ও পরিবেশ খুবই নোংরা আর টয়লেটে গেলে দমবন্ধ অবস্থা হয়। এমন নোংরা অবস্থায় রোগীদের জন্য তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাঁতি পাড়া গ্রাম থেকে আসা এ কে এম নাসির উদ্দীন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগছি তাই ডাক্তার দেখাতে এসেছি। দুটো টেস্ট দিয়েছে একটি হাসপাতাল থেকে করিয়েছি, আর একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করাতে হচ্ছে। এতে কয়েক গুণ বেশি খরচ হয়েছে।
বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের বাসিন্দা মো. ছালাম হাওলাদার বলেন, ‘কিছু দিন আগে আমার ছোট ভাইয়ের হাত ভাঙা নিয়ে হাসপাতালে যাই। কিন্তু হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বেশি টাকায় গাড়ি ভাড়া করে বরিশালে চিকিৎসার জন্য যাই।
তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে দেওয়া যাচ্ছে না। তবু আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি অপারেশন থিয়েটার ও প্যাথলজি বিভাগ চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু জনবল সংকট থাকায় তা চালু করা সম্ভব হয়নি।
বরগুনা সিভিল সার্জন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, জনবল সংকট নিরসনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সংকট নিরসন হবে।
জনবল সংকটে ভুগছে বঙ্গোপসাগরের কূলঘেঁষা বরগুনার তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার শেষ আস্থা ও ভরসার স্থল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাত্র চারজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে। অথচ ৪১টি চিকিৎসকের পদ রয়েছে। সংকট রয়েছে অন্যান্য পদেও। হয় না কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সব মিলিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটি। এতে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে নির্মাণ করা হয় ২০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এরপর ২০১৮ সাল থেকে সাতজন চিকিৎসক ও পাঁচজন নার্স নিয়ে চিকিৎসাসেবা চালু হয়। পরে ২০২২ সালে কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। তবে কাগজ-কলমে শয্যা বাড়লেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রসূতি, শিশু, সার্জারি, মেডিসিন, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগসহ ৪১টি চিকিৎসকের পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক। বাকি ৩৭ জনের পদ শূন্য। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদ রয়েছে ৬৪টি। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন আটজন। বাকি ৫৬ জনের পদ শূন্য। এ ছাড়া নার্সের পদ রয়েছে ২৯টি। বর্তমানে কর্মরত আছেন ছয়জন। বাকি ২৩ জনের পদ শূন্য।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বহির্বিভাগে লম্বা লাইন। রোগীরা এসেছেন সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া, গর্ভাবস্থা বা শিশুর অসুস্থতা নিয়ে। অধিকাংশই নিম্ন আয়ের মানুষ। যাদের একমাত্র ভরসা এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
কিন্তু হাসপাতালে আসা রোগীদের রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে, যেতে হচ্ছে বরগুনা জেলা সদর ও পটুয়াখালী সদর হাসপাতালসহ অন্য কোথাও। এতে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
জরুরি ওষুধের অভাবে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগের পরীক্ষাও বেসরকারি ক্লিনিক থেকে করাতে হচ্ছে। হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় বিকল হয়ে পড়ে আছে।
এতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন আসা রোগীরা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর থাকলেও তেলের অভাবে তা চালানো সম্ভব হয় না। ফলে হাসপাতাল অন্ধকারে নেমে আসে। ওয়ার্ডগুলোতে পানির সংকট ও পরিবেশ খুবই নোংরা আর টয়লেটে গেলে দমবন্ধ অবস্থা হয়। এমন নোংরা অবস্থায় রোগীদের জন্য তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাঁতি পাড়া গ্রাম থেকে আসা এ কে এম নাসির উদ্দীন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগছি তাই ডাক্তার দেখাতে এসেছি। দুটো টেস্ট দিয়েছে একটি হাসপাতাল থেকে করিয়েছি, আর একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করাতে হচ্ছে। এতে কয়েক গুণ বেশি খরচ হয়েছে।
বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের বাসিন্দা মো. ছালাম হাওলাদার বলেন, ‘কিছু দিন আগে আমার ছোট ভাইয়ের হাত ভাঙা নিয়ে হাসপাতালে যাই। কিন্তু হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বেশি টাকায় গাড়ি ভাড়া করে বরিশালে চিকিৎসার জন্য যাই।
তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে দেওয়া যাচ্ছে না। তবু আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি অপারেশন থিয়েটার ও প্যাথলজি বিভাগ চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু জনবল সংকট থাকায় তা চালু করা সম্ভব হয়নি।
বরগুনা সিভিল সার্জন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, জনবল সংকট নিরসনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সংকট নিরসন হবে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ১৪:২৮
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৪০
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.