
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৪
ভোলা শহরে নবনির্মিত গজনবী স্টেডিয়াম, চরফ্যাশন উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ও জেলা সুইমিংপুলের উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ভোলার জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘উপজেলা স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১ টি স্টেডিয়াম আমরা নির্মাণ করছি। ভোলা যে মিনি স্টেডিয়াম সেটা উন্নতমানের, প্রায় ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার সম্পূর্ণ। আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পলিসি হচ্ছে-দেশের সব পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ বাস্তবায়ন করব।’
অবকাঠামোর বাইরেও অবকাঠামোর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে খেলাধুলার ইকোসিস্টেম বিল্ড করার জন্য দৃশ্যমান অগ্রগতি ১ বছরের বেশি সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেখাতে পেরেছে।
এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.বিল্লাল হোসেন। এছাড়া ভোলার স্থানীয় রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলা শহরে নবনির্মিত গজনবী স্টেডিয়াম, চরফ্যাশন উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ও জেলা সুইমিংপুলের উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ভোলার জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘উপজেলা স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১ টি স্টেডিয়াম আমরা নির্মাণ করছি। ভোলা যে মিনি স্টেডিয়াম সেটা উন্নতমানের, প্রায় ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার সম্পূর্ণ। আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পলিসি হচ্ছে-দেশের সব পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ বাস্তবায়ন করব।’
অবকাঠামোর বাইরেও অবকাঠামোর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে খেলাধুলার ইকোসিস্টেম বিল্ড করার জন্য দৃশ্যমান অগ্রগতি ১ বছরের বেশি সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেখাতে পেরেছে।
এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.বিল্লাল হোসেন। এছাড়া ভোলার স্থানীয় রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৬
ভোলায় ভুল রক্ত দেওয়ায় লামিয়া আক্তার নামের এক প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে ভোলা শহরের ‘বন্ধন হেলথ কেয়ার’ নামের একটি ক্লিনিকে। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর ক্রস ম্যাচিং ছাড়াই ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে চিকিৎসকরা ‘বি’ পজিটিভ রক্ত দেওয়ায় প্রসূতির মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোলা শহরের আবহাওয়া অফিস রোড এলাকার বাসিন্দা শরিফের স্ত্রী লামিয়া আক্তার (২২) সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য বন্ধন ক্লিনিকে ভর্তি হন। দুপুরে সিজারিয়ানের (অস্ত্রোপচারের) মাধ্যমে ছেলেসন্তান জন্ম দেন তিনি।
পরে রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ক্রস ম্যাচিংয়ের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ক্রস ম্যাচিং ছাড়া ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে এক ব্যাগ ‘বি’ পজিটিভ রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া হয়।
এর কিছুক্ষণ পরই রোগীর খিঁচুনি দেখা দেয় এবং অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করা হয়। সেখানেই মারা যান তিনি।
স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসায় ত্রুটি ছিল। রোগীর রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ হলেও ব্লাড ক্রস ম্যাচিং না করেই ‘বি পজিটিভ’ রক্ত দেওয়া হয়েছে প্রসূতির শরীরে। তাতে রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান লামিয়া।
জানা গেছে, প্রসূতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার দিকে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা নানা স্লোগান দেন এবং একপর্যায়ে ক্লিনিকের ভেতরে ভাঙচুর চালান। ঘটনার পরপর ক্লিনিকের মালিকসহ সবাই পালিয়ে যায়।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৬

১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৪
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় পাওনা ৬০০ টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মো. শাকিল মিস্ত্রী (৩০) নামে এক যুবককে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শাকিল উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানির দোকান এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আড়ালিয়া এলাকার কেরানির দোকানের সামনে তাকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন একই এলাকার মো. নুরনবীর ছেলে মো. তামিম। অপরদিকে এ ঘটনায় রবিবার সকালে শাকিলের বাবা তজুমদ্দিন থানায় হত্যা মামলা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ আড়ালিয়া গ্রামের মো. ইউনুসের ছেলে রাকিবের কাছে একই এলাকার মো. নুরনবীর ছেলে তামিম হোসেন ৬০০ টাকা পাওনা ছিল। এ বিষয় নিয়ে শনিবার বিকেলে স্থানীয় খেলারমাঠে ক্রিকেট খেলার সময় রাকিব ও তামিমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিবের বড় ভাই শাকিল মিস্ত্রী ঝগড়া থামাতে গিয়ে তামিমকে চড়-থাপ্পর দেন।
এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় শাকিল মিস্ত্রী স্থানীয় কেরানির দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে তামিম পেছন দিক থেকে এসে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে শাকিলের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোর ৪টার দিকে শাকিল মিস্ত্রী মারা যান।
নিহতের চাচা সিরাজ মিস্ত্রী জানান, ঘটনার পরপর রাতেই শাকিলকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন হাসপাতালে পরে ভোলা ও বরিশাল হয়ে ঢাকা নিউরোসাইন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রবিবার ভোর ৫টায় শাকিলের মৃত্যু হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সালাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আঘাতপ্রাপ্ত শাকিল ঢাকায় মারা যাওয়ার সংবাদ পেয়েছি। সকালে নিহতের বাবা মো. ইউনুস তামিমের নামে একটি হত্যার মামলা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলায় ভুল রক্ত দেওয়ায় লামিয়া আক্তার নামের এক প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে ভোলা শহরের ‘বন্ধন হেলথ কেয়ার’ নামের একটি ক্লিনিকে। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর ক্রস ম্যাচিং ছাড়াই ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে চিকিৎসকরা ‘বি’ পজিটিভ রক্ত দেওয়ায় প্রসূতির মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোলা শহরের আবহাওয়া অফিস রোড এলাকার বাসিন্দা শরিফের স্ত্রী লামিয়া আক্তার (২২) সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য বন্ধন ক্লিনিকে ভর্তি হন। দুপুরে সিজারিয়ানের (অস্ত্রোপচারের) মাধ্যমে ছেলেসন্তান জন্ম দেন তিনি।
পরে রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ক্রস ম্যাচিংয়ের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ক্রস ম্যাচিং ছাড়া ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে এক ব্যাগ ‘বি’ পজিটিভ রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া হয়।
এর কিছুক্ষণ পরই রোগীর খিঁচুনি দেখা দেয় এবং অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করা হয়। সেখানেই মারা যান তিনি।
স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসায় ত্রুটি ছিল। রোগীর রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ হলেও ব্লাড ক্রস ম্যাচিং না করেই ‘বি পজিটিভ’ রক্ত দেওয়া হয়েছে প্রসূতির শরীরে। তাতে রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান লামিয়া।
জানা গেছে, প্রসূতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার দিকে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা নানা স্লোগান দেন এবং একপর্যায়ে ক্লিনিকের ভেতরে ভাঙচুর চালান। ঘটনার পরপর ক্লিনিকের মালিকসহ সবাই পালিয়ে যায়।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গতির দানব হয়ে ওঠেছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। সুযোগ বুঝে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো যেন হয়ে ওঠে একেকটি বুলেট ট্রেন! বেপরোয়া এই গতির ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে মানুষের প্রাণ। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীসহ পথচারীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে। জেলাজুড়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনোভাবেই সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশাগুলোর অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৌদ্ধেরপুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। এ ঘটনায় আহত হন আরো ৩ জন। এরআগেও ঘটেছে আরো বড় ধরনের কয়েকটি দুর্ঘটনা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে অনেক।
স্থানীয়রা জানান, ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দৈনিক দুইশতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশার চালকদের অধিকাংশেরই বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। কারও কাগজ থাকলেও ফিট নেই অটোরিকশা। এসব সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে কেউ আগে কৃষি কাজ ও দিনমজুরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত ছিলেন। সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তারা এখন মৃত্যুদূত হয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও মো. মিরাজ নামে কয়েকজন যাত্রী বলেন, সকাল ৮টায় লালমোহন থানার মোড় থেকে আমরা তিন জন পেছনে এবং সামনে আরো দুইজন যাত্রীসহ ভোলার ইলিশাঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। চালক বলেছেন এক ঘন্টার মধ্যে ঘাটে পৌঁছে দেবেন। চালকের কথা মতো সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। তবে রওয়ানা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চালক বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশাটি চালানো শুরু করেন। প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি অন্য কোনো গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। চালকের এমন কাণ্ড দেখে তাকে আমরা বারবার ধীরে চালাতে বলি। বলার পর কিছু সময় ঠিকমতো চালালেও কিছুক্ষণ পরই আবারও বেপরোয়া গতিতে চালানো শুরু করেন। যতক্ষণ সিএনজি চালিত ওই অটোরিকশায় ছিলাম, ততক্ষণ মনে হয়েছিল বাধ্য হয়ে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দিয়েছি। চালকদের এমন বেপরোয়া গতির কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা। এসব বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ভোলা জেলা দক্ষিণ জোনের লালমোহন সার্কেলের সার্জেন্ট মাখম লাল জানান, চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা ট্রাফিক পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছি। যারা আইন অমান্য করছেন এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করছি। তবে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা যেন বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালান সে জন্য তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। তবে সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে হলে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে। তাহলেই দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছি।
ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গতির দানব হয়ে ওঠেছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। সুযোগ বুঝে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো যেন হয়ে ওঠে একেকটি বুলেট ট্রেন! বেপরোয়া এই গতির ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে মানুষের প্রাণ। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীসহ পথচারীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে। জেলাজুড়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনোভাবেই সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশাগুলোর অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৌদ্ধেরপুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। এ ঘটনায় আহত হন আরো ৩ জন। এরআগেও ঘটেছে আরো বড় ধরনের কয়েকটি দুর্ঘটনা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে অনেক।
স্থানীয়রা জানান, ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দৈনিক দুইশতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশার চালকদের অধিকাংশেরই বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। কারও কাগজ থাকলেও ফিট নেই অটোরিকশা। এসব সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে কেউ আগে কৃষি কাজ ও দিনমজুরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত ছিলেন। সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তারা এখন মৃত্যুদূত হয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও মো. মিরাজ নামে কয়েকজন যাত্রী বলেন, সকাল ৮টায় লালমোহন থানার মোড় থেকে আমরা তিন জন পেছনে এবং সামনে আরো দুইজন যাত্রীসহ ভোলার ইলিশাঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। চালক বলেছেন এক ঘন্টার মধ্যে ঘাটে পৌঁছে দেবেন। চালকের কথা মতো সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। তবে রওয়ানা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চালক বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশাটি চালানো শুরু করেন। প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি অন্য কোনো গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। চালকের এমন কাণ্ড দেখে তাকে আমরা বারবার ধীরে চালাতে বলি। বলার পর কিছু সময় ঠিকমতো চালালেও কিছুক্ষণ পরই আবারও বেপরোয়া গতিতে চালানো শুরু করেন। যতক্ষণ সিএনজি চালিত ওই অটোরিকশায় ছিলাম, ততক্ষণ মনে হয়েছিল বাধ্য হয়ে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দিয়েছি। চালকদের এমন বেপরোয়া গতির কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা। এসব বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ভোলা জেলা দক্ষিণ জোনের লালমোহন সার্কেলের সার্জেন্ট মাখম লাল জানান, চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা ট্রাফিক পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছি। যারা আইন অমান্য করছেন এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করছি। তবে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা যেন বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালান সে জন্য তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। তবে সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে হলে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে। তাহলেই দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছি।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় পাওনা ৬০০ টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মো. শাকিল মিস্ত্রী (৩০) নামে এক যুবককে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শাকিল উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানির দোকান এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আড়ালিয়া এলাকার কেরানির দোকানের সামনে তাকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন একই এলাকার মো. নুরনবীর ছেলে মো. তামিম। অপরদিকে এ ঘটনায় রবিবার সকালে শাকিলের বাবা তজুমদ্দিন থানায় হত্যা মামলা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ আড়ালিয়া গ্রামের মো. ইউনুসের ছেলে রাকিবের কাছে একই এলাকার মো. নুরনবীর ছেলে তামিম হোসেন ৬০০ টাকা পাওনা ছিল। এ বিষয় নিয়ে শনিবার বিকেলে স্থানীয় খেলারমাঠে ক্রিকেট খেলার সময় রাকিব ও তামিমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিবের বড় ভাই শাকিল মিস্ত্রী ঝগড়া থামাতে গিয়ে তামিমকে চড়-থাপ্পর দেন।
এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় শাকিল মিস্ত্রী স্থানীয় কেরানির দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে তামিম পেছন দিক থেকে এসে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে শাকিলের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোর ৪টার দিকে শাকিল মিস্ত্রী মারা যান।
নিহতের চাচা সিরাজ মিস্ত্রী জানান, ঘটনার পরপর রাতেই শাকিলকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন হাসপাতালে পরে ভোলা ও বরিশাল হয়ে ঢাকা নিউরোসাইন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রবিবার ভোর ৫টায় শাকিলের মৃত্যু হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সালাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আঘাতপ্রাপ্ত শাকিল ঢাকায় মারা যাওয়ার সংবাদ পেয়েছি। সকালে নিহতের বাবা মো. ইউনুস তামিমের নামে একটি হত্যার মামলা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯