
১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:১১
ইলিশ প্রজনন মৌসুমে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ মাছ। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় প্রকাশ্যে চলছে এই অবৈধ ব্যবসা, ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিয়ামতি বন্দর বাজার, মহেশপুর বাজার সহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খোলামেলাভাবে ইলিশ বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সহ একটি ভয়ংকর সিন্ডিকেট।
আর এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহেশপুরের আলামিন নামের এক যুবক। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কম দামে এসব ইলিশ বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতারাও গোপনে ইলিশ ক্রয় করে নিচ্ছে। এতে মাছ ধরা ও বিক্রি বন্ধে সরকারের কঠোর নির্দেশনা কার্যত ভেস্তে যাচ্ছে।
ইলিশ বিক্রেতা আল আমিন এমডি আল আমিন নামের তার ব্যক্তিগত ব্যবহারিত ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যা এলাকায় এখন সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ বিষয়ে আলামিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ইলিশ মাছ নদী থেকে শিকার করি না। তবে মাছের প্রয়োজন হলে জেলেদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিতে পারব।
১৭ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১০ টায় নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালী নদীর পাড়ে গেলে দেখা যায়, প্রকাশ্যে জেলেরা দলবেঁধে নদীতে ইলিশের জাল ফেলছে। অনেকে আবার ইলিশ শিকার করে নিয়ে যাচ্ছে বিক্রয় করার জন্য। অনেক স্থানীয় জেলেরা তাদের নিজেদের বাড়িতে এখন বাজার বসিয়ে ইলিশ মাছ বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছাত্র ছায়ায় জেলেরা এখন অবাধে নদী থেকে মাছ শিকার করছে।
এরপর সেখানেই অস্থায়ী হাটে ইলিশ বিক্রি করছেন তারা। এ সময় নদীতে মৎস্য বিভাগের কাউকে অভিযান চালাতে দেখা যায়নি। এখানে পাইকারি দরে ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা ও ছোট ইলিশ ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন জেলেরা।
এছাড়াও একই চিত্র দেখা গেছে উপজেলার, কলসকাঠী ইউনিয়নের পান্ডব নদীতে ও কবাই ইউনিয়নের কারখানা নদীতে ও ফরিদপুর, দুর্গাপাশা, ইউনিয়নের তেতুলিয়া নদীতে। এসব এলাকায়ও নদী থেকে ইলিশ শিকার করে প্রকাশ্যে বিক্রয় করে আসছে স্থানীয় জেলেরা।
স্থানীয় এক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালি নদীতে দিনের চেয়ে রাতের আঁধারে জাল ফেলে ইলিশ ধরছে জেলেরা। পরে ভোরে গোপনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবে নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালী নদীতে কিছু জেলেরা মাস শিকার করছে আমিও শুনেছি। সেখানে আমরা অভিযান পরিচালনা করব।
নদীতে মাছ শিকার যাহারা করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দণ্ড ও জরিমানাও দেওয়া হবে। তবে জনবল সংকটের কারণে শতভাগ সফলতা অর্জন করা যাচ্ছে না বলেও তিনি জানান।
ইলিশ প্রজনন মৌসুমে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ মাছ। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় প্রকাশ্যে চলছে এই অবৈধ ব্যবসা, ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিয়ামতি বন্দর বাজার, মহেশপুর বাজার সহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খোলামেলাভাবে ইলিশ বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সহ একটি ভয়ংকর সিন্ডিকেট।
আর এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহেশপুরের আলামিন নামের এক যুবক। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কম দামে এসব ইলিশ বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতারাও গোপনে ইলিশ ক্রয় করে নিচ্ছে। এতে মাছ ধরা ও বিক্রি বন্ধে সরকারের কঠোর নির্দেশনা কার্যত ভেস্তে যাচ্ছে।
ইলিশ বিক্রেতা আল আমিন এমডি আল আমিন নামের তার ব্যক্তিগত ব্যবহারিত ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যা এলাকায় এখন সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ বিষয়ে আলামিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ইলিশ মাছ নদী থেকে শিকার করি না। তবে মাছের প্রয়োজন হলে জেলেদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিতে পারব।
১৭ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১০ টায় নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালী নদীর পাড়ে গেলে দেখা যায়, প্রকাশ্যে জেলেরা দলবেঁধে নদীতে ইলিশের জাল ফেলছে। অনেকে আবার ইলিশ শিকার করে নিয়ে যাচ্ছে বিক্রয় করার জন্য। অনেক স্থানীয় জেলেরা তাদের নিজেদের বাড়িতে এখন বাজার বসিয়ে ইলিশ মাছ বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছাত্র ছায়ায় জেলেরা এখন অবাধে নদী থেকে মাছ শিকার করছে।
এরপর সেখানেই অস্থায়ী হাটে ইলিশ বিক্রি করছেন তারা। এ সময় নদীতে মৎস্য বিভাগের কাউকে অভিযান চালাতে দেখা যায়নি। এখানে পাইকারি দরে ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা ও ছোট ইলিশ ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন জেলেরা।
এছাড়াও একই চিত্র দেখা গেছে উপজেলার, কলসকাঠী ইউনিয়নের পান্ডব নদীতে ও কবাই ইউনিয়নের কারখানা নদীতে ও ফরিদপুর, দুর্গাপাশা, ইউনিয়নের তেতুলিয়া নদীতে। এসব এলাকায়ও নদী থেকে ইলিশ শিকার করে প্রকাশ্যে বিক্রয় করে আসছে স্থানীয় জেলেরা।
স্থানীয় এক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালি নদীতে দিনের চেয়ে রাতের আঁধারে জাল ফেলে ইলিশ ধরছে জেলেরা। পরে ভোরে গোপনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবে নিয়ামতি ইউনিয়নের বিষখালী নদীতে কিছু জেলেরা মাস শিকার করছে আমিও শুনেছি। সেখানে আমরা অভিযান পরিচালনা করব।
নদীতে মাছ শিকার যাহারা করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দণ্ড ও জরিমানাও দেওয়া হবে। তবে জনবল সংকটের কারণে শতভাগ সফলতা অর্জন করা যাচ্ছে না বলেও তিনি জানান।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮