
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:৩৮
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:২১
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১