
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৩২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় অবস্থিত অরিয়েট জুটমিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ আগুন লাগে। টানা ৪ ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রাথমিকভাবে আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে মিল কর্তৃপক্ষের ধারণা, আগুনে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের পাট পুড়ে গেছে। পুড়ে গেছে একটি বড় গোডাউন। যদিও আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।
অরিয়েট জুট মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পাশে এ জুট মিলটি অবস্থিত।
গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পাশের আরেকটি গোডাউনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরাও এসে আগুন নিভানোর কাজে যোগ দেয়। দুটি ষ্টেশনের মোট তিনটি ইউনিট একত্রে কাজ করে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে পুরোপুরি নেভাতে রাত সাড়ে ১০টা বেজে যায়।
অরিয়েট জুট মিলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসনিক) হরে কৃষ্ণ বৈরাগী বলেন, সন্ধ্যার পর গোডাউনে কোনো শ্রমিক ছিলোনা। তবে আমরা অনেকে দাপ্তরিক কাজে ব্যাস্ত ছিলাম। আগুন লাগার পর দ্রুত গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনকে খবর দেওয়া হয়। আমরা এখনো পর্যন্ত আগুন লাগার কোনো কারণ বলতে পারছি না। রাত দশটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। অরিয়েট জুট মিলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী দিদার আহম্মেদ মুঠোফোনে জানান , মিলের পিছনের দুটি বড় গোডাউনে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মণ পাট পুড়ে গেছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানি না। তবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। প্রাথমিকভাবে ১২ থেকে ১৪ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। পরে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব বলতে পারব।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট পরবর্তীতে রাজবাড়ী থেকে আরেকটি ইউনিট যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজ করে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরবর্তীতে জানা যাবে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় অবস্থিত অরিয়েট জুটমিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ আগুন লাগে। টানা ৪ ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রাথমিকভাবে আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে মিল কর্তৃপক্ষের ধারণা, আগুনে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের পাট পুড়ে গেছে। পুড়ে গেছে একটি বড় গোডাউন। যদিও আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।
অরিয়েট জুট মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পাশে এ জুট মিলটি অবস্থিত।
গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পাশের আরেকটি গোডাউনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরাও এসে আগুন নিভানোর কাজে যোগ দেয়। দুটি ষ্টেশনের মোট তিনটি ইউনিট একত্রে কাজ করে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে পুরোপুরি নেভাতে রাত সাড়ে ১০টা বেজে যায়।
অরিয়েট জুট মিলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসনিক) হরে কৃষ্ণ বৈরাগী বলেন, সন্ধ্যার পর গোডাউনে কোনো শ্রমিক ছিলোনা। তবে আমরা অনেকে দাপ্তরিক কাজে ব্যাস্ত ছিলাম। আগুন লাগার পর দ্রুত গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনকে খবর দেওয়া হয়। আমরা এখনো পর্যন্ত আগুন লাগার কোনো কারণ বলতে পারছি না। রাত দশটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। অরিয়েট জুট মিলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী দিদার আহম্মেদ মুঠোফোনে জানান , মিলের পিছনের দুটি বড় গোডাউনে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মণ পাট পুড়ে গেছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানি না। তবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। প্রাথমিকভাবে ১২ থেকে ১৪ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। পরে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব বলতে পারব।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট পরবর্তীতে রাজবাড়ী থেকে আরেকটি ইউনিট যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজ করে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরবর্তীতে জানা যাবে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৫
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২