
০৪ জুন, ২০২৫ ১২:৩০
ভোলায় ঈদকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশ্য পরম যত্নে লালন-পালন করা গড়ে তোলা ১৬ থেকে ২২ মণ ওজনের বিশাল আকারের ৪টি গরু এখনও বিক্রি হয়নি। ক্রেতা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। অন্যদিকে এসব গরু হাটে তোলার পর দামাদামি করে কোনো কোনো ক্রেতা উৎপাদন খরচও বলছেন না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বড় আকারের গরু। কিন্তু এ বছর ক্রেতারা বড় গরুর দিকে ঝুঁকছে না, আর এতেই বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
সরেজমিনে ভোলা শহরের ‘গরুর হাট’ ও আলীনগর মাদরাসা বাজার পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু।
বিপাকে পড়া খামারিদের মধ্যে একজন সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে অবস্থিত খাঁন ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কালাম খাঁন। তার খামারে ছোট বড় মিলিয়ে ১১টি গরু রয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে লাইভ ওয়েটে ২২ মণ ওজনের ব্রাহমা জাতের একটি ষাঁড় ‘কালো বদর’ ও ফ্রিজিয়ান ১৬ মণ ওজনের আরেকটি ষাঁড় ‘কালো পাহাড়’। এ বছর ঈদুল আজহায় বিক্রির উদ্দেশ্য ফার্মটিতে দুটি বিশাল আকারের গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। গত ১ সপ্তাহ ধরে তোলা হচ্ছে ভোলার বিভিন্ন হাটে। কালা বদরের দাম দেওয়া হয়েছে ৭ লাখ ও কালো পাহাড়ের দাম দেওয়া হয়েছে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু নেই ক্রেতাদের আগ্রহ।
খামারি আবুল কালাম খাঁন বলেন, আমার খামারের একটি ব্রাহমা জাতের গাভীর বাচ্চা হচ্ছে ২২ মণের কালো বদর ও ফ্রিজিয়ান শাহিওয়াল ক্রসের ১৬ মণ ওজনের কালো পাহাড় । সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খৈল,খড়, ভূসি খাইয়ে বড় করেছি।
প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ টাকা প্রতিটি ষাঁড়ের পেছনে ব্যয় হচ্ছে। কালা বদরের বয়স ৪ বছর ও কালো পাহাড়ের বয়স ৩ বছর। দাম চেয়েছি ৭ লাখ ও ৫ লাখ টাকা। ষাঁড়গুলোর পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ও ৪ লাখ টাকা।
বিক্রির উদ্দেশ্য হাটে তোলার পর কয়েকজন ক্রেতা ষাঁড় দুটির পেছনে ব্যয় হওয়া দামও বলেনি, ক্রেতাও কম, এ দামে বিক্রি করলে চালানও উঠবে না। এখন গরু নিয়ে অনেকটা বিপাকে পড়েছি।
শুধু আবুল কালাম খাঁন নয়, একই চিত্র পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাতা গ্রামের খামারি মো. আল আমিনের। আল আমিনের খামারে ছোট বড় মিলিয়ে ২৫টি গরু রয়েছে। বিক্রির উদ্দেশ্য এ বছর প্রস্তুত করেছেন লাইভ ওয়েট ২২ মণ ওজনের শাহিওয়াল জাতের ষাঁড় নাম ‘রাজাবাবু’ ও ১৬ মণ ওজনের শাহিওয়াল জাতের আরেকটি গাভী। ক্রেতারা কাঙ্খিত দাম না বলায় তিনিও বিপাকে পড়েছেন।
মো. আল আমিন বলেন, দাম কমিয়ে আমার ২২ মণ ওজনের রাজাবাবুর দাম নির্ধারণ করেছি ৬ লাখ টাকা। কয়েকজন ক্রেতা রাজাবাবুর দাম বলেছেন সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ১৬ মণ ওজনের অন্য গরুটির দাম নির্ধারণ করেছি সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ক্রেতারা বলছেন ২ লাখের মতো। এসব দামে গরু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা মূলধনও উঠবে না। খামারে গরু যত বড় হচ্ছে দৈনিক খরচ ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গরুগুলো নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।
ক্রেতা মো. জসিম ও শাহে আলম, রশিদ বলেন, হাটে এসেছি কোরবানির জন্য গরু কিনতে। আমাদের বাজেট ৭০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সোয়া ১ লাখ টাকা। ছোট ও মাঝারি ধরনের গরু দামাদামি করছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের সার্বিক পরামর্শে খামারিরা গরুগুলো লালন পালন করেছেন। ভোলায় এ বছর বড় গরুর ক্রেতা কম থাকায় খামারিরা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এবং ক্রেতারা দামও কম বলছেন।
এদিকে শেষ মুহূর্তে হলেও গরুগুলো ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা খামারিদের। উল্লেখ্য, জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্র জানিয়েছে চলতি বছর ভোলা জেলায় কোরবানির জন্য ১ লাখ ২ হাজার ৭৬৯টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদা রয়েছে ৯০ হাজার ২৫৩টি। চাহিদার বিপরীতে উদ্বৃত্ত রয়েছে ১২ হাজার ৫১৬টি।
ভোলায় ঈদকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশ্য পরম যত্নে লালন-পালন করা গড়ে তোলা ১৬ থেকে ২২ মণ ওজনের বিশাল আকারের ৪টি গরু এখনও বিক্রি হয়নি। ক্রেতা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। অন্যদিকে এসব গরু হাটে তোলার পর দামাদামি করে কোনো কোনো ক্রেতা উৎপাদন খরচও বলছেন না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বড় আকারের গরু। কিন্তু এ বছর ক্রেতারা বড় গরুর দিকে ঝুঁকছে না, আর এতেই বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
সরেজমিনে ভোলা শহরের ‘গরুর হাট’ ও আলীনগর মাদরাসা বাজার পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু।
বিপাকে পড়া খামারিদের মধ্যে একজন সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে অবস্থিত খাঁন ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কালাম খাঁন। তার খামারে ছোট বড় মিলিয়ে ১১টি গরু রয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে লাইভ ওয়েটে ২২ মণ ওজনের ব্রাহমা জাতের একটি ষাঁড় ‘কালো বদর’ ও ফ্রিজিয়ান ১৬ মণ ওজনের আরেকটি ষাঁড় ‘কালো পাহাড়’। এ বছর ঈদুল আজহায় বিক্রির উদ্দেশ্য ফার্মটিতে দুটি বিশাল আকারের গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। গত ১ সপ্তাহ ধরে তোলা হচ্ছে ভোলার বিভিন্ন হাটে। কালা বদরের দাম দেওয়া হয়েছে ৭ লাখ ও কালো পাহাড়ের দাম দেওয়া হয়েছে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু নেই ক্রেতাদের আগ্রহ।
খামারি আবুল কালাম খাঁন বলেন, আমার খামারের একটি ব্রাহমা জাতের গাভীর বাচ্চা হচ্ছে ২২ মণের কালো বদর ও ফ্রিজিয়ান শাহিওয়াল ক্রসের ১৬ মণ ওজনের কালো পাহাড় । সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খৈল,খড়, ভূসি খাইয়ে বড় করেছি।
প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ টাকা প্রতিটি ষাঁড়ের পেছনে ব্যয় হচ্ছে। কালা বদরের বয়স ৪ বছর ও কালো পাহাড়ের বয়স ৩ বছর। দাম চেয়েছি ৭ লাখ ও ৫ লাখ টাকা। ষাঁড়গুলোর পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ও ৪ লাখ টাকা।
বিক্রির উদ্দেশ্য হাটে তোলার পর কয়েকজন ক্রেতা ষাঁড় দুটির পেছনে ব্যয় হওয়া দামও বলেনি, ক্রেতাও কম, এ দামে বিক্রি করলে চালানও উঠবে না। এখন গরু নিয়ে অনেকটা বিপাকে পড়েছি।
শুধু আবুল কালাম খাঁন নয়, একই চিত্র পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাতা গ্রামের খামারি মো. আল আমিনের। আল আমিনের খামারে ছোট বড় মিলিয়ে ২৫টি গরু রয়েছে। বিক্রির উদ্দেশ্য এ বছর প্রস্তুত করেছেন লাইভ ওয়েট ২২ মণ ওজনের শাহিওয়াল জাতের ষাঁড় নাম ‘রাজাবাবু’ ও ১৬ মণ ওজনের শাহিওয়াল জাতের আরেকটি গাভী। ক্রেতারা কাঙ্খিত দাম না বলায় তিনিও বিপাকে পড়েছেন।
মো. আল আমিন বলেন, দাম কমিয়ে আমার ২২ মণ ওজনের রাজাবাবুর দাম নির্ধারণ করেছি ৬ লাখ টাকা। কয়েকজন ক্রেতা রাজাবাবুর দাম বলেছেন সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ১৬ মণ ওজনের অন্য গরুটির দাম নির্ধারণ করেছি সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ক্রেতারা বলছেন ২ লাখের মতো। এসব দামে গরু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা মূলধনও উঠবে না। খামারে গরু যত বড় হচ্ছে দৈনিক খরচ ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গরুগুলো নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।
ক্রেতা মো. জসিম ও শাহে আলম, রশিদ বলেন, হাটে এসেছি কোরবানির জন্য গরু কিনতে। আমাদের বাজেট ৭০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সোয়া ১ লাখ টাকা। ছোট ও মাঝারি ধরনের গরু দামাদামি করছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের সার্বিক পরামর্শে খামারিরা গরুগুলো লালন পালন করেছেন। ভোলায় এ বছর বড় গরুর ক্রেতা কম থাকায় খামারিরা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এবং ক্রেতারা দামও কম বলছেন।
এদিকে শেষ মুহূর্তে হলেও গরুগুলো ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা খামারিদের। উল্লেখ্য, জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্র জানিয়েছে চলতি বছর ভোলা জেলায় কোরবানির জন্য ১ লাখ ২ হাজার ৭৬৯টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদা রয়েছে ৯০ হাজার ২৫৩টি। চাহিদার বিপরীতে উদ্বৃত্ত রয়েছে ১২ হাজার ৫১৬টি।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৬
ভোলা সদর উপজেলায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বরিশালের কাউনিয়া থানার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ হাওলদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২২) ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার মাধবখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মৃধার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৪৯)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার রিফাত অভি।
তিনি জানান, কুমিল্লা থেকে গাঁজা নিয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী লঞ্চঘাট হয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ভোলায় আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান ও কহিনুর বেগম নামের দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। জব্দ গাঁজাসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ভোলা সদর উপজেলায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বরিশালের কাউনিয়া থানার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ হাওলদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২২) ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার মাধবখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মৃধার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৪৯)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার রিফাত অভি।
তিনি জানান, কুমিল্লা থেকে গাঁজা নিয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী লঞ্চঘাট হয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ভোলায় আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান ও কহিনুর বেগম নামের দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। জব্দ গাঁজাসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.