ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’