
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোডের বাস্তবায়নাধীন জিও ব্যাগের কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপরি দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একপক্ষ তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগের কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফারিশা। ফারিশা কোম্পানি কাজটি বাস্তবায়নের জন্য লিখিত চুক্তি করেন লালমোহন উপজেলা ধলীগৌরনগরের বেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। বেলাল উদ্দিন ২০২৫ সালে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয় চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিনকে। বর্ষা কাজ বন্ধ থাকায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় কাজ শুরু করে নুরুদ্দিন। কাজ শুরু করার পর থেকে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার জিও ব্যাগে বালু ভরার কাজের ভাগ চেয়ে ঝামেলা শুরু করেন। কাজের ভাগ না দেওয়ায় বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার বাজারে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- মো. রিয়াজ উদ্দিন (৪০), মো. সালাউদ্দিন (৫০) এবং মো. মিলন পাটওয়ারী (৪৫)। এ ঘটনায় আহত মিলন পাওয়ারী বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত মিলান পাটওয়ারী জানান, বস্তার কাজ চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন একাই বাস্তবায়ন করছে। সেখানে সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার কাজের ভাগ চায় কিন্তু নুরুদ্দিন ভাগ না দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা তৈরী হওয়ায় আমি ইব্রাহিম হওলাদারের সমর্থক বলে নুরুদ্দিনের লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
জানতে চাইলে চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন বলেন, মঙ্গলসিকদারের ফেরদাউস নামে এক ব্যক্তির সাথে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজনের সাথে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আমার ইন্দন আছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের লোকজন আমার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ভাই রিয়াজউদ্দিন ও চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়।
সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হওলাদারের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সুশান্ত বলেন, মারামারির ঘটনায় একপক্ষ রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে। কোন পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে আইনী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ২৩:০৪
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.